Thursday, September 23, 2021

বােরনের অভাবজনিত লক্ষণ

 বােরন উপাদান : কমপক্ষে ২০ % বােরন বিদ্যমান । 



বােরনের অভাবজনিত লক্ষণ : পাতা খর্বকায় ও কোঁকড়ানাে হয় এবং নেতিয়ে পড়ে । কান্ড ও পাতার বোঁটা এবং ফল ফেটে যায় । শিকড়ের বৃদ্ধি ব্যহত হয় । কান্ডের অগ্রকোষ বা কচি কান্ডের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় । পরাগায়ন , ফুল ও ফলের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় । বােরনের অভাবে সালােকসংশ্লেষন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় । আলু ও বিভিন্ন ফলের উপর বিবর্ণ দাগ পড়ে । 


উদ্ভিদে বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয় । বীজের সংখ্যা খুব কমে যায় । প্রয়ােগ পদ্ধতি : মাটিতে এবং পাতায় স্প্রে দুইভাবেই প্রয়ােগ করা যায় । সার / বালু / ছাই / মাটির সাথে ভালােভাবে মিশিয়ে জমি তৈরির শেষ চাষে প্রয়ােগ করতে হবে । ফসলে বােরনের অভাব দেখা দিলে মাত্রানুযায়ী পানিতে মিশিয়ে শেষ বিকালে স্প্রে করতে হবেোর ।


 প্রয়ােগ ক্ষেত্র : ধান , গম , আলু , আম , ইক্ষু , বেগুন , পিঁয়াজ , কুমড়া , শশা , পটল , করলা , চিচিংগা , ঝিংগা , তেঁড়স , বাঁধাকপি , ফুলকপি , মরিচ , পান , আনারস , কলা , তরমুজ , তুলা , চা এবং ফুল জাতীয় ফসল যেমন- গাঁদা , গােলাপ , রজনীগন্ধা , জারবেরা ইত্যাদি ফুলগাছে সলুমােন ব্যবহার করলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায় । 

প্রয়ােগ মাত্রা : প্রতি লিটার পানিতে ১-১.৫ গ্রাম সলুমােন মিশিয়ে গাছে স্প্রে করুন । ১৫ দিন অন্তর অন্তর দুই বার প্রয়ােজনে ৩ য় বার স্প্রে করুন । এই সার পাতায় এবং মাটিতে দুই ভাবে ব্যবহার যায়।


ধন্যবাদ সকলকে

আমিন

কৃষি পরামর্শ Group


 




Tuesday, September 21, 2021

নিম পাতার রস

 

নিম পাতার রস ।


                                                               নিম পাতার রস ।





নিম পাতার রস বা গাছ একটি উৎকৃষ্ট জৈব বালাই নাষক,প্রমানিত জীবানু নাষক যা হাজার বছর ধরে কার্যকর ভাবে ব্যাবহারিত হয়ে আসছে,তাই মাত্রানুযায়ী বহু দিন ধরে আমি আমার উৎপাদিত ফসলের কীটনাশক, বালাই নাষক হিসেবে ব্যাবহার করছি..

পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে,মাটির দূষন জনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাসায়নিক কীটনাশক ব্যাবহার কমাতে আপনিও আপনার ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে প্রাকৃতিক বালাই নাষক ব্যাবহার করতে পারেন..

খরচ কমান,পরিবেশ বাঁচান, নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন. .

আমি নিম বীজ থেতলে ২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে আপাং,ধুতরা,পানি মরিচ ইত্যাদি যোগে ব্যাবহার করি,

অবস্থা অনুযায়ী শুধু নিমও ব্যাবহার করি..

Sunday, September 19, 2021

পি,জি আর সম্পর্কে কিছু পরামর্শ

 পি,জি আর সম্পর্কে কিছু পরামর্শ,,,



পি,জি আর সম্পর্কে কিছু পরামর্শ।

,


       পি,জি আর  এ উদ্ভীদের হরমোন জাতীয় বিভিন্ন  ম্যাক্রো ও মাইক্রো এবং একই সাথে জিব্লাইলিক এসিড বা হিউমাস আবার কোনটায় সামুদ্রিক শৈবাল এর গ্রুপ বোঝায়।। এটা এমনি হরমোনবর্ধক যে মাটিতে ক্রিয়াশীল থাকা সমস্ত জৈব ও রাসায়নিক সারকে একই সাথে কর্মক্ষম করে তোলে, ফলে দ্রুত উদ্ভিদে শেকরের বিস্তারের সাথে সাথে মাটির প্রচুর রস শোষন করে এবং উদ্ভিদকে ফসলের দানার আকারে ব্যপক প্রভাব বিস্তার করে।

ফলে ধানের ক্ষেত্রে যদি শুরুতে বা মাঝামাঝি পর্যায়ে এ হরমোন প্রয়োগ করা হয় তাহলে উপরের প্রক্রিয়া নিশ্চিত ঘটে যাবে। ধান যেহুতু দীর্ঘমেয়াদি ফসল চার কিংবা পাঁচ মাসের আমরা পি,জি আর এর পরিবর্তে প্রথম ৩০ দিন পর শতক প্রতি ৮০০ গ্রাম ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম টিএসপি ৫০০ এম ও পি সার প্রয়োগ করতে হয়। ৪৫ দিন পর শতক প্রতি ৪০০ গ্রাম টিএসপি ও এম ও পি এবং ধান বের হবার অন্তিম পর্যায়ে শতক প্রতি ৩০০ গ্রাম টিএসপি ও ১৫০-২০০ গ্রাম ইউরিয়া প্রয়োগ করতে হয়।।।।

ধন্যবাদ সকলকে

আমিন

কৃষি পরামর্শ Group


পুঁই শাক ও সবুজ সার

 পুঁই (Basella alba):

পুঁই শাক ও সবুজ সার।

                                                         পুঁই শাক ও সবুজ সার।

এক প্রকার লতা জাতীয় উদ্ভিদ। পুঁই গাছের পাতা ও ডাঁটি শাক হিসেবে খাওয়া হয় বলে সচরাচর একে পুঁই শাক হিসাবে উল্লেখ করা হয় পুঁই Basellaceae গোত্রভুক্ত বহুবর্ষজীবী উষ্ণমণ্ডলীয় গাছ। বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং ত্রিপুরায় সর্বত্র এর চাষ হয়ে থাকে। এর ভাজি এ সব এলাকার মানুষের প্রিয় সহযোগী খাদ্য।


অন্যান্য অনেক শাকের মত এর মধ্যে অনেক ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, লোহা, ও ক্যালসিয়াম আছে। এছাড়া এ শাকে ক্যালরির ঘনত্ব কম। তদুপরি ক্যালরি-প্রতি আমিষের পরিমাণও বেশি। 


পুঁই শাক পুষ্টিকারক ও তৃপ্তিকারক। পাতাসহ সমগ্র গাছ ভেষজ গুণাবলী সম্পন্ন। পাতা মূত্রকারক, গনোরিয়া রোগে এটি উপকারী। অর্শ রোগ, অতিরিক্ত স্রাব, অতিসার প্রভৃতিতে অন্যান্য উপদানের সঙ্গে পুঁই শাকের ব্যবহার আছে। পুঁই শাকের পাতার রস ছোটদের সর্দি, কোষ্ঠবদ্ধতা প্রভৃতিতে উপকার দেয়।


আমার বাসায় ব্যাবহ্যত সবজির খোসা দীর্ঘদিন একটি পাত্রে জমিয়ে রাখি। সবজির খোসাগুলো পচে গেলে কম্পোস্ট  হিসেবে বাগানের মাটিতে ২-৩ ইঞ্চি গভির করে কম্পোস্টগুলো দিয়ে উপরে আবার মাটি দিয়ে ৭-১৫ দিন প্লাস্টিকের কাগজ দিয়ে ঢেকে রাখি।  তারপর কম্পোস্টগুলি মাটির সাথে মিশে মাটি ঝুরঝুরে হলে গাছ লাগাই।  এতে মাটিগুলো যথেষ্ট উর্বর থাকে, গাছও সুন্দরভাবে বেড়ে উঠে । 






নীজের জন্য শুভ কামনা রইলো

Tuesday, September 14, 2021

পোল্ট্রি শিল্পে

 পোল্ট্রি শিল্পে নীয়ম নীতি উপেক্ষিত অস্থিরতা বাড়ছে~ 

পোল্ট্রি শিল্পে নীয়ম নীতি উপেক্ষিত অস্থিরতা বাড়ছে


-দফায় দফায় ফিডের মূল্য বৃদ্ধি, ডিলারদের কারসাজি, আড়ৎদারদের অপকৌশল/সিন্ডিকেট ও মিডিয়ায় নানা মুখী বিরূপ প্রচারণা- পোল্ট্রি শিল্পে অস্থিরতা ক্রর্মেই বাড়ছে, ক্ষতির মুখে ছোট বড় বহু খামারি বাড়ছে বেকারত্ব, প্রতিদিন লোকসান হচ্ছে কুটি কুটি টাকা।


ফিড উৎপাদক কোম্পানিগুলো- কাঁচা মালের দর বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে চলতি বছরে অর্থাৎ ২০২১ সালে- অন্তত ৩বার ফিডের দর বৃদ্ধি করলো, পক্ষান্তরে ডিম ও রেড়ী মুরগীর দর রয়েছে সেই পূর্বাস্হায়, এর সাথে ডিলারগন বাকীর অজুহাত দেখিয়ে- ফিড বাচ্চা ও ঔষধ বিক্রিতে নির্ধারিত মূল্য থেকে (প্রান্তিক খামারিদের কাছ থেকে) বাড়তি মূল্য নিচ্ছেন- সাথে কেউ কেউ রেডি মুরগী ও ডিম বিক্রিতে নিজেদের ভাগ বসাচ্ছেন এরই সাথে পাইকারি আড়ৎদারগন সুযোগ বুঝে সময়ে অসময়ে বাজার (বিপর্যয়ের ঘটিয়ে) অস্থির করে তুলছেন এ-সব কিছুর সাথে যোগ হয়েছে বিরূপ প্রচারণা- অনলাইনের যুগে ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সোশ্যাল মিডিয়া- পোল্ট্রি  সম্পর্কে সুরবিস্তার না জেনে, পোল্ট্রি'র ভালো দিকগুলো বাদ দিয়ে- নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে- প্রায়শই বাড়াবাড়ি মূলক রিপোর্ট করে আসছে যাহার দরুন- প্রতিনিয়ত শিল্পে মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। 

অনুতাপের বিষয়ঃ এ ব্যপারে সংশ্লিষ্ট ও নীতি নির্ধারনী কিংবা সরকারের কোন মাথা ব্যাথা নেই বল্লেই চলে, বিগত দিনগুলোতে দেখেছি এই সেক্টরে বিপর্যয় নেমে আসলে-  উৎপাদক কোম্পানি, ফিড বাচ্চার ডিলার, প্রান্তিক খামারিগন নিজ উদ্যোগ কিংবা সম্মিলিত ভাবে ব্যপক বিস্তৃত প্রচারণা ও ইতিবাচক কিছু কৌশল অবলম্ব হতো যার মধ্যে থাকতো সভা সেমিনার মানব-বন্ধন মিছিল ও বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদী কর্মসূচি। 


উল্লেখ্য যে- পোল্ট্রি এদেশে একটি সম্ভাবনাময় শিল্প এখানে ক্রর্ম-সংস্থান হয়েছে প্রায় কুটি মানুষের, বিনিয়োগ হয়েছে হাজার হাজার কুটি টাকা! জনবহুল এদেশে সস্তায় মিটছে পুষ্টির চাহিদা, প্রেক্ষিতঃ উক্ত সেক্টরকে বাঁচানো একান্ত অপরিহার্য আর তা না হলে অজান্তেই অপূরনীয় ক্ষতি সাধিত হবে নিঃসন্দেহে যাহা কারোই কাম্য নয় বটে! 

অতএবঃ সরকার তথা পোল্ট্রি- সংশ্লিষ্টদের নিকট বিনিত অনুরোধ নিরবে থাকা আর নয়! যার যার জায়গা থেকে দ্বায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়ে সঠিক নিয়মে ব্যবসা পরিচালনা করি এবং শিল্পটিকে টিকিয়ে রাখি তবেই কেবল এই সেক্টর প্রাণ ফিরে পাবে হবে বহু ক্রর্মসংস্হান পাশাপাশি কমবে বেকারত্বের হার অর্থনীতিতে দেশ হবে সমৃদ্ধশালী।


Md Sirajul lslam

Managing Director: 

Brothers Poultry International 

E-mail: brotherspoultry5@gmail.com

কলার খোসার ব্যবহার


কলার খোসার ব্যবহার।



বাগানে  সার হিসেবে কলার খোসার ব্যবহা


 কলার খোসার উপকারিতা এবং আমাদের বাগানে  সার হিসেবে কলার খোসার ব্যবহারঃ

, যে সমস্ত পুষ্টিগুন গাছের এই বৃদ্ধি ও ফুল-ফল এবং সজীবতা বজায় রাখে তার মধ্যে অন্যতম নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম । 


পটাশিয়ামের অভাবে গাছের নতুন পাতার কিনারায় দেখা দেয় হলুদ দাগ যা একসময় পুরো পাতায় এমনকি সম্পূর্ণ গাছেও ছড়িয়ে পড়ত পারে। এছাড়া পাতা বাদামী বর্ণের হয়ে যায়। ফলবতী গাছের ফল ঝরে যায় এবং ফলের আকৃতি নষ্ট হয়। গাছ খাটো ও শক্ত হয়ে গাছের বৃদ্ধি থমকে যায়।

 

আমাদের প্রতিদিনকার ফেলে দেওয়া কলার খোসা থেকেই গাছের এই পটাশিয়ামের অভাব খুব সহজেই পুরন করা সম্ভব। কলা এমন একটা ফল, যা প্রত্যেকের বাড়িতে প্রায় সবসময়ই থাকে। এই ফলের পুষ্টিগুণ নিয়ে তো অনেক কথা এতদিন শুনেছেন। 


গাছের সার হিসেবে সরাসরিও মাটিতে মেশাতে পারেন কলার খোসা। এর জন্য কলার খোসাগুলিকে খুব ছোটো করে কেটে নিন। মাটির ৪ ইঞ্চি গভীরে পুঁতে দিন টুকরো করা খোসাগুলো। গাছ লাগানোর আগে এই কাজটি করুন। খোসাগুলো পচে গিয়ে মাটির সঙ্গে মিশে যাবে। কলার খোসায় থাকা ভিটামিন ও মিনারেলের কারণে মাটির উর্বরতা বাড়বে। উর্বর মাটি থেকে পুষ্টি পেয়ে আপনার বাগানের গাছগুলিও হয়ে উঠবে তরতাজা।

ধন্যবাদ-মোহাম্মদ আবু ছায়েম


Saturday, September 11, 2021

পোল্ট্রি'র পাশাপাশি কৃষি পণ্য উৎপাদনে মনোযোগী হোন

 পোল্ট্রি'র পাশাপাশি কৃষি পণ্য উৎপাদনে মনোযোগী হোন-

পোল্ট্রি'র পাশাপাশি কৃষি পণ্য উৎপাদনে মনোযোগী হোন।



ইদানীং অনেকেই বলছেন পোল্ট্রি ফার্ম করে লাভবাণ হতে পারছেন না, তাদের বলবো পোল্ট্রির পাশাপাশি কৃষি পণ্য উৎপাদনে মনোনিবেশ করুন, কেননা- ভৌগলিক দিক থেকে পৃথিবীর দক্ষিণে আমাদের অবস্থান বলা যেতে পারে সমুদ্র তীরবর্তীতে বসবাস, প্রেক্ষিত বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তনে ব্যপক বিস্তার প্রভাব ফেলছে, উৎস- নদী সমুদ্র কিংবা পাহাড়ি ঢল (উজান) মাধ্যমে, মূল বিষয় হলো বছরের অধিকাংশ সময় কৃষি জমিতে পানির প্রবাহ থাকছে যার দরুন তিন ফসলী জমি পরিনত হচ্ছে দুই ফসলী জমিতে এতে করে একদিকে যে-মন ফসল উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে তেমনি ঘটছে খাদ্য ঘার্তির কারণ, প্রেক্ষিতে প্রয়োজন হচ্ছে- খাদ্য শস্য আমদানি। 


প্রেক্ষাপটঃ

জনবহুল এদেশে দিনদিন বেকারত্বের হার বাড়ছে- তাই জনসংখ্যাকে বোঝা মনে না করে বরং নুতন নুতন কর্মপন্থা নির্ধারণ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে জন-শক্তিতে পরিনত করা সম্ভব! এরই ধারাবাহিকতায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরকারি বেসরকারি- অনাবাদি জমিকে কাজে লাগানো যেতে পারে, বিশেষ করে দেশের পূর্ব ও পূর্ব-উত্তর অঞ্চল অর্থাৎ সিলেট, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য এলাকা সমূহে রয়েছে ছোট বড় অসংখ্য পাহাড় ও টিলা- যাহা সরকারি নীয়ম মেনে লিজ নিয়ে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনায় আবাদের ব্যবস্হা গ্রহণ। 


লিজের পদ্ধতিঃ

স্হানীয় বন বিভাগ থেকে একক নামে বিশ বছর মেয়াদি (চুক্তিতে) এক একর জমি বরাদ্দের বিধান রয়েছে, প্রয়োজনে একই পরিবার একাধিক নামে বরাদ্দ নেওয়া যেতে পারে? সেক্ষেত্রে খরচ প্রতি জনের জন্য- সরকারি খাতে ফ্রী ও যাবতীয় খরচ মিলে ১০-১২ হাজার টাকা। এখানে উল্লেখ করা দরকার বন বিভাগের জমি ব্যবহারে ক্ষেএে কিছু নীয়ম অনুস্বরণ অপরিহার্য, যেমন পাহাড় কিংবা বন অঞ্চলের ক্ষতি সাধত না করে বরং সরকারি বরাদ্দে বিনামূল্যে- বীজ বা গাছের চারা রোপণ অর্থাৎ বৃক্ষের পরিধি বাড়ানো। 


সুবিধা সমূহঃ

পাহাড়ি এলাকার জমি অধিক উর্বর হওয়ায় সেখানে যেকোন ফসল উৎপাদন সম্ভব, যেমন- শাখ সব্জি, করলা, লেবু, কলা, আনাচ-কলা, আমলকী, লটকন, কামরাঙ্গা, আনারস ও কাঁচা মরিচ ইত্যাদি।


কর্মপন্থা নির্ধারণ- এলাকা ও পরিবেশগত বিষয় মাথায় রাখে অগ্রসর হওয়া উচিৎ- যেমন যেখানে যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি- সেখানে সেসকল পণ্য উৎপাদন, আবার কিছু এলাকায় রয়েছে বন্য প্রাণীর উপদ্রব যেমন- শিয়াল বানরের বিচলন, তাই প্রোজেক্ট শুরুর পূর্বে সমীক্ষা বা প্ল্যানিং করা একান্ত প্রয়োজন, তাতে করে  এলাকা ভিক্তিক আলাদা বা ভিন্ন প্রোজেক্ট করা যেতে পারে? যেসব এলাকায় জীব জন্তুর উপদ্রব রয়েছে- সেখানে মিষ্টি জাতীয় ফল চাষ না করে বরং সেখানে টক জাতীয় ফল যেমন লেবু করলা আনাজি কলা মান-কচু ইত্যাদি চাষ করা অধিকতর উত্তম। 


চাষ পদ্ধতিঃ

প্রথমেই উল্লেখ করা দরকার পাহাড়ি জমি উর্বরতা বেশী হওয়ায়- পানি সার ঔষধ কিংবা কীটনাশকের প্রয়োজন নেই বল্লেই চলে, এছাড়া পাহাড় মানে উপজাতিদের বসবাস উপজাতিদের জীবন-মান এখনো খানিকটা নিম্ন পর্যায়ে সাথে রয়েছে কাজের অভাব- প্রেক্ষিত কম খরচে লেবার পাওয়ার সুযোগ, একজন পুরুষ লেবার রোজ- ৪০০-৪৫০ টাকা ও মহিলা ৩০০-৩৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। 


লেবু-কলার মিশ্র চাষঃ

অর্থাৎ ১২ ফিট্ অন্তর একটি লেবুর চারা ও মাঝখানে একটি কলার ড্যেম লাগানো যেতে পারে এই পদ্ধতিতে খরচ হবে একর প্রতি এককালিন- ১,৫০,০০০= এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা। আপনি চাইলে ৫-৭ একর জমি লিজ নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন? 


লেবু-কলা চাষে পাঁচ একর জমির- আয় ব্যায়ের হিসাব প্রনয়ণ করা হলোঃ

আয়ের হিসাব- কলা থেকে এককালিন আনুমানিক বছরে- ২০,০০০×৫ (একর)= ১,০০,০০০= লেবু থেকে আনুমানিক- ৫,০০০×৫ (একর)= ২৫,০০০×১২ (মাস)= ৩,০০,০০০= এবং লেবুর চারা/কলম বিক্রি থেকে দ্বিতীয় বছর থেকে গড় ৬০০×২৫= ১৫,০০০×৫ (একর)= ৭৫,০০০= টাকা। সর্ব মোট আয়- ৪,৭৫,০০০/= চার লক্ষ পঁচাত্তর হাজার টাকা। ব্যায়ের হিসাব- লেবার ও যাবতীয় (খরচ) বাদ আনুমানিক- ৭৫,০০০= নেট মুনাফা- ৪,০০,০০০= চার লক্ষ টাকা।

উল্লেখ যে- পাহাড়ি এলাকা সমূহ অনেকটা নিরাপদ অতএব কেয়ারটেকার বা আলাদা লোকবলের প্রয়োজন নেই বটে! 

তথ্য সহায়তা- প্রফেসরঃ জনাব আইয়ুব আলী, মীরসরাই বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, মীরসরাই পৌরসভা, চট্টগ্রাম। 


লেখকঃ

মোঃ সিরাজুল ইসলাম

ব্যবস্হাপনা পরিচালকঃ 

ব্রাদার্স পোলট্রি ইন্টারন্যাশনাল, ঢাকা- দীর্ঘ দুই যুগ ধরে পোল্ট্রি শিল্পের সাথে জড়িত, পোল্ট্রি তথা এগ্রিকালচার সেক্টরকে কাছ থেকে দেখার সুবাদে উক্ত তথ্য চিত্র তুলে ধরা হইলো।


Friday, September 10, 2021

পিজিআর উপকারিতা

পিজিআর




পিজিআর উপকারিতা : -পিজিআর  উদ্ভিদের জৈব উজ্জীবক । জৈব উজ্জীবক এমন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা খুবই অল্প পরিমানে উদ্ভিদ দেহে সংশ্লেষিত হয় এবং এদের উৎপত্তিস্থল থেকে দুরবর্তী স্থানে পরিচালিত হয়ে গাছের শারীরবৃত্তিয় কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে ।


পিজিআর আমাদের ফসলের পুষ্টি গ্রহনের সহয়তা করে থাকে তাই আধুনিক চাষে পিজিআর ব্যবহারের গুরুত্ব অনেক।আমাদের ফসলের উপাদন ও ফলন বৃদ্ধির জন্য পিজিআর ব্যবহার করবো।নিচে আলোচনা করা হলো।


 প্রয়ােগক্ষেত্র : গ্রীষ্মকালীন টমেটো গাছের , ফুল ও ফলের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর এছাড়াও ধান , গম , আলু , আম , ইক্ষু , বেগুন , পিয়াজ , কুমড়া , শশা , পটল , করলা , চিচিংগা , ঝিংগা , তেঁড়স , বাঁধাকপি , ফুলকপি , মরিচ , পান , আনারস , কলা , তরমুজ , তুলা , চা এবং ফুল জাতীয় ফসল যেমন- গাঁদা , গােলাপ , রজনীগন্ধা , জারবেরা ইত্যাদি ফুলগাছে নাইট্রোজিম ব্যবহার করলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায় ।

 প্রয়ােগ সময় : ফুল ও ফল আসার ১৫ দিন পূর্ব হতে ফসল কর্তনের আগ পর্যন্ত ৩/৪ বার স্প্রে করতে হবে । 


প্রয়ােগমাত্রা : সাধারনতঃ ১.৫ থেকে ২ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে । দুপুরের রৌদ্রে নাইট্রোজিম ব্যবহার করবেন না । 

 ফুল ফল ঝরা বন্ধ করে ফুল  ফল বৃদ্ধি করে ফলন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে পিজিআর।


ধন্যবাদ সকলকে

আমিন

কৃষি পরামর্শ Group


Tuesday, September 7, 2021

ধানের মাজরা ও ব্লাষ্ট প্রতিরোধে

 

ধানের মাজরা ও ব্লাষ্ট


ধানের মাজরা ও ব্লাষ্ট প্রতিরোধে সাজেস্ট পোস্ট, আশা করি সবাই মনোযোগ দিবেন।

১) ক্লোরোপাইরিফস+ সাইপারমেথ্রিন ৫৫ ইসি গ্রুপের কীটনাশক যেমন, নাইট্রো বা সাইকেল বা সেতারা বা এই গ্রুপের যে কোন + ( থায়ামেথোক্সাম + এমামেকটিন বেনজোয়েট ৪০ ডব্লিউ জি)  গ্রুপের কীটনাশক যেমন আলটিমা প্লাস বা সবার পরিচিত ভিরতাকো বা বেল্ট এক্সপার্ট  পরিমান মত একত্রে মিশিয়ে স্প্রে করলে শতভাগ, ধানের মাজরা পোকা নির্মুল হবে ইনসা আল্লাহ।

২) ব্লাষ্ট বা খোলপচা প্রতিরোধে , এমিস্টার টপ বা নাটিভো বা এক্সোবিন প্রয়োগ করতে পারেন


ধন্যবাদ সবাইকে

Fb link রাহায়ন 



জৈব বালাই দমন ব্যবস্থা গুরুত্বের দাবিদার

 


দিনে দিনে জৈব বালায় দমন ব্যবস্থা উপর ঝুকছে কৃষি ব্যবস্থা।বিশেষ করে যারা ছাদ বাগন বা সবজি চাষ করে । সবজি চাষে জৈব বালাই দমন ব্যবস্থা গুরুত্বের দাবিদার ।এটা পরিবেশের কোন ক্ষতি করে না এবং বিষ মুক্ত সবজি উৎপাদনে ভুমিকা আনেক।সবজি চাষের জন্য মাছিপোকা একটি বিরাট বড়ো বাধা ।মাছি পোকা দমনের জন্য ফেরোমন ফাঁদ জৈব বালায় দমন হিসাবে গুরুত্বের দাবি দার ।

লাউ, মিষ্টি কুমড়া ,করলা ঝিঙ্গা,চিচিঙ্গা,পটল ইত্যাদি সবজি ফসলে ফেরোমন ফাঁদ মাছি  পোকা দমন করে থাকে। বাজারে অনেক কোম্পানিরর ফেরোমন ফাঁদ পাওয়া যায়।কোনটা সবজির জন্য আবার কোন টা ফলের জন্য ।আম বা মাল্টা ফলে মাছিপেকা আক্রমন করে থাকে  এবং আম চাষের জন্য মাছি পোকা একটি হুমকি ।আর এই আমের মাছি পোকা দমনের জন্য একটি সহজ সমাধান হলো ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করা । আম যখন গুটি গুটি হবে তখনি ফাঁদ স্থাপন করতে হবে সাধারণত ফাঁদে যে লিউয়র বা তাবিজ থাকে তার মেয়াদ ৪০-৬০ দিন হয়ে থাকে ।এই ৪০-৬০ দিনে আপনার ফল উঠে যাবে কিন্তু মাছি পোকা আক্রমন করবে না ।


সবজির  মাছি পোকার দমনের  জন্য একই রকম ভাবে আমরা ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করতে পারি যাতে করে মাছি পোকার আক্রমন আমরা ঠেকাতে পারি ।

লাউয়ের মাছি পোকা দমনে ফোরমন ফাদের গুরুত্ব অনেক ।এই মাছি পোকা তাদের হুল ফুটিয়ে  দেয় এবং ডিম পেড়ে দেয় যার ফলে কিড়া তৈরি হয় ,ফলটি পচে যাই বা নষ্ট হয়ে যায়িএর জন্য উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করে ।

জৈব বালায় দমনে দেশে আনেক গুলো কম্পানি কাজ করে যাচ্ছে । তাদের অনেক ভালো ভালো পণ্যে বাজারে আসছে।দিনে দিনে জনপ্রিয়ো হচ্ছে এই সব পণ্যে ।কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে দিনে দিনে ।বিষ মুক্ত সবজি উৎপাদনে ঝুকছে বেশির ভাগ কৃষক।



 .

ধন্যবাদ সকলকে

আমিন

কৃষি পরামর্শ Group





Wednesday, August 11, 2021

খাট জাতের শিম

 খাট জাতের শিম ।

 কিভাবে মাচা ছাড়া চাষ করবেন??


সাধারণত খাট জাতের শিম গাছের জন্য মাচা লাগে না, কিন্তু কখনো গাছ শুধু বাড়তেই থাকে, ফলন আসে না, অন্যান্য শিমের মতই হয়ে যায়। গাছ খাট অবস্থায় ফলন পেতে সহজ একটা পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়, যাকে প্রুনিং বলে। 

সহজ ভাষায় গাছের আগা কেটে /ভেঙে ফেলা। এক্ষেতে বীজ লাগানোর পর থেকে ১৫ দিন পর চারা গাছের অগ্রভাগ কেটে/ভেঙে ফেলতে হবে। 

কিছু ডাল পালা ছাড়বে। আবার চারার বয়স যখন ২৫ দিন তখন আবার ও অগ্রভাগ কেটে ফেলতে হবে। কিছুদিনের মধ্যেই গাছে নতুন শাখা প্রশাখা বের হবে ও ঝোপালো হবে।


গাছের বয়স ৩৫ দিন হলে আরেকবার অগ্রভাগ কেটে দিতে হবে। তবে তৃতীয় বার কেটে দেয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ না, ২ বার আগা কাটলেই যথেষ্ট। 

এ পদ্ধতি অনুসরণ করলে গাছ ছোটই থাকবে ও ঝোপালো হবে। সঠিক ফলনের জন্য একটা খুটি গেড়ে দিতে হবে। এভাবে ৫০-৫৫ দিনের মধ্যেই ফল ধরা শুরু হবে। ৬০-৬৫ দিনে বাজারজাত করা যাবে। 


-রাসেল

BN Seeds 

বাংলানগর বীজ ভান্ডার

Last post

ড্রাগন ফলের পরিচয়

  উৎপত্তি ও ভৌগলিক বিস্তৃতিসহ ড্রাগন ফলের পরিচয়     " ড্রাগন ফল " বা ড্রাগন ফ্রুট অসমৃদ্ধ এবং বিশেষ রূপের ফল , য...