Tuesday, February 9, 2021

কেশরাজ গাছের গুণাগুণ।


কেশরাজ গাছের গুণাগুণ।
                  

             কেশরাজ গাছের গুণাগুণ।

 নামে কেশরাজ নামটি উল্লেখ করা হয়েছে। কেশরাজ মানে চুলের রাজা। বিউটি পিপাসুরা যুগে যুগে নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা করতে ব্যস্ত। তাই এই গাছের পাতা, কান্ড, ফুল এবং ফল চুলের যত্নে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটিতে অ্যালকোলয়েড স্টেরল, উডে লোলকটোন, লুটলিন গ্লাইকোসাইড, ট্রাইটারপিন গ্লাইকোসাইড এবং ফাইটোস্টেরল রয়েছে। এটি বাংলাদেশের সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও এই গাছটি সাধারণত ভারত, চীন, থাইল্যান্ড এবং ব্রাজিলে দেখা যায়। এটি সাধারণত জলাশয়ের তীরে বা বনে থাকতে দেখা যাই। এই গাছটি যেখানেই হোক না কেন অযত্নে বৃদ্ধি পায়।

 

                                   আরো পড়ুন চিয়া সীডের পুষ্টি গুণাগুণ

গোল্ম জাতীয় গাছটিন রস বহুল ব্যবহৃত হয়। এটি দেখতে লাতানো। শাখা থেকে শাখা। এগুলির দৈর্ঘ্য ৫০/৬০সেমি পর্যন্ত হয়। এর শাখাগুলি বিপরীত দিক থেকে প্রশাখা হয় শাখার মতো পাতাও বিপরীত দিক থেকে বেরিয়ে আসে। পাতা এবং ফলের রং সবুজ। পাতাগুলি সাধারণত / সেমি লম্বা হয়। শাখার শেষে দুটি থেকে তিনটি ফুল ফোটে। এর ফুলগুলি অনেকগুলি সাদা পরাগে সমন্বয়ে গঠিত। ফলগুলি পাকলেমাটিতে পড়ে এবং নতুন গাছ আবার জন্মায়।

 

 

 

দৈনন্দিন জীবনে কেশরাজ গাছের উপকারিতা:-

 

.এটি চুলের জন্য খুব উপকারী। যখন এর রস এবং তেল মিশ্রিত করে মাথাই ব্যবহার করা হয় তখন এটি মাথার চুল শক্ত এবং শক্তিশালী করে, চুল পড়া বন্ধ করতে খুব কাজের।চুল ঘনও করা এবং কালো করা এবং মাথার উকুনের প্রতিশোধক  হিসাবে কাজ করার জন্য এটি চুলে প্রয়োগ করা হয়।

 

.আপনার মাথা ব্যথা থাকলে নাক এবং মাথাই এই রস দুটি ফোঁটা মালিশ করে আপনি এই ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

 

. কাটা স্থানে গাছ রস লাগালে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় এবং ক্ষতটি দ্রুত শুকিয়ে যেতে সহায়তা করে।

 

.কেশরাজ রস লিভার কিডনির রোগ প্রতিরোধে খুব উপকারী। চুলের ফলিকিতে অ্যামিডোপিরিন, এনডিমিথিলিন গ্লুকোজ - ফসফেটের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং লিভার সিরোসিস, লিভারের প্রদাহ এবং জন্ডিস দূর করতে সহায়তা করে। এটি মূলত লিভারের টনিক উপাদান হিসাবে কাজ করে।

 

.প্রতিদিন এক চা চামচ গাছের রস এবং আধা কাপ পানি মিশ্রিত করে খেলে রক্তের প্রবাহ থেকে সমস্ত ধরণের ক্ষতিকারক পদার্থ সরিয়ে দেয়।

 

.কেশরাজ রস কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

 

.আধা কাপ পানিতে নিয়মিত দু চা চামচ রস মিশিয়ে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এটি মূলত রক্তে শর্করার মাত্রা এবং গ্লাইকোসিল্যাটেড হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।

.কৃমি থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত আধা কাপ পানিতে দু চা চামচ রস মিশিয়ে নিয়ে খেয়ে ফেলুন।

 

এই সমস্ত সুবিধা থাকা সত্ত্বেও, এর ব্যবহারে অবশ্যই যত্ন নেওয়া উচিত। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত:

 

.অ্যালার্জির সমস্যা যাদের আছে তারা এড়িয়ে চলুন। কারণ এতে অ্যালার্জেন রয়েছে।

 

.এটি গর্ভবতী মহিলা এবং নবজাতকের পক্ষে ক্ষতিকারক।

 

.কমোথেরাপির সময় এটি ব্যবহার না করাই ভালো।

 

অবশেষে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন এবং ওভারডোজ থেকে দূরে থাকুন। নিজে সুস্থ থাকুন অন্যকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করুন। গাছ গাছড়া থেকে সতর্ক থাকুন।না জেনে বুঝে ব্যবহার করা উচিত নয়।ব্যবহারের আগে ভালো করে ধুয়ে ব্যবহার করা উচিত।

---------------------

Group by  কৃষি পরামর্শ

 

আরো পড়ুন চিয়া সীডের পুষ্টি গুণাগুণ

 

 



Sunday, February 7, 2021

বাড়ির ছাদে হচ্ছে সোনার ফসল আপনি বঞ্চিত কেন।


 


সম্মানিত ঢাকাবাসি বাড়ির মালিক মহোদয়ের উদ্দেশ্যে সোনার ফসল সংগঠনের উদ্দেগে আমাদের এই চিঠি আপনাদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

আপনার বাড়ির ছাদে হচ্ছে সোনার ফসল আপনি বঞ্চিত কেন ?  


সম্মানিত ঢাকাবাসি, আসসালামু আলাইকুম

------------------------------------------------------------

জনাব/জনাবা,

সবিনয় নিবেদন এই যে, আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,বর্তমানে সবজির চরা মূল্য থাকার কারনে সাধারন মানুষ কঠিন সংকটের মধ্যে জীবন-যাপন করছে- ★তাদের নুন আছে তো ভাত আছে,তরকারি নেই রাসূনে। ঢাকা সিটির বাহির থেকে যে পরিমান সবজি ঢাকায় আসে- তাতে ঢাকা সিটির ২ কোটি পঞ্চাশ লক্ষ মানুষের সবজির চাহিদা পূরন করা সম্ভব নয়। 

ঢাকার বাহির থেকে সবজি (পরিবহন করতে) আনতে গিয়ে যে পরিমান ভাড়া দিতে হয় এবং মহাসড়কে যে পরিমান অহরহ চাদাবাজি হয় তাতে দেখা যায় যে সবজির মূল মূল্য থেকে দশগুন দাম বেড়ে যায়, যার জন্য চরম মূল্য দিয়ে সবজি কিনতে হয় সাধারন মানুষের - সবজির এই বেগতিক দামের জন্য সাধারন মানুষ তাজা সবজি থেকে বঞ্চিত। সবজির চরম দামে সাধারন গরিব মানুষ পুষ্টিহীনতায় ভূগছে, আবার অনেকে ঢাকা ছাড়ছে এই আগ্রাসি দামের কারনে। আবার দেখা যায় কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আছে যারা সবজি তাজা রখার জন্য সবজিতে ফরমালিন ব্যবহার করে। যার প্রভাবে সাধারন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।


অতএব, ঢাকাবাসি বাড়িওয়ালা মহাদয়ের প্রতি আমার আকুল আবেদন এই যে,আপনার প্রত্যেকে যদি আপনার বাড়ির খোলা ছাদে সবজি চাষ করেন তাহলে আমরা সবজির চড়া মূল্য কমিয়ে আনতে সক্ষম হব এবং আপনি আপনার  সবজি বাগান থেকে নিজ হাতে সবজি তুলে নিয়ে রান্না করতে পারবেন - নিঃসন্দেহে ফরমালিনমুক্ত তাজা শাক-সবজি। যা খেয়ে আপনার শারিরীক গঠন আরো সুন্দর হবে। সম্মানিত ঢাকাবাসি, আমি বাস্তবতাকে সামনে রেখে বলছি, সবজির চরম মূল্যের কারনে ঢাকাবাসী খুব কষ্টে আছে। তাদের জীবন-যাপন অস্থির হয়ে পরছে। 

সবজির বেশামাল দামের কারনে সাধারন মানুষ চরম ভোগান্তিতে ভুগছে। অতএব আপনি আপনার বাড়ির ছাদে নিজের খাবারের জন্য যদি সবজি চাষ করেন। তাতে দেখা যাবে আপনি এবং আপনার এলাকাবাসি, আপনার এই মহত কাজের জন্য উপকৃত হবে। আপনার মধ্যে দেশেপ্রেম লুকিয়ে থাকবে অদৃশ্য হয়ে। আপনি দেশের ভাল কাজের অংশিদারিত্বে একজন। আর ভালো কাজ মানেই দেশপ্রেম অথবা এবাদত। আপনার এই সমাজ সেবার মধ্যে যে দেশপ্রেম লুকিয়ে থাকবে তা হয়তো আপনি দেখবেন না- উহার কাঙ্খিত ফল উপভোগ করবে সাধারন মানুষ। আর আপনি তখন পাবেন সাধারন মানুষের ভালবাসা এবং তাদের অন্তর থেকে পাবেন দোয়া। আর এই যে দেখুন আপনার অন্নের মধ্যেই (খাবারের মধ্যে) রয়েছে অন্য মানুষের অন্ন (খাবার)। আপনার বাড়ির ছাদে রয়েছে সোনার ফসল।তার মধ্যে রয়েছে সাধারন খেটে খাওয় মানুষের কর্মসংস্থান। 


আপনার ছাদ বাগানের মধ্যেই রয়েছে বেকার সমস্যার সমাধান। হয়তো সম্পূন্য বেকার সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। তবুও কিছুটা হলেও বেকার সমস্যা সমাধান হবে। আপনার বাগানের সবজি আপনি নিজে খাবারের জন্য চাষ করবেন। এজন্য আপনি ভালো থাকবেন এবং আপনার পরিবার পরিজন ভাল থাকবে। আপনার থাকবেনা বাজার করার টেনশন, আপনার ড্রাইবার অথবা কাজের লোক দ্বারা যে সব সবজি ক্রয় করাবেন (কিনাবেন) সে সব সবজি হয়তো আপনার পছন্দ নাও হতে পারে। সময়মত বাজারে না গেলে পুরাতন বাসি পচা ফরমালিন মেশানো সবজি কিনতে আপনি বাধ্য হন। তাই আসুন আমরা নিজ হাতে সবজি তুলে নিয়ে রান্না করি। 

আমরা নিজেকে নিজে ভালোবাসতে পারিনা আমি আমাকে ভালবাসতে শিখিনি অন্যকে ভালবাসব কি করে। রুদ্র মুহাম্মাদ শহিদুল্লার একটি উক্তি না বললেই চলে না। তিনি বলেছেনঃ- যখন আমি আমাকে ভালবাসতে শিখব, তখন আমি আমার পরিবারকে ভালবাসতে শিখব। যখন আমি আমার পরিবারকে ভালবাসতে শিখব, তখন আমি আমার গ্রামকে ভালবাসতে শিখব, যখন আমি আমার গ্রামকে ভালবাসতে শিখব,তখন আমি আমার দেশকে ভালোবাসতে শিখব,যখন আমি আমার দেশকে ভালোবাসতে শিখব, তখন প্রত্যেক প্রত্যেককে ভালবাসতে শিখব। 


কবি বলেছেনঃ সবার সুখে হাসবো আমি কাঁদব সবার দুঃখে, নিজের খাবার বিলিয়ে দিব অনাহারীর মুখে।  কবির কথা রেখেই দিলাম আপাতত' নিজের কথাই বলি এখন। সবার সুখের কথা ভাবতে হবেনা। নিজের কথাই একটু ভাবুন। তখন দেখা যাবে, অন্যেরা এমনেতেই আপনার সুখে সুখি হবে। তাই আসুন আমরা নিজ বাড়ির ছাদে ফসল ফলিয়ে অন্যের সুখের ভাগিদার হই, এই আমাদের কাম্য। 

আমাদের সোনার ফসল সংগঠনের, আপনাদের পাশে আছি এবং আপনাদের পাশেই থাকবো। আপনাদের যে কোন কাজে,  যে কোন পরামর্শের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনি উদ্যেগ নিন আমরা প্রস্তত।


                       যোগাযোগের ঠিকানাঃ 

                     ক-৬৪/১, নদ্দা,গুলমান-২, 

                  মোবাইলেঃ ০১৯৪১৮৪১১০৯,

              সংগঠন প্রধানঃ মোঃ শামীম রেজা

            ফেসবুক লিংক





Saturday, February 6, 2021

পিয়াজের পাতা পোড়া রোগ ।


পিয়াজের পাতা পোড়া রোগ ।
                                       

                                    

পিয়াজের পাতা পোড়া রোগ ।



রোগের কারণঃ


অলটারনারিয়া পোরি (Aternaria Porri) ও স্টেমফাইলিয়াম বট্রাওসাম (Stemphylium botryosum) নামক ছত্রাক। রোগের বিস্তারঃ আক্রান্ত বীজ, বায়ু ও গাছের পরিত্যক্ত অংশের মাধ্যমে এ রোগ বিস্তার লাভ করে। অতিরিক্ত শিশির, আর্দ্র আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাত হলে এ রোগ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। স্পোর বায়ুর মাধ্যমে এক গাছ হতে অন্য গাছে ছড়ায়।


পেঁয়াজ বাংলাদেশের একটি অর্থকরী মসলা ফসল অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোগ্যপণ্য। প্রতিদিনের রান্নর  কাজে আমরা ব্যবহার করে থাকি। ছাড়াও পেঁয়াজে অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। দেশের চাহিদার তুলনায় ফসলের উৎপাদন নিতান্তই কম। উৎপাদন কম হওয়ার জন্য রোগবালাই একটি প্রধান কারণ। পেঁয়াজে পার্পল  কাণ্ড পচা রোগ দেখা যায়। এই রোগসমূহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে ফলন অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে। তাই পেঁয়াজের কয়েকটি মারাত্মক রোগের লক্ষণ, কারণ প্রতিকার ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।


আজকে আপনাদের সথে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব সেটি আপনারা দেখে বুঝে গেছেন যে-পিয়াজের পাতা পোড়া রোগ বর্তমান সমায়ের একটা বড় সমস্যা আমাদের চাহিদা পূর্ণ একটি বীজ হলো পিয়াজ এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কৃষি উপকরণ আমাদের দেশের পেয়াজের সংকট দূর করতে হলে অবশ্যই পেয়াজের বীজের প্রতি গুরুত্বারোপ করতে হবে।

 

এ জন্য আমাদেরকে পেয়াজের বীজ উৎপাদন বাড়াতে হবে।  আজ আপনাদের সামনে এসে হাজির হয়েছি পিয়াজের পাতা পোড়া রোগের প্রতিকার নিয়ে ।আজকে পেয়াজের প্রধান সমস্যা পাতা পোড়া  আজকের আলোচনা করবো- পেয়াজ চাষ বা বীজ করতে গেলে প্রথমে আপনার যে সমস্যাটা সৃষ্টি হয়ে থাকে তা হলো পেয়াজ গাছের পাতা পোড়া রোগ। সংক্রমণের পাশাপাশি যেটা হয় আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে কালো বা লাল /হলুদ ধরনের দাগ পড়ে এটা যদি আমরা কন্ট্রোল না করতে পারি নিয়ন্ত্রণ না করতে পারি। আস্তে আস্তে সম্পূর্ণ গাছ নষ্ট হয়ে যায় এবং পেয়াজের ব্যাপকভাবে উৎপাদন কমে যায়।

আপনার দেখেন যে  গাছের ডগায় কালো বা হলুদ হয়ে যায় এটা একটা অন্যতম সমস্যা।পেয়াজের গাছ যখনছোট থাকে তখন পাতায় আক্রমণ করে। এই পাতা পোড়া রোগ দেখা মাত্রই আমাদেরকে দমন বা ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে আর দমন করতে গেলে আমাদের যে কাজটি করতে হবে।


পেঁয়াজের পার্পল ব্লচ রোগ


রোগের কারণঃ
অলটারনারিয়া পোরি (Aternaria Porri) ও স্টেমফাইলিয়াম বট্রাওসাম (Stemphylium botryosum) নামক ছত্রাক।

রোগের বিস্তারঃ
আক্রান্ত বীজ, বায়ু ও গাছের পরিত্যক্ত অংশের মাধ্যমে এ রোগ বিস্তার লাভ করে। অতিরিক্ত শিশির, আর্দ্র আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাত হলে এ রোগ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। স্পোর বায়ুর মাধ্যমে এক গাছ হতে অন্য গাছে ছড়ায়।
রোগের লক্ষণঃ
১। প্রথমে পাতা ও বীজবাহী কান্ডে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পানি ভেজা বাদামী বা হলুদ রং এর দাগের সৃষ্টি হয়।
২। দাগগুলি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে বড় দাগে পরিণত হয়।
৩। দাগের মধ্যবর্তী অংশ প্রথমে লালচে বাদামী ও পরবর্তীতে কালো বর্ণ ধারণ করে এবং দাগের কিনারা বেগুনী বর্ণ ধারণ করে।
৪। আক্রান্ত পাতা উপরের দিক হতে ক্রমান্বয়ে মরে যেতে থাকে। ব্যাপকভাবে আক্রান্ত পাতা ৩-৪ সপ্তাহের মধ্যে হলদে হয়ে মরে যায়।
৫। বীজবাহী কান্ডের গোড়ায় আক্রান্ত স্থানের দাগ বৃদ্ধি পেয়ে হঠাৎ ভেঙ্গে পড়ে।
৬। এ রোগের আক্রমণের ফলে বীজ অপুষ্ট হয় এবং ফলন হ্রাস পায়।
৭। রোগ মারাত্মক আকার ধারণ করলে সুস্থ বীজ উৎপাদন সম্ভবপর হয় না।
রোগের প্রতিকারঃ
২. রোগ সহনশীল প্রতিরোধী জাত ব্যবহার করতে হবে।
১. সুস্থ, নীরোগ বীজ ও চারা ব্যবহার করতে হবে।
৩। আক্রান্ত গাছের পরিত্যক্ত অংশ পুড়ে ফেলতে হবে।



রোগের লক্ষণ

১.প্রথমে পাতা বীজ বাহী কাণ্ডে  ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পানি ভেজা বাদামী বা হলুদ রঙের দাগ সৃষ্টি হয়।

২. দাগ গুলি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে বড় দাগে পরিণত হয়।

৩.  দাগের মধ্যবর্তী অংশ প্রথমে লালচে বাদামী পরবর্তীতে কালো বর্ণ ধারণ করে এবং দাগের কিনারা বেগুনী বর্ণ ধারণ করে।

৪. আক্রন্ত পাতা ও উপরের দিক হতে পাতা মরে যেতে থাকে। ব্যাপক ভাবে আক্রন্ত  পাতা - সপ্তাহের মধ্যে হলদে হয়ে মরে যায়।

৫. বীজবাহী কাণ্ডের গোড়ায় আক্রন্ত স্থানের দাগ বৃদ্ধি পেয়ে হঠাৎ ভেঙ্গে পড়ে।

৬.এ রোগের আক্রমণের ফলে বীজ অপুষ্ট হয়  এবং ফলন হ্রাস পায়।

৭। রোগ মারাত্মক আকার ধারণ করলে সুস্থ বীজ উৎপাদন সম্ভবপর হয় না।

 


প্রতিকার

১. সুস্থ, নীরোগ বীজ চারা ব্যবহার করতে হবে।

২. আক্রন্ত গাছের পরিত্যক্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

৩. রোভরাল বা প্রোভেক্স-২০০ নামক ছত্রাক নাশক প্রতি কেজি বীজের সাথে . গ্রাম হারে মিশিয়ে বীজ শোধন করে বপন করতে হবে।

৪.রোগ দেখা দিলে প্রতি লিটার পানির সাথে গ্রাম রোভরাল/ গ্রাম রিডোমিল গোল্ড/ গ্রাম মেনকোজেব মিশিয়ে ১০-১২ দিন পর পর - বার গাছে স্প্রে করতে হবে। বীজ পেঁয়াজের ক্ষেতে একই ছত্রাক নাশক একই পরিমাণে ১০-১২ দিন পর পর - বার স্প্রে করতে হবে। 



অথবা


যেকোনো রোভরাল /ইপ্রিডিয়ন গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম এবং 

 একইসাথে এ্যাজোক্সিট্ৰবিন+ডাইফেকোনাজল গ্রুপের তরল ছত্রাক নাশক মিলি হারে একসাথে মিশিয়ে ডাটাসহ ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে। 


সকলকে ধন্যবাদ।

সৌজন্যে---------------------


ভিডিও দেওয়া হলো দেখতে ক্লিক করিুন।


                                           

                                  পিয়াজের পাতা পোড়া রোগ ।


ভিডিও দেওয়া হলো দেখতে ক্লিক করিুন।



Thursday, February 4, 2021

কৃষি কাজের ভালো দিকগুলো।



 নেশা যদি পেশা হয়, সফলতা আপনার নিকটে,তার সাথে যদি মা বাবার দোয়া থাকে তা হলে আপনাকে ঠেকায় কে।


কৃষি সেক্টরে সফল হওয়াটা অগ্নি পরীক্ষার সমান।কিন্তু কয়েকটি ভালো দিকও আছে যেমন:

1/ আপনি একটি স্বাধীন পেশা পাবেন,

2/ মা বাবাসহ পরিবারের সবাইকে প্রচুর সময় দিতে পারবেন, 

যা অন্য কোন কাজ করে হয়তো সম্ভব না।

3/ মাথা উঁচু করে বলতে পারবেন, আমি কৃষক আমি আপনার খাবার প্লেটে খাবার দেই।

4/ প্রকৃতির সাথে নিবিড়ভাবে সময় কাটাতে পারবেন,

    গাছ কখনো বেইমানি করে না।

5/ নিজের টার্গেট নিজেই পূর্ন করতে পারবেন,

     অন্যের দেওয়া নির্ধারিত টার্গেট পূরণের জন্য মরিয়া হয়ে দৌড়াতে হবে না।

6/ আত্মীয় স্বজনদের বিপদে সবার আগে উপস্থিত হতে পারবেন,

এ বিষয়টি প্রবাসী ও চাকরিজীবী ভাইয়েরা ভালো ভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন।

7/ যখন যেদিকে প্রয়োজন চলে যেতে পারবেন,  

কাওকে কৈফিয়ত দিতে হবে না।

8/ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে চিরমুক্তি,

9/ সৎ উপার্জনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন,


কৃষি কাজে এরকম আরো অনেক অনেক ভালো দিক আছে।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে খারাপ দিকও আছে, ঐ বিষয়ে অন্যকোন পোস্টে আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ

সকলেই ভালো থাকবেন, সাবধানে থাকবেন।

আমার জন্য দোয়া করবেন

কৃষি উদ্যোক্তা এমদাদুল হক রতন

প্রতিষ্ঠানঃ- রোহান এগ্রো ফার্ম

গারো বাজার, ঘাটাইল, টাঙ্গাইল


Monday, February 1, 2021

লাউয়ের মাছি পোকা দমনে কার্যকর ব্যবস্থাপনা।



লাউয়ের মাছিপোকা দমনে কার্যকর ব্যবস্থাপনা।Effective management of bottle gourd fruits fly control.

আজ নতুন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো তার আগে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি। 

আজকে আপনাদের সামনে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব সেটি হল আপনারা দেখবেন যারা ছাদ বাগানে এবং বাণিজ্যিকভাবে লাউ চাষ করে থাকেন। দেখবেন মাছি পোকা ঘুরে বেড়াই এবং ফলের উপর  বসে থাকে।এই পোকা লাউ চাষের জন্য বড়ো হুমকি।এই মাছি পোকা লাউয়ে হুল ফুটাই এবং ড়িম পাড়ে, ডিম থেকে কিড়া বের হতে থাকে। এক সমায় আক্রমনের হার বেড়ে যাই এবং গাছে কচি লাউ থাকেনা বল্লেই চলে।তাই এই মাছি পোকা দমন করতেই হবে যে কোন ভাবে। যদি লউযের ভালো ফলন পেতে চান।

নিয়ন্ত্রণঃ-

 জৈব বালাই নাশক ফেরোমন ফাঁদ তাবিজ ব্যবহার করতে পারি।এটা পাওয়া না গেলে রাসায়নিকভাবে দমন করা যেতে পারে রাসায়নিক দমন করার জন্য আমরা এবামেকটিন  গ্রুপের কীটনাশক অথবা সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি করে দিয়ে আমরা লাউ গাছের বিভিন্ন জায়গাতে স্প্রে করলে এই পোকা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।বিশেষ করে ফুু্লে ও ফলে।

পরিশেষে বলবো এই পোকা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে লাউয়ের বাম্পার ফলন নিশ্চিত হবে এজন্য আমার মাছি পোকা সম্পর্কে সচেতন থাকবো এবং তখনই আমরা ভালো ফল পাবো যখন মাছি পোকার এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।



 ধন্যবাদ সকলকে


নিচে লাউয়ের মাছিপোকা দমনে কার্যকর ব্যবস্থাপনার ভিডিও দেওয়া হলো। ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন




মাছিপোকা লাউয়ের প্রধান শত্রুপোকা। এই পোকা আক্রমনের ফলে লাউয়ের ফলন ৬০-৭০ ভাগ ফল নষ্ট হতে পারে। আর এই পোকা দমনে ভিডিওটি দেখলে সঠিকভাবে দমন করতে পারবে।


আমাদের সাথে যোগাযোগ।


facebook groups.


facebook Page.











Last post

ড্রাগন ফলের পরিচয়

  উৎপত্তি ও ভৌগলিক বিস্তৃতিসহ ড্রাগন ফলের পরিচয়     " ড্রাগন ফল " বা ড্রাগন ফ্রুট অসমৃদ্ধ এবং বিশেষ রূপের ফল , য...