Tuesday, September 14, 2021

কলার খোসার ব্যবহার


কলার খোসার ব্যবহার।



বাগানে  সার হিসেবে কলার খোসার ব্যবহা


 কলার খোসার উপকারিতা এবং আমাদের বাগানে  সার হিসেবে কলার খোসার ব্যবহারঃ

, যে সমস্ত পুষ্টিগুন গাছের এই বৃদ্ধি ও ফুল-ফল এবং সজীবতা বজায় রাখে তার মধ্যে অন্যতম নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম । 


পটাশিয়ামের অভাবে গাছের নতুন পাতার কিনারায় দেখা দেয় হলুদ দাগ যা একসময় পুরো পাতায় এমনকি সম্পূর্ণ গাছেও ছড়িয়ে পড়ত পারে। এছাড়া পাতা বাদামী বর্ণের হয়ে যায়। ফলবতী গাছের ফল ঝরে যায় এবং ফলের আকৃতি নষ্ট হয়। গাছ খাটো ও শক্ত হয়ে গাছের বৃদ্ধি থমকে যায়।

 

আমাদের প্রতিদিনকার ফেলে দেওয়া কলার খোসা থেকেই গাছের এই পটাশিয়ামের অভাব খুব সহজেই পুরন করা সম্ভব। কলা এমন একটা ফল, যা প্রত্যেকের বাড়িতে প্রায় সবসময়ই থাকে। এই ফলের পুষ্টিগুণ নিয়ে তো অনেক কথা এতদিন শুনেছেন। 


গাছের সার হিসেবে সরাসরিও মাটিতে মেশাতে পারেন কলার খোসা। এর জন্য কলার খোসাগুলিকে খুব ছোটো করে কেটে নিন। মাটির ৪ ইঞ্চি গভীরে পুঁতে দিন টুকরো করা খোসাগুলো। গাছ লাগানোর আগে এই কাজটি করুন। খোসাগুলো পচে গিয়ে মাটির সঙ্গে মিশে যাবে। কলার খোসায় থাকা ভিটামিন ও মিনারেলের কারণে মাটির উর্বরতা বাড়বে। উর্বর মাটি থেকে পুষ্টি পেয়ে আপনার বাগানের গাছগুলিও হয়ে উঠবে তরতাজা।

ধন্যবাদ-মোহাম্মদ আবু ছায়েম


Saturday, September 11, 2021

পোল্ট্রি'র পাশাপাশি কৃষি পণ্য উৎপাদনে মনোযোগী হোন

 পোল্ট্রি'র পাশাপাশি কৃষি পণ্য উৎপাদনে মনোযোগী হোন-

পোল্ট্রি'র পাশাপাশি কৃষি পণ্য উৎপাদনে মনোযোগী হোন।



ইদানীং অনেকেই বলছেন পোল্ট্রি ফার্ম করে লাভবাণ হতে পারছেন না, তাদের বলবো পোল্ট্রির পাশাপাশি কৃষি পণ্য উৎপাদনে মনোনিবেশ করুন, কেননা- ভৌগলিক দিক থেকে পৃথিবীর দক্ষিণে আমাদের অবস্থান বলা যেতে পারে সমুদ্র তীরবর্তীতে বসবাস, প্রেক্ষিত বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তনে ব্যপক বিস্তার প্রভাব ফেলছে, উৎস- নদী সমুদ্র কিংবা পাহাড়ি ঢল (উজান) মাধ্যমে, মূল বিষয় হলো বছরের অধিকাংশ সময় কৃষি জমিতে পানির প্রবাহ থাকছে যার দরুন তিন ফসলী জমি পরিনত হচ্ছে দুই ফসলী জমিতে এতে করে একদিকে যে-মন ফসল উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে তেমনি ঘটছে খাদ্য ঘার্তির কারণ, প্রেক্ষিতে প্রয়োজন হচ্ছে- খাদ্য শস্য আমদানি। 


প্রেক্ষাপটঃ

জনবহুল এদেশে দিনদিন বেকারত্বের হার বাড়ছে- তাই জনসংখ্যাকে বোঝা মনে না করে বরং নুতন নুতন কর্মপন্থা নির্ধারণ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে জন-শক্তিতে পরিনত করা সম্ভব! এরই ধারাবাহিকতায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরকারি বেসরকারি- অনাবাদি জমিকে কাজে লাগানো যেতে পারে, বিশেষ করে দেশের পূর্ব ও পূর্ব-উত্তর অঞ্চল অর্থাৎ সিলেট, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য এলাকা সমূহে রয়েছে ছোট বড় অসংখ্য পাহাড় ও টিলা- যাহা সরকারি নীয়ম মেনে লিজ নিয়ে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনায় আবাদের ব্যবস্হা গ্রহণ। 


লিজের পদ্ধতিঃ

স্হানীয় বন বিভাগ থেকে একক নামে বিশ বছর মেয়াদি (চুক্তিতে) এক একর জমি বরাদ্দের বিধান রয়েছে, প্রয়োজনে একই পরিবার একাধিক নামে বরাদ্দ নেওয়া যেতে পারে? সেক্ষেত্রে খরচ প্রতি জনের জন্য- সরকারি খাতে ফ্রী ও যাবতীয় খরচ মিলে ১০-১২ হাজার টাকা। এখানে উল্লেখ করা দরকার বন বিভাগের জমি ব্যবহারে ক্ষেএে কিছু নীয়ম অনুস্বরণ অপরিহার্য, যেমন পাহাড় কিংবা বন অঞ্চলের ক্ষতি সাধত না করে বরং সরকারি বরাদ্দে বিনামূল্যে- বীজ বা গাছের চারা রোপণ অর্থাৎ বৃক্ষের পরিধি বাড়ানো। 


সুবিধা সমূহঃ

পাহাড়ি এলাকার জমি অধিক উর্বর হওয়ায় সেখানে যেকোন ফসল উৎপাদন সম্ভব, যেমন- শাখ সব্জি, করলা, লেবু, কলা, আনাচ-কলা, আমলকী, লটকন, কামরাঙ্গা, আনারস ও কাঁচা মরিচ ইত্যাদি।


কর্মপন্থা নির্ধারণ- এলাকা ও পরিবেশগত বিষয় মাথায় রাখে অগ্রসর হওয়া উচিৎ- যেমন যেখানে যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি- সেখানে সেসকল পণ্য উৎপাদন, আবার কিছু এলাকায় রয়েছে বন্য প্রাণীর উপদ্রব যেমন- শিয়াল বানরের বিচলন, তাই প্রোজেক্ট শুরুর পূর্বে সমীক্ষা বা প্ল্যানিং করা একান্ত প্রয়োজন, তাতে করে  এলাকা ভিক্তিক আলাদা বা ভিন্ন প্রোজেক্ট করা যেতে পারে? যেসব এলাকায় জীব জন্তুর উপদ্রব রয়েছে- সেখানে মিষ্টি জাতীয় ফল চাষ না করে বরং সেখানে টক জাতীয় ফল যেমন লেবু করলা আনাজি কলা মান-কচু ইত্যাদি চাষ করা অধিকতর উত্তম। 


চাষ পদ্ধতিঃ

প্রথমেই উল্লেখ করা দরকার পাহাড়ি জমি উর্বরতা বেশী হওয়ায়- পানি সার ঔষধ কিংবা কীটনাশকের প্রয়োজন নেই বল্লেই চলে, এছাড়া পাহাড় মানে উপজাতিদের বসবাস উপজাতিদের জীবন-মান এখনো খানিকটা নিম্ন পর্যায়ে সাথে রয়েছে কাজের অভাব- প্রেক্ষিত কম খরচে লেবার পাওয়ার সুযোগ, একজন পুরুষ লেবার রোজ- ৪০০-৪৫০ টাকা ও মহিলা ৩০০-৩৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। 


লেবু-কলার মিশ্র চাষঃ

অর্থাৎ ১২ ফিট্ অন্তর একটি লেবুর চারা ও মাঝখানে একটি কলার ড্যেম লাগানো যেতে পারে এই পদ্ধতিতে খরচ হবে একর প্রতি এককালিন- ১,৫০,০০০= এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা। আপনি চাইলে ৫-৭ একর জমি লিজ নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন? 


লেবু-কলা চাষে পাঁচ একর জমির- আয় ব্যায়ের হিসাব প্রনয়ণ করা হলোঃ

আয়ের হিসাব- কলা থেকে এককালিন আনুমানিক বছরে- ২০,০০০×৫ (একর)= ১,০০,০০০= লেবু থেকে আনুমানিক- ৫,০০০×৫ (একর)= ২৫,০০০×১২ (মাস)= ৩,০০,০০০= এবং লেবুর চারা/কলম বিক্রি থেকে দ্বিতীয় বছর থেকে গড় ৬০০×২৫= ১৫,০০০×৫ (একর)= ৭৫,০০০= টাকা। সর্ব মোট আয়- ৪,৭৫,০০০/= চার লক্ষ পঁচাত্তর হাজার টাকা। ব্যায়ের হিসাব- লেবার ও যাবতীয় (খরচ) বাদ আনুমানিক- ৭৫,০০০= নেট মুনাফা- ৪,০০,০০০= চার লক্ষ টাকা।

উল্লেখ যে- পাহাড়ি এলাকা সমূহ অনেকটা নিরাপদ অতএব কেয়ারটেকার বা আলাদা লোকবলের প্রয়োজন নেই বটে! 

তথ্য সহায়তা- প্রফেসরঃ জনাব আইয়ুব আলী, মীরসরাই বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, মীরসরাই পৌরসভা, চট্টগ্রাম। 


লেখকঃ

মোঃ সিরাজুল ইসলাম

ব্যবস্হাপনা পরিচালকঃ 

ব্রাদার্স পোলট্রি ইন্টারন্যাশনাল, ঢাকা- দীর্ঘ দুই যুগ ধরে পোল্ট্রি শিল্পের সাথে জড়িত, পোল্ট্রি তথা এগ্রিকালচার সেক্টরকে কাছ থেকে দেখার সুবাদে উক্ত তথ্য চিত্র তুলে ধরা হইলো।


Friday, September 10, 2021

পিজিআর উপকারিতা

পিজিআর




পিজিআর উপকারিতা : -পিজিআর  উদ্ভিদের জৈব উজ্জীবক । জৈব উজ্জীবক এমন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা খুবই অল্প পরিমানে উদ্ভিদ দেহে সংশ্লেষিত হয় এবং এদের উৎপত্তিস্থল থেকে দুরবর্তী স্থানে পরিচালিত হয়ে গাছের শারীরবৃত্তিয় কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে ।


পিজিআর আমাদের ফসলের পুষ্টি গ্রহনের সহয়তা করে থাকে তাই আধুনিক চাষে পিজিআর ব্যবহারের গুরুত্ব অনেক।আমাদের ফসলের উপাদন ও ফলন বৃদ্ধির জন্য পিজিআর ব্যবহার করবো।নিচে আলোচনা করা হলো।


 প্রয়ােগক্ষেত্র : গ্রীষ্মকালীন টমেটো গাছের , ফুল ও ফলের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর এছাড়াও ধান , গম , আলু , আম , ইক্ষু , বেগুন , পিয়াজ , কুমড়া , শশা , পটল , করলা , চিচিংগা , ঝিংগা , তেঁড়স , বাঁধাকপি , ফুলকপি , মরিচ , পান , আনারস , কলা , তরমুজ , তুলা , চা এবং ফুল জাতীয় ফসল যেমন- গাঁদা , গােলাপ , রজনীগন্ধা , জারবেরা ইত্যাদি ফুলগাছে নাইট্রোজিম ব্যবহার করলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায় ।

 প্রয়ােগ সময় : ফুল ও ফল আসার ১৫ দিন পূর্ব হতে ফসল কর্তনের আগ পর্যন্ত ৩/৪ বার স্প্রে করতে হবে । 


প্রয়ােগমাত্রা : সাধারনতঃ ১.৫ থেকে ২ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে । দুপুরের রৌদ্রে নাইট্রোজিম ব্যবহার করবেন না । 

 ফুল ফল ঝরা বন্ধ করে ফুল  ফল বৃদ্ধি করে ফলন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে পিজিআর।


ধন্যবাদ সকলকে

আমিন

কৃষি পরামর্শ Group


Tuesday, September 7, 2021

ধানের মাজরা ও ব্লাষ্ট প্রতিরোধে

 

ধানের মাজরা ও ব্লাষ্ট


ধানের মাজরা ও ব্লাষ্ট প্রতিরোধে সাজেস্ট পোস্ট, আশা করি সবাই মনোযোগ দিবেন।

১) ক্লোরোপাইরিফস+ সাইপারমেথ্রিন ৫৫ ইসি গ্রুপের কীটনাশক যেমন, নাইট্রো বা সাইকেল বা সেতারা বা এই গ্রুপের যে কোন + ( থায়ামেথোক্সাম + এমামেকটিন বেনজোয়েট ৪০ ডব্লিউ জি)  গ্রুপের কীটনাশক যেমন আলটিমা প্লাস বা সবার পরিচিত ভিরতাকো বা বেল্ট এক্সপার্ট  পরিমান মত একত্রে মিশিয়ে স্প্রে করলে শতভাগ, ধানের মাজরা পোকা নির্মুল হবে ইনসা আল্লাহ।

২) ব্লাষ্ট বা খোলপচা প্রতিরোধে , এমিস্টার টপ বা নাটিভো বা এক্সোবিন প্রয়োগ করতে পারেন


ধন্যবাদ সবাইকে

Fb link রাহায়ন 



জৈব বালাই দমন ব্যবস্থা গুরুত্বের দাবিদার

 


দিনে দিনে জৈব বালায় দমন ব্যবস্থা উপর ঝুকছে কৃষি ব্যবস্থা।বিশেষ করে যারা ছাদ বাগন বা সবজি চাষ করে । সবজি চাষে জৈব বালাই দমন ব্যবস্থা গুরুত্বের দাবিদার ।এটা পরিবেশের কোন ক্ষতি করে না এবং বিষ মুক্ত সবজি উৎপাদনে ভুমিকা আনেক।সবজি চাষের জন্য মাছিপোকা একটি বিরাট বড়ো বাধা ।মাছি পোকা দমনের জন্য ফেরোমন ফাঁদ জৈব বালায় দমন হিসাবে গুরুত্বের দাবি দার ।

লাউ, মিষ্টি কুমড়া ,করলা ঝিঙ্গা,চিচিঙ্গা,পটল ইত্যাদি সবজি ফসলে ফেরোমন ফাঁদ মাছি  পোকা দমন করে থাকে। বাজারে অনেক কোম্পানিরর ফেরোমন ফাঁদ পাওয়া যায়।কোনটা সবজির জন্য আবার কোন টা ফলের জন্য ।আম বা মাল্টা ফলে মাছিপেকা আক্রমন করে থাকে  এবং আম চাষের জন্য মাছি পোকা একটি হুমকি ।আর এই আমের মাছি পোকা দমনের জন্য একটি সহজ সমাধান হলো ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করা । আম যখন গুটি গুটি হবে তখনি ফাঁদ স্থাপন করতে হবে সাধারণত ফাঁদে যে লিউয়র বা তাবিজ থাকে তার মেয়াদ ৪০-৬০ দিন হয়ে থাকে ।এই ৪০-৬০ দিনে আপনার ফল উঠে যাবে কিন্তু মাছি পোকা আক্রমন করবে না ।


সবজির  মাছি পোকার দমনের  জন্য একই রকম ভাবে আমরা ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করতে পারি যাতে করে মাছি পোকার আক্রমন আমরা ঠেকাতে পারি ।

লাউয়ের মাছি পোকা দমনে ফোরমন ফাদের গুরুত্ব অনেক ।এই মাছি পোকা তাদের হুল ফুটিয়ে  দেয় এবং ডিম পেড়ে দেয় যার ফলে কিড়া তৈরি হয় ,ফলটি পচে যাই বা নষ্ট হয়ে যায়িএর জন্য উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করে ।

জৈব বালায় দমনে দেশে আনেক গুলো কম্পানি কাজ করে যাচ্ছে । তাদের অনেক ভালো ভালো পণ্যে বাজারে আসছে।দিনে দিনে জনপ্রিয়ো হচ্ছে এই সব পণ্যে ।কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে দিনে দিনে ।বিষ মুক্ত সবজি উৎপাদনে ঝুকছে বেশির ভাগ কৃষক।



 .

ধন্যবাদ সকলকে

আমিন

কৃষি পরামর্শ Group





Wednesday, August 11, 2021

খাট জাতের শিম

 খাট জাতের শিম ।

 কিভাবে মাচা ছাড়া চাষ করবেন??


সাধারণত খাট জাতের শিম গাছের জন্য মাচা লাগে না, কিন্তু কখনো গাছ শুধু বাড়তেই থাকে, ফলন আসে না, অন্যান্য শিমের মতই হয়ে যায়। গাছ খাট অবস্থায় ফলন পেতে সহজ একটা পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়, যাকে প্রুনিং বলে। 

সহজ ভাষায় গাছের আগা কেটে /ভেঙে ফেলা। এক্ষেতে বীজ লাগানোর পর থেকে ১৫ দিন পর চারা গাছের অগ্রভাগ কেটে/ভেঙে ফেলতে হবে। 

কিছু ডাল পালা ছাড়বে। আবার চারার বয়স যখন ২৫ দিন তখন আবার ও অগ্রভাগ কেটে ফেলতে হবে। কিছুদিনের মধ্যেই গাছে নতুন শাখা প্রশাখা বের হবে ও ঝোপালো হবে।


গাছের বয়স ৩৫ দিন হলে আরেকবার অগ্রভাগ কেটে দিতে হবে। তবে তৃতীয় বার কেটে দেয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ না, ২ বার আগা কাটলেই যথেষ্ট। 

এ পদ্ধতি অনুসরণ করলে গাছ ছোটই থাকবে ও ঝোপালো হবে। সঠিক ফলনের জন্য একটা খুটি গেড়ে দিতে হবে। এভাবে ৫০-৫৫ দিনের মধ্যেই ফল ধরা শুরু হবে। ৬০-৬৫ দিনে বাজারজাত করা যাবে। 


-রাসেল

BN Seeds 

বাংলানগর বীজ ভান্ডার

Monday, July 26, 2021

গরুর টিকা দেওয়ার সমায় সূচি

 গরুকে টিকা দেওয়ার সময়সূচি আমরা অনেকেই জানি না। গরুকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরণের টিকা দেওয়ার প্রয়োজন হয়। গরু পালনে লাভবান হওয়ার জন্য সঠিক সময়ে গরুর রোগ প্রতিরোধ করা অতীব জরুরী। সময়মতো গরুকে টিকা দিতে না পারলে গরু পালনে লোকসান হতে পারে। চলুন জেনে নেই গরুর টিকা দেওয়ার সময়সূচি সম্পর্কে-

গরুর টিকা দেওয়া



গরুর টিকা দেওয়ার সময়সূচিঃ

রোগের নামঃ ক্ষুরা রোগ


টিকার নামঃ লিভ্যালেন্ট এফ.এম.ডি.টিকা

xx

প্রয়োগের পরিমাণঃ ৬ এম.এল প্রতি প্রাপ্ত বয়স্ক প্রাণী; ৩ মি.লি./প্রতি অপ্রাপ্ত বয়স্ক; প্রথমবার টিকা দেয়ার ২-৪ সপ্তাহ পরে বোস্টার টিকা প্রদান


প্রয়োগের স্থানঃ চামড়ার নীচে


প্রয়োগের সময়ঃ বোস্টার টিকা দেয়ার পর ৪ মাস পর্যন্ত


রোগের নামঃ গলাফুলা

xxxxxx

টিকার নামঃ এইচ.এস টিকা


প্রয়োগের পরিমাণঃ ৫ মি.লি./প্রাপ্ত বয়স্ক; ২.৫ মি.লি/অপ্রাপ্ত বয়স্ক


প্রয়োগের স্থানঃ চামড়ার নীচে


প্রয়োগের সময়ঃ ৪ মাস


রোগের নামঃ বাদলা


টিকার নামঃ বি. কিউ টিকা


প্রয়োগের পরিমাণঃ ৫মি.লি./প্রাপ্ত বয়স্ক;২.৫ মি.লি./অপ্রাপ্ত বয়স্ক


প্রয়োগের স্থানঃ চামড়ার নীচে


প্রয়োগের সময়ঃ ৪ মাস

রোগের নামঃ তড়কা


টিকার নামঃ তড়কা স্পোর টিকা


প্রয়োগের পরিমানঃ ১ মি.লি./প্রাপ্ত বয়স্ক; ০.৫ মি.লি./অপ্রাপ্ত বয়স্ক


প্রয়োগের স্থানঃ চামড়ার নীচে


প্রয়োগের সময়ঃ ১ বৎসর

ব্লাক বেঙ্গল ছাগল

 আজকে লেখব বাংলার সোনা

দেশের সম্পদ: ব্লাক বেঙ্গল।



আমাদের দেশে কি সম্পদ আছে তা আমরা নিজেরাই জানি না। ব্লাক বেঙ্গল ছাগল হল বিশ্বের ১ নাম্বার ছাগল। এটা আমি বলছি না, জাতিসংঘের অাণবিক শক্তি বিষয়ক সংস্থা(আইএইএ) এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা(এফএও) এই ২ সংস্থা বিশ্বের ১০০ টি জাতের উপর রিসার্চ করে ২০০৭ সালে তারা বলে বিশ্বের সেরা ছাগলের জাত ব্লাক বেঙ্গল।এছাড়াও বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বড় বড় দেশের প্রাণিবিদ্যাবিষয়ক জার্নাল গুলোতে ১০০ এর বেশি প্রতিবেদনে এটাই বলা আছে এটা সব থেকে বেস্ট ছাগল।


এফএও এর প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে  ব্লাক বেঙ্গল ছাগলের থেকে যমুনাপাড়ি, মাসাই বা উন্নত ছাগলের দুধ ও মাংস উৎপাদন ৪০-৬০% বেশি। কিন্তু এদের বাচ্চা দেবার হার কম ও মৃত্যু হার ২০-৩৫ % বেশি জন্মের পরেই মারা জাই।সেখানে ব্লাক বেঙ্গল ৫-১০% মারা যায়।ব্লাক বেঙ্গল এর বংশ বৃদ্ধির হার অনেক বেশি,বাজার জাত করা যায় তাড়াতারি,অসুখ খুব কম, পরিবেশ মানান সই,যে কোন পরিবেশে,যেকোন খাদ্যা এরা বেরে উটে।শুধু একটা সমস্য এদের দুধ কম হয়। কিন্তু পর্যাপ্ত যন্ত নিলে এটার সমস্য থাকেনা।প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ ছাগল ২৫-৩০ কেজি আর পাটি২০-২৫ কেজি হয়।

  যেখানে গোটা পৃথিবী ১ নাম্বারে রেখেছে আমাদের ব্লাক বেঙ্গল সেখানে আমরা আমাদের সম্পদ বাদ দিয়ে অন্য জাত নিয়ে মেতে আছি। আমরা কী পাগল নাকি আমার মাথায় আসে না।বিশ্বের ১ নাম্বার জাত ব্লাক বেঙ্গল। আর আমরা কোন জাত নিয়ে পড়ে আছি ভাবেন। এমনি আমরা লস কাচ্ছি না কারনটা দেখেন। আমি বলব না উন্নত জাত খারার। আপনে আপনার কমন সেন্স কে কাজে লাগান সবাই যেটা পরিক্ষা নিরীক্ষা করে বের করছে ১ নম্বর কে সেখানে আমরা ১ নাম্বার নেয়ার বা পালার বদরে কোনটা পালতেছি ভাবছেন।

আপনাদের কাছে অনুরোধ দেশের সম্পদ কে নষ্ট করবেন না উন্নত জাতের সাথে ক্রস করিয়ে।

যেটাই করেন সব জেনে বুজে কইরেন।

এই জাতকে রক্ষা বা সংরক্ষক কেতে হবে।

ধন্যবাদ

Fb link





Friday, July 16, 2021

জীবন ব্যবহারের উপকারীতা

 জীবন ব্যবহারের উপকারীতাঃ

“জীবন” গাছের জৈব উজ্জীবক হিসেবে কাজ করে


গাছের মেটাবলিজমে অংশগ্রহন করে গাছের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

কোষ বিভাজনের মাত্রা বাড়িয়ে গাছের দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।

মাটির কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে মাটির গুনাগুণ বৃদ্ধি করে।

“জীবন” বীজের অঙ্কুরোদগমের হার বৃদ্ধি করে এবং ফসলের ফলের রং উন্নত করে।

মাটির ক্যাটায়ন এক্সচেঞ্জ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ফলে মাটি থেকে গাছ সহজেই পুষ্টি উত্তোলন করতে পারে।

মাটির জৈব পদার্থের মান বৃদ্ধি করে।

বেলে মাটির পানি ও পুষ্টির অপচয় রোধ করে এবং ভূমিক্ষয় রোধ করে।


জীবন ব্যবহারের ক্ষেত্রঃ

বীজ, শিকড় ও চারা শোধন করা যায়

 পাতায় স্প্রে করা যায়

 মাটিতে প্রয়োগ করা যায়

সেচের সাথে ব্যবহার করা যায়

কীটনাশক ও আগাছানাশকের সাথে ব্যবহার করা যায়

অজৈব সারের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়।

প্যাক সাইজঃ ৫০০ গ্রাম 


“জীবন” এর উপাদানের মধ্যে আছে হিউমিক এসিড ও সী উইড এক্সট্রাকট বা সামুদ্রিক শৈবাল এর সংমিশ্রন। এই সংমিশ্রনের একটি দিক হল এদের “সিনারজিস্টিক ইফেক্ট” আছে। যার মানে হল হিউমিক এসিড এবং সী উইড এক্সট্রাকট বা সামুদ্রিক শৈবাল এর সংমিশ্রন গাছের বৃদ্ধিতে যত কার্যকরভাবে কাজ করবে তা এককভাবে এদের ব্যবহারের থেকে অনেকগুন বেশি। যদি একজন কৃষক এমন সার অথবা কোন উদ্ভিদ এর পুষ্টি বৃদ্ধিকারক ব্যবহার করে যার মাঝে কেবল হিউমিক এসিড অথবা কেবল  সামুদ্রিক শৈবাল বিদ্যমান তাহলে উদ্ভিদের যে বৃদ্ধি অথবা পুষ্টি চাহিদা মিটবে তার থেকে অনেকবেশি বৃদ্ধি অথবা পুষ্টি চাহিদা মেটাবে এই "জীবন" ব্যবহারে। "জীবন ব্যবহারের ফলে উদ্ভিদের মূলের পার্শ্বীয় বিকাশ ও মূলের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাবে যার ফলে গাছ খুব সহজেই মাটি থেকে পানিসহ দরকারী যেকোন পুষ্টি উপাদান গ্রন করতে পারবে। যার ফলে গাছের দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত হওয়া যায়।


যেসব গাছে “জীবন” ব্যবহার করা হবে সেসব গাছে ৫০ শতাংশ বেশি SOD উৎপাদন হবে। SOD ( superoxide dismutase) হল  উদ্ভিদের বৃদ্ধিকারক এনজাইম এবং সুরক্ষা প্রদানকারী উপাদান। ৫০ শতাংশ বেশি SOD উৎপাদন হওয়াতে উদ্ভিদের কোষ সবুজ ও সতেজ থাকে। ফলে গাছের ক্লোরোফিলের পরিমান বেশি থাকে এবং ফসল উৎপাদন বেশি হয়।


প্রয়োগমাত্রাঃ প্রতি বিঘাতে  ৫০০ গ্রাম।

Shahad fb link

ধন্যবাদ 


Monday, July 12, 2021

আঙ্গুর গাছের চারার জন্য মাটি তৈরি

 ছাদের টবের জন্য আঙ্গুর গাছের জন্য মাটি তৈরী করার রেসিপি। 



আঙ্গুর গাছের চারার জন্য মাটি তৈরি।



অনেকেই জিজ্ঞেস করেন আঙ্গুর গাছের জন্য কিভাবে মাটি তৈরী করতে হয়। 

যারা জানতে চেয়েছেন তাদের জন্য এই রেসিপি।

পঁচা গোবর ও বালু মিস্রিত মাটি সম পরিমাণে দিবেন।

ইটের গুড়ো ১০% দিবেন।


মিশ্র রসায়নিক সার ৫০০ গ্রাম সাথে ১ মুষ্টি সরিষার খৈল ও ১ মুষ্টি হাড়ের গুড়ো দিবেন।

পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে চারা রক্ষা করতে ফুরাডান পাওডার অথবা নীম খৈল ১ মুষ্টি দিবেন। 

১ মাস পরে চারা লাগাবেন।

এই বর্ষা মৌসুমে গুড়া পঁচা,কান্ড পঁচা রোগ এর আক্রমন রুখতে গাছ লাগানোর পরপরই ছত্রাকনাশক হিসেবে


এক লিটার পানির সাথে ম্যানসার হাফ চা চামচ মিশিয়ে গাছের গোড়ায় দিতে হবে।...........

ধন্যবাদ সবাইকে

Wednesday, July 7, 2021

জাব পোকার আক্রমন

 জাব পোকাঃ





বিভিন্ন গাছে আমরা জাব পোকা দেখে থাকি।এটি দেখতে বাদামী বা সাদা হয়ে থাকে, খুবই ছোট আকৃতির, এ পোকা বিশাল ক্ষতি করে থাকে, সময় মত বা সব সময় খেয়াল না করলে আপনার পুরো ক্ষেতটাকে নষ্ট করে দিতে পারে, এই পোকা গাছের পাতার নিচে সাদারনত থাকে এবং দলবদ্ধ ভাবে থাকতে দেখা যায়, এটা গাছের রস চুষে খেয়ে নেয় কচি পাতা এবং কান্ড খেয়ে ফেলে, যাতে করে গাছ হলুদ আকৃতির হয়ে যায় পাতা হলুদ হয়ে যায়, ধীরে ধীরে সব গাছেই আক্রমন করে, এবং পুরো ক্ষেত নস্ট করতে সক্ষম,

এর থেকে আমাদের কস্টের ফসলকে বাচাতে হলে আমার ক্ষুদ্র পরিসরে নিজ অভিঞ্জতা থেকে কিছু লেখার চেষ্টা করছি, আমার ভুল হতে পারে, মানুষ মাএই ভুল, ভুল হলে ধরিয়ে দেবেন আমিও শিখতে পারবো জানতে পারবো, আমার মত আরো ১০ জন জানতে পারবে শিখতে পারবে, নিজের কৃষিকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পারবে।

আমার বাড়িতে প্রচুর বেগুনের চাষ করা হয়,  নানান সমস্যার সহ্মুখিত হতে হয়, এমোন হয়েছে মোনের সব গাছ কেটে ফেলবো আর কোন দিন বেগুনের চাষ করবো না,  সেখান থেকে নিজেকে বুঝিয়ে একটু একটু করে, পরিক্ষ্যা শুরু করি,

সর্বপ্রথম আমি নিম পাতা বেটে সেই পা সেকে স্পে করি এছাড়া নিমের ফল পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি স্পে করে দিতে পারবেন,এছাড়া শ্যাপু না ডিটারজে পানিতে গুলে স্পে করে দিতে পারেন(( তবে পরিমান মত)) 

কিটনাশক হিসেবে আমি যেটা ব্যাবহার করে থাকি 


*****এডমায়ার

***** টিডো

***** ক্যারাটে

****** তুন্দ্রা 

এসব ব্যাবহার করে থাকি।

এসব কিটনাশকের ব্যাবহার বিধি প্যাকেটের গায়ে সুন্দর করে লেখা থাকবে।

তবে পরিমানে যেনো বেশি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে, 

আক্রান্ত গাছ বা পাতা যত দ্রুত সম্ভাব কেটে দূরে বা মটিতে পুতে বা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

আগাছা দমন করে রাখতে হবে।

 

 আবারও বলে রাখি এই লেখাটা সম্পুর্ন নিজের অভিঞ্জতা থেকে লেখা,  বাস্তবে আমি যেটা করে থাকি।

এখানে ভুল ত্রুটি অনেক আছে।  অতএব আপনাদের সুন্দর মন্তব্যে নিজেও কিছু শিখতে পারবো ১০ জনে শিখতে পারবে।

এই মহামরি করোনা কালে নিজের সুরক্ষ্যা রাখি 

ধন্যবাদ, 

সকলের জন্য শুভ কামনা রইলো


Last post

ড্রাগন ফলের পরিচয়

  উৎপত্তি ও ভৌগলিক বিস্তৃতিসহ ড্রাগন ফলের পরিচয়     " ড্রাগন ফল " বা ড্রাগন ফ্রুট অসমৃদ্ধ এবং বিশেষ রূপের ফল , য...