Thursday, December 9, 2021

রবি ১ পাট বা বিজেআরআই পাট

জিনোম ভিত্তিক গভেষণায় উদ্ভাবতি পাটের নতুন জাত  (রবি-১) বা বিজেআরআই তোষা পাট-৮ 



১.  ভুমিকাঃ 
বর্তমানে চাষকৃত সর্বোচ্চ ফলনশীল পাট জাতের চাইতে প্রায় ২০% বেশী ফলনশীল  (‘রবি-১’) নামে পরিচিতি লাভ করা জিনোম ভিত্তিক গভেষণায় উদ্ভাবতি তোষা পাটের লাইনটি জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক ২০১৯ সালে জাত হিসেবে অবমুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ পাট গভেষণা ইনস্টটিউিট এ বাস্তবায়নাধীন পাট বিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণা প্রকল্পের বিজ্ঞানীগণ এর উদ্ভাবক।  বিভিন্ন পরীক্ষণের  বাংলাদেশের প্রায় সকল এলাকায় সেনাপতি মার্কা ‘রবি-১’ বা বিজেআরআই তোষা পাট-৮ জাতটি চাষ উপযোগী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

(রবি-১) বা বিজেআরআই তোষা পাট-৮




২.  রবি-১ এর বিশেষ বশৈষ্ট্যি সমূহ :
(ক) স্বাভাবিক গড় উচ্চতা প্রচলিত জাত অপেক্ষা ৩০-৩৫ সেন্টিমিটার বেশী;
(খ) গাছের গোঁড়া এবং আগার ব্যাসরে র্পাথক্য অপেক্ষাকৃত কম অর্থাৎ অধিকতর সলিন্ড্রিক্যিাল
(গ) গাছের ছালে ফাইবার বান্ডেলের ঘনত্ব বেশী;
(ঘ) আগাম বপন উপযোগী (মার্চ - এপ্রিল);
(ঙ) প্রচলিত জাতসমূহ হতে উন্নততর আঁশ বিশিষ্ট (চিকন, অধিকতর উজ্জ্বল এবং শক্ত)।

৩. শনাক্তকরণ বশৈষ্ট্যিঃ
(ক) স্থায়ী লাল বর্ণের উপপত্র;
(খ) পাতা উজ্জ্বল ও চকচকে।

৪.  আবাদ মৌসুম ও ভ‚মির বশৈষ্ট্যিঃ
জিনোম ভিত্তিক গভেষণায় উদ্ভাবতি পাটের নতুন জাত  (রবি-১) বা বিজেআরআই তোষা পাট-৮

(ক) মধ্য ফাল্গুন (মার্চ) হতে মধ্য বৈশাখ (এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ) পর্যন্ত বপনযোগ্য তবে মার্চের শেষ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ বীজ বপনের সর্বাধিক উপযোগী সময়; 
(খ) অপেক্ষাকৃত উঁচু, জলাবদ্ধতাহীন দোঁয়াশ এবং বেলে-দোঁয়াশ মাটি ‘রবি-১’ চাষের জন্য উপযোগী।
(গ) এ জাতটি বোর ধান কাটার পর বপন করে জমিকে সহজেই ৩-ফসলী শস্য ক্রমের আওতায় আনা যায়।

৫.  গুনগত মানসম্পন্ন আঁশ উৎপাদন ঃ
রবি ১ পাট বা বিজেআরআই পাট  উৎপাদনের কলা -কৌশল ।

(ক) অধিক ফলন ও গুনগত মানসম্পন্ন আঁশ পাওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়ে বপনকৃত পাট গাছ ১১০-১২০ দিনে কাটা উত্তম। তবে প্রয়োজনে এ জাত ১০০ দিনেও কর্তন করা যাবে। সে ক্ষেত্রে ফলন সামান্য কম হলেও এতে আঁশ সোনালী রঙ ধারণ করে এবং নরম থাকে যা বিভিন্ন রকমের উন্নত মানের পাট পন্য তৈরিতে উপযোগী বলে বিবেচিত হয়েছে।
(খ) পাট গাছ কাটার পর ১০-১২ টি গাছ একত্রে আঁটি বেধে জমিতে ৩-৪ দিন খাড়া রাখার পর, পাতা ঝরিয়ে পানিতে জাঁক দেয়া শ্রেয়। জাঁক খুব পুরু না করে খড় বা কচুরীপানা দিয়ে ঢেকে দেয়া ভাল। সাধারনত: ১৫-১৮ দিনের মধ্যইে জাঁক সম্পন্ন হয়ে যায় এবং আঁশ ছাড়িয়ে রোদ্রে শুকাতে হয়। ধোয়া আঁশ আড়ে শুকানো উচিত। মাটিতে শুকালে আঁশের মান খারাপ হয়ে যায়।
(গ) এছাড়া পানি স্বল্প এলাকায় আঁশ ছড়ানোর জন্য রিবন রেটিং পদ্ধতওি অবলম্বন করা যেতে পারে।



ভারতীয় জাত জেআরও-৫২৪ ও দেশীয় জাত বিজেআরআই  রবি-১ এর  মধ্যে র্পাথক্য  :

ভারতীয় জাত জেআরও-৫২৪
জেআরও-৫২৪ জাতটির বয়স অনেক বেশি
জেআরও-৫২৪ জাতটির রোগ বলাই বেশি
জেআরও-৫২৪ জাতটির ফলন রবি-১ অপেক্ষা কম
জেআরও-৫২৪ জাতটির ৭০-৮০ দিন পর হতে গাছ মরা শুরু হয় যার ফলে ফলন কম হয়।
জেআরও-৫২৪ জাতটির বিঘা প্রতি বীজ বপন প্রায় 
১ কেজি (অঙ্কুরোধ ) ক্ষমতা কম।

বাংলাদেশীয় জাত বিজেআরআই রবি-১
রবি-১ জাতের বয়স কম
রবি-১ জাতটির রোগ বলাই সহনশীল
রবি-১ জাতটির ফলন অনেক বেশী
রবি-১ জাতটির গাছ সহজে মারা যায় না যার ফলে ফলন অধিকতর বেশী হয়।
রবি-১ জাতটির বিঘা প্রতি বীজ বোপন প্রায় ৫০০ গ্রাম (অঙ্কুরোদম) ক্ষমতা বেশি। 

ধন্যবাদ সকলকে

আমিন

কৃষি পরামর্শ Group






জিপসাম সার এর প্রয়োজনীয়তা ও ব্যবহার



জিপসাম সার  এর প্রয়োজনীয়তা ও ব্যবহার।

জিপসাম সার


উৎপাদন : ক্যালসিয়াম ২০% ও সালফার ১৬% বিদ্যামান।
ফসল ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত লক্ষণ : গাছের অগ্রভাগের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়, গাছ দূর্বল ও বামণাকৃতির হয়, পাতার কিনারা ও শিরা হলুদ বর্ণ ধারণ করে এবং কচি পাতা কুঁকড়ে যায়, ফুল ও ফলের র্কুড়ি অসময়ে ঝরে যায়।


ফসলে সালফারের অভাবজনিত লক্ষণ : কচি পাতা হলদে-ফ্যাকাসে বিবর্ণ রং ধারণ করে এবং ধীরে ধীরে পুরাতন পাতাও হলদে হয়ে যায়। গাছের বৃদ্ধি ও কুশির সংখ্যা কমে যায়। গাছ বেঁটে হয়ে যায় ও পাতার পচন ধরে। ফসল পরিপক্ক হতে দেরি এবং ফলন কমে যায়। শস্যের গুণগত মান লোপ পায়।


জিপসাম সার এর প্রয়োজনীয়তা : ক্যালসিয়াম ও সালফারের অভাবে ২৫% পর্যন্ত ফলন কম হতে পারে। জিপসাম ফপসলের সঠিক বৃদ্ধিতে সহয়তা করে। গাছের পাতা সবুজ করে, শিকড় বৃদ্ধি করে ও কুশির সংখ্যা বাড়ায়। ফসলের কোষ গঠনে সহায়তা করে। গছের নাইট্রোজেন গ্রহণে সহায়তা করে। সঠিক সময়ে ফসল পরিপক্ক হতে সহায়তা করে। তৈল জাতীয় ফসলে তেল উৎপাদনে সহায়তা করে। শস্যের গুণগত মান বৃদ্ধি করে।


জিপসাম সার প্রয়োগক্ষেত্র : আম, আলু, ধান, গম, ভুট্রা সহ সকল তৈল জাতীয় ফসল, ডাল জাতীয় ফসল, শীতকালীন ও গ্রীস্মকালিন শাক -সবজি, পান, সকল প্রকার ফুল ও ফলে সালফার ও ক্যালসিয়াম অভার পূরণের জন্য এবং আশানুরূপ ফলন পেতে নির্ধারিত মাত্রায় জিপসাম ব্যাবহার করতে হবে।


ব্যবহারবিধি : জমি তৈরির শেষ চাষে ছিটিয়ে প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। ফসলে ক্যালসিয়াম ও সালফারের অভার দেখা দিলে মাত্রানুযায়ী ছিটিয়ে প্রয়োগ করতে হবে।

ধন্যবাদ সকলকে

আমিন

কৃষি পরামর্শ Group




 

Sunday, December 5, 2021

মেহেদির উপকারিতা

 মেহেদিঃ

মেহেদিঃ


মেহেদি (Lawsonia inermis), মেহেন্দী, মেন্দি। ইংরেজিতে হেনা, যা আরবি হিন্না حِنَّاء থেকে এসেছে। এটি এক ধরনের সপুষ্পক উদ্ভিদ, মেহেদি একটি লম্বা গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ, যা সাধারণত ১.৮ থেকে ৭.৬ মিটার (৬ থেকে ২৫ ফুট) পর্যন্ত লম্বা হয়। এটি একটি বহু শাখাযুক্ত উদ্ভিদ। কচি সময় এর কাণ্ড গুলো বেশ নমনীয় থাকলেও ধীরে ধীরে বেশ শক্ত পোক্ত এবং অভঙ্গুর হয়ে উঠে। কাণ্ডে পাতা একে অপরের বিপরীতে বৃদ্ধি পায়। দীর্ঘজীবী মেহেদি উদ্ভিদে ফুল ফুটতেও দেখা যায় আবার এই ফুল থেকে ফলও উৎপন্ন হয়। 

এর পাতা প্রাচীনকাল থেকে ত্বক, চুল, নখ, পশুর চামড়া ও পশম রঙিন করার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই উদ্ভিদের পাতার সাথে অন্যান্য দ্রব্য মিশিয়ে আধা-কৃত্রিম পদার্থ তৈরি করা হয়, সেটাও মেহেদি নামেই পরিচিত। মেহেদির নানা প্রকার ঔষধি গুণাগুণও রয়েছে । 

এছাড়াও হাত, পা ও নখ সাজাতেও মেহেদি পাতা ব্যবহার হয়ে থাকে। চুল ঘন হয়, চুলের গুড়া শক্ত করে, রুক্ষতা দূর করে, চুল রেশমী ও ঝরঝরে করে, মাথা ঠান্ডা রাখে, চুলের আগা ফাটা রোধ করে, খুশকি দূর করে, চুলের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে এবং সাদা চুল রং করে। 

ব্রোঞ্জ যুগ থেকেই দুনিয়াবাসীরা রঞ্জক হিসেবে মেহেদি ব্যবহার করে আসছে। দুনিয়ার বহু দেশে এটি উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। 

বাংলাদেশ এবং ভারতে ঈদ ও বিয়ে উপলক্ষে এর ব্যবহার অনেকটা আবশ্যিকরূপে প্রচলিত। ভারতীয় আদালতে চুলের রঙ হিসেবে মেহেদির ব্যবহারের কথা উল্লেখ আছে । 

ছত্রাক-রোধী হিসেবেও মেহেদি কার্যকর। কাপড় ও চামড়া সংরক্ষণেও এর ব্যবহার হয়। মেহেদি ফুল থেকে সুগন্ধী তৈরি হতো বহু প্রাচীনকাল থেকেই, বর্তমান যুগে এর উৎপাদন আবার শুরু হয়েছে। পোকা দমনেও মেহেদি ব্যবহৃত হয়।

 কমাতে সাহায্য করে

মেহেদি গাছের উপর কিছু গবেষণা করা হয়েছিল এবং দেখা গেছে যে এতে কিছু উপাদান রয়েছে যা শরীরের জন্য অ্যান্টিপাইরেটিক বৈশিষ্ট্য হিসাবে কাজ করে। আয়ুর্বেদ অনুসারে, যাদের জ্বর আছে তাদের পায়ে এবং হাতে তাজা মেহেদি পাতা ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে রাখা উচিত।

 চুলের স্বাস্থ ভালো রাখতে

মেহেদির গুঁড়া পানিতে ভিজিয়ে এর পেস্ট চুলে লাগালে চুলে সঠিক পুষ্টি পাওয়া যায়, যা চুল পড়া কম করে এবং চুল নরম রাখে। দইয়ের সঙ্গে মেহেদি মিশিয়ে চুলে লাগালে আরও উপকার পাওয়া যায়। অন্যদিকে, সাদা চুল মেহেদি দিয়ে লাল রঙ করা যেতে পারে।

অনেক ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে

মেহেদিতে এমন কিছু কার্যকরী উপাদান পাওয়া যায়, যা অনেক ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ফাঙ্গাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। আপনার ত্বকে কোনো ক্ষত সংক্রমিত হয়ে থাকলে তাজা মেহেদি পাতা পিষে পেস্ট লাগাতে পারেন।

মাথা ব্যাথ্যা ও উচ্চ রক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে

মেহেদি গাছের অনেক স্বাস্থ্যকর বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা শরীরে কার্যকরভাবে কাজ করে। কিছু ঐতিহ্যগত চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসারে, যদি মেহেদি গাছের রস বের করা হয় বা এর বীজ খাওয়া হয়, তবে এটি মাথাব্যথা এবং উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণগুলিকে অনেকাংশে কমাতে পারে ।

যাইহোক, মেহেদি থেকে প্রাপ্ত স্বাস্থ্য উপকারিতা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। কারণ একেকজনের শারীরিক প্রভাব একেক রকম, যার ওপর মেহেদির  প্রভাবও একেক রকম।

মেহেদির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

মেহেদি এমন অনেক উপাদান রয়েছে, যা কিছু মানুষের শরীরে বিষাক্ত প্রভাব সৃষ্টি করে এবং এই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি দেখা দিতে শুরু করে-

  • পেট ব্যথা
  • বমি বমি ভাব
  • ডায়রিয়া
  • গ্যাস গঠন
  • কিডনি ক্ষতি
  • লাল রক্ত ​​​​কোষের ক্ষতি

অন্যদিকে, কিছু লোকের মেহেদি থেকে অ্যালার্জি হতে পারে এবং তাদের ত্বকের সংস্পর্শে আসার সাথে সাথে চুলকানি, জ্বালাপোড়া এবং লাল ফুসকুড়ি হতে শুরু করে।

 

কিভাবে মেহেদি ব্যবহার করবেন

মেহেদি নিম্নলিখিত উপায়ে ব্যবহার করা যেতে পারে:

  • পানির সঙ্গে মেহেদির গুঁড়া মিশিয়ে মাথায় ত্বকে লাগান।
  • এর তাজা পাতা পিষে ত্বকে পেস্ট লাগান।
  • পানিতে পাতা সিদ্ধ করে তা দিয়ে আক্রান্ত স্থান ধুয়ে ফেলুন।

যাইহোক, যদি আপনাকে মেহেদি গাছের রস খেতে হয়, তবে এটি করার আগে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করার জন্য কঠোরভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়।




Saturday, November 27, 2021

ছাদ বাগান প্রশিক্ষণ


ছাদ বাগান প্রশিক্ষণ বেশ কিছু দিন, ঢাকার বিভিন্ন ছাদ বাগান ভিজিটের অভিজ্ঞতায় আজকের এই লেখা


আসলে ছাদ বাগান করা খুব সহজ।আগে খেয়াল করুন, চারা রোপনের পর ড্রেনেজ সিস্টেম ঠিক আছে কিনা!

পানির ইনপুট ও আউটপুট সঠিক হচ্ছে কিনা!

এখানে ভুল হলে গাছের ডাইজেস্ট প্রবলেম হয়।

এবার আসুন

পরিচর্যায়ঃ

ইকোম্যাক ২ মিলি+ মারগোসা ( নিম তৈল) ১ মিলি=১ লিঃ পানিতে মিশিয়ে স্প্রে  দিন ৭ দিন পর পর, এতে করে পোকা, মাকড় ও মিলিবাগ দমন হবে। যদি কিনা শুরুতেই এটা ব্যবহার করেন,তবে গাছ নিরাপদ। 

ট্রাইকোডার্মা পাউডার ১ লিঃ পানিতে ৫ গাঃ +সলুবোর বোরন ১ গাঃ একসাথে সকালে ভিজিয়ে বিকালে স্পে দিন ১৫ দিন পর পর স্পে দিন। এতে করে ছত্রাক দমন হবে ও ভিটামিনের চাহিদা পূরন করবে।গাছে ফলের গুটি থাকলে আটকে যাবে, ঝরে পড়বে না,পরবর্তী ১৫ দিন পর ট্রাইকোডার্মা ৫ গাঃ + চিলিটেড জিংক ১ গাঃ এক সাথে সকালে মিশিয়ে বিকালে স্পে দিন। এভাবেই ঘুরবে।

হিউমিনাল গোল্ড ১ লিঃ পানিতে ২ মিলি মিশিয়ে স্পে দিন ২০ দিন পর পর, এটা জৈব পিজিআর, জৈব উৎস হতে তৈরি, এটা গাছের বৃদ্ধিতে খুবই সহায়ক। 

মাসে ১ বার বাম্পার স্পে দিন 

এটা আপনার গাছের ঘাটতি খুজে বের করে, সেখানেই তার চাহিদা পূরন করবে,সাথে মাসে ১ বার বুস্টার টু ১ লিঃ পানিতে ১ ফোটা, পরাগায়নের সমস্যা নিয়ে আর কথা নয়। ৩ মাস পর পর গাছ প্রতি পরিমাণ মত কেঁচো সার, হাড়ের গুড়া, নিম খৈল দিন। গাছে কোন ব্যাধি আসবে না।

লেখা টি উৎসর্গ করলাম,প্রিয় সবুজ সাথী, আপনার জন্য। 

ভাল থাকবেন আপনি, ভাল থাকবে আপনার ছাদবাগান,ভাল থাকবো আমরা সবাই। কথা হবে আবার সবুজে সবুজে।

লেখক



Wednesday, November 24, 2021

ছত্রাক


 ছত্রাক 

 আছছালামু আ'লাইকুম।গাছে এইরকম হলে ২ টি বিষয়ের দিকে খেয়াল দিতে হবে। ১ নাম্বারে গাছে কি পরিমাণ ভিটামিন আছে! গাছ যাতে তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পায় সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। ২ নাম্বারে গাছের কোকড়া ছাড়ানোর জন্য   ছত্রাক নাশক+মাকড় নাশক + কীটনাশক পরিমাণ মতো স্প্রে করতে হবে। 

আপনি যতই স্প্রে করেন লাভ নেই যদি গাছ বৃদ্ধির হার কমে যায়। 


গাছে ভিটামিনের অভাব পূরণ করা,ছত্রাক নাশক+মাকড় নাশক + কীটনাশক স্প্রে করার কারণঃ

 আপনি গাছে সবরকম বিষ দিয়েছেন গাছ সুস্থ কিন্তু গাছ যদি বৃদ্ধি না পায়, তাহলে আপনার গাছে ফল ধরবে কোথায়, যে ফুল থাকাকালীন গাছে কোকড়া ধরেছে ঐ ফুল গুলাতে ফল হবে না, ফল হলেও ভালো হবে না। নতুন কুশি বের হবে সেইগুলাতে সুস্থ ফুল- ফল হবে। নতুন কুশি বের করার জন্য গাছে সার/ভিটামিন  দিতে হবে।  



 ছত্রাক নাশক গাছের কোকড়া ছাড়ায়। 

মাকড় নাশক স্প্রে করা হয় যাতে মাকড়ে রোগটা আর না ছড়াতে পারে। 

কীটনাশক দেওয়া হয় যাতে অন্যান্য পোকার মাধ্যমে এই রোগটা আর না ছড়ায়। 


মোট কথা হলো স্প্রে করতে হবে আর গাছ যাতে তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পায় সেইদিকে খেয়াল দিতে হবে। শুকরিয়া।

Monday, October 11, 2021

ধানের আইলে সবজি চাষ




ধানের আইলে সবজি চাষ

                                        ধানের আইলে সবজি চাষ


জনসংখ্যার তুলনায় আমাদের দেশ আয়তনে অনেক ছোট আবার পারিবারিক পৃথকীকরণের কারণে প্রতি বছর চাষের জমি ভাগ হচ্ছে এবং জমির মাঝখানে গড়ে উঠছে নতুন নতুন আইল। ফলে দিন দিন আইলের পরিমাণ বাড়ছে। অনেক আগের পরিসংখ্যানে জানা যায়, বাংলাদেশের সব আইলের আয়তন এক করলে প্রায় বৃহত্তর প্রাই বগুড়া জেলার সমান হবে। 

কিন্তু এ আইলের প্রায় পুরোটাই অব্যবহূত পড়ে থাকে। কোনো উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহূত হয় না। কাজেই খাদ্যের অভাব পূরণে এবং সবজির চাহিদা মেটাতে এসব অব্যবহূত আইল সমূহ সবজি চাষের আওতায় আনা যায়।


আইলে যেসব সবজি চাষ করা যায়: 


আইলে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করা যায়। তবে সাধারণত যে সব সবজি চাষ করা হয় তার মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হচ্ছে শিম জাতীয় সবজি (দেশি শিম, বরবটি ইত্যাদি), ঢেঁড়শ, লাউ, পুঁইশাক, গিমা কলমি, কাঁকরোল, টমেটো, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, কুমড়া, অড়হর, সরিষা ইত্যাদি। মাঝারী উঁচু এবং উচুঁ জমির আইলে সারা বছর এ সব সবজি চাষ করা যায়। এতে মূল ফসল যেমন- ধান ফসলের কোনো ক্ষতি হয় না, বরঞ্চ লাভই হয়। বর্তমান চট্টগ্রাম , বগুড়া এবং যশোর জেলার বিভিন্ন এলাকায় জমির আইলে সবজি চাষ করা হয়। 


আইলে সবজি চাষের সময়: 


প্রধান ফসল অর্থাৎ ধান ফসল রোপণ বা বপনের সাথে মিল রেখে আইলে সবজি বপন বা রোপণ করতে হবে।আমাদের যে সব জমিতে ধান চাষ হয় সে সব জমিতে একটু ইচ্ছা করলেই খুব ভালো ভাবে সবজি চাষ করা যায়। আমাদের পরিবারের চাইহদা মেটানো সম্ভাব এই চাষ করে । নিম্নে আলোচনা করা হলো ।


 মাঝারী উঁচু এবং উঁচু জমির আইল সাধারণত সবজি চাষের জন্য নির্বাচন করতে হবে। বন্যা বা অতিবৃষ্টিতে ডুবে যায়  এমন আইল সবজি চাষের জন্য উপযুক্ত নয়। প্রথমে আইলকে পরিস্কার করে মাটি কুপিয়ে ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। তারপর যেসব সবজি ছিটিয়ে বুনা হয় সেগুলোর বীজ আইলের উপর বপন করতে হবে। আর যেগুলো মাদায়/গর্তে রোপণ করা হয় সেগুলোর জন্য মাদা/গর্ত করতে হবে। ধানের বীজতলা তৈরির সাথে সাথে পলিব্যাগে সবজির চারা তৈরি করে নিতে হবে। জৈব ও অজৈব সার মিশিয়ে সুস্থ ও সবল চারা নির্দিষ্ট দূরত্বে রোপণ করতে হবে।


 আইলকে সব সময় আগাছামুক্ত রাখতে হবে। মাঝে মাঝে নিড়ানি দিয়ে মাটি আলগা করে নিতে হবে। এতে মাটির রস অনেকদিন ধরে এবং অধিক উৎপাদন পাওয়া সম্ভব। প্রয়োজন অনুযায়ী অনুমোদিত মাত্রায় রাসায়নিক সার ব্যবহার করতে হবে। লতা জাতীয় সবজিতে জাংলা দিতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সবজিতে সেচ না দিলে আশানুরূপ ফলন নাও হতে পারে। আইলের সবজিতে বিভিন্ন ধরনের বালাইয়ের আক্রমণ দেখা দিতে পারে। সবজির এসব বালাইকে আইপিএম এর আলোকে দমন করতে হবে অথবা ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করতে হবে।সাধারণত যে সব সবজি চাষ করা যেতে পারে ফসলের আইলে লালশাক,মুলা ,লাউ ,মিষ্টি কুমড়া,চিচিঙ্গা,ঝিঙ্গা,পালন শাক,পুইশাক,ইত্যাদি।



এই চাষ করার জন্য দরকার নিজের ইচ্ছা শক্তি । কিছু সবজির বীজ বাজার থেকে ক্রয় করে বুনে বা লাগিয়ে দিলে ্হবে। আর একটু দেখ ভাল করা । আপনার ফসল ও হবে পাশাপাশি সবজি । সাধারণত বাজার থেকে ক্রয় করা সবজি সার বা ঔষধ দেওয়া থাকে কিন্তু আপনি যখন নিজে উপাদন করবেন তখন সেটা হবে অর্গার্নিক ।এখন আপনারি ইচ্ছা শক্তি।


ধন্যবাদ ভালো থাকবেন




Saturday, October 9, 2021

শিমের ফুলের স্টিক/শীষ পচা রোগ।

 শিমের ফুলের স্টিক/শীষ পচা রোগঃ

______________________________

শিমের ফুলের স্টিক/শীষ পচা রোগ।




শিমের রোগগুলোর মধ্যে শিমের ফুলের স্টিক বা শীষ পচা রোগ একটি মারাত্মক রোগ। এই রোগে অনেক সময় ফলন শূন্যের কোঠায় নেমে আসে।  বিভিন্ন ধরনের ছত্রাকনাশক দিয়েও তেমন আশানুরূপ কোন ফল পাওয়া যায় না। অনেক এলাকায় কীটনাসকের দোকানদ্বারগণও তেমন কোন সমাধান দিতে পারেন না।

এর কারন এই রোগটি সম্পর্কে তেমন কিছু জানা থাকে না। 

শিমের ফুল যখন ফুটবে  ঠিক তখন এর আক্রমণ হয়। 


লক্ষণঃ ভেজা ভেজা দেখা যায়।হাত দিলে

 আঠালো মনে হয়।চাপ দিলে রস বের হয়।পিচ্ছিল মনে হয়।


 আক্রমণের স্থানঃ স্টিক বা শীষে যেখান থেকে

 ফুল শুরু হয় ঠিক সেখান থেকে আক্রমণ করে।


সাদৃশ্যঃ ধানের শীষের নেক  ব্লাস্ট।


কারনঃ আবওহাওয়া জনিত কারন।দিনে গরম রাতে ঠান্ডা।


রোগের নামঃ 

___________

সাধারনত এনথ্রাকনোছ বলা হয়ে

 থাকে। তবে এটিকে শিমের নেক ব্লাস্ট বলা উচিৎ। তাহলে যে কেউ রোগের নাম শুনলেই চিকিৎস্যা দিতে পারবে।

কেননা এনথ্রাকনোছের ওষুধ দিলে আক্রান্ত অংশ সুস্থ্য হলেও পুনরায় আক্রমণ হয়।

কিন্তু ধানের নেক ব্লাস্ট এ ব্যবহৃত ছত্রাকনাশক দিলে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

ধানের নেক ব্লাস্টে এমিস্টার টপ,কমবি২,  এগুলা দিলে আক্রান্ত অংশ ভাল হয় তবে পুনরায় আক্রমণ করে। শিমের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা।


প্রতিকারঃ টেবুকোনাজল+ট্রাইফ্লক্সিস্ট্রবিন গ্রুপের ছত্রাকনাশক স্প্রে করলে প্রতিকার পাওয়া যায়। যেমনঃ ভেলিন,নাটিভো,বিঙ্গো ইত্যাদি।সাথে একটু কার্বান্ডাইজিম দিতে পারেন। তবে মেনকোজেব দিবেন।

ধানের নেক ব্লাস্টেও এই একই ওষুধ প্রয়োগ করবেন।




বিশেষ কথাঃ অনেকেই  নিয়মিত শিম ক্ষেতে  নাটিভো দেওয়াতে তাদের ক্ষেতে আক্রমণই হয়না। তাই তারা এই রোগ বিষয়ে জানেন-ই না।

Wednesday, October 6, 2021

জৈব সার

 জৈব সার বলতে কি বুঝো? জৈব সারের কয়েকটি উদাহরণ

জৈব সার ।


জীবিত উৎস থেকে উৎপন্ন সার কে জৈব সার বলে, আর বিশদভাবে বললে প্রাণীর বিষ্ঠা ও মূত্র বা সরাসরি ভাবে প্রাণী ও উদ্ভিদের শরীর বা শরীরের অংশ থেকে যে সার তৈরি হয় তাকে জৈব সার বলে , এর উল্টো দিকে রয়েছে খনিজ প্রদার্থ থেক তৈরি কারখানায় রাসায়নিক পদ্ধতিতে তৈরি সার যেমন কিনা বাজারে ইউরিয়া ডিএ পি পটাশ প্রভৃতি নামে পাওয়া যায় –

আমরা যে জৈব চাষ নিয়ে প্রতি নিয়ত পোস্ট গুলি করব সেটি জৈব চাষ বলতে শুধু গোবর দিয়ে নয় , গোবর সার ও গমুত্র এর সাথে আর কিছু বস্তু মিশিয়ে জীবাণুর বৃদ্ধি ঘটিয়ে কম গোবরে অধিক জমি চাষ কিভাবে হয় তা জানবো , একটি দেশী গাই যদি থাকে তবে তা দিয়ে আপনি 30 একর জমি জৈব তে চাষ করতে পারবেন , যা শুধু গোবর দিয়ে করলে 10 টি গুরুর প্রয়োজন হবে , মনে রাখতে হবে চাষ মানে জীবাণুর খেলা আমরা যা কিছুই জমিতে প্রয়োগ করি তা জীবাণু গাছের খাদ্য হিসেবএ তৈরি করে , জীবাণু গাছের খাদ্য রান্না করে গাছকে খায়াতে সহাজ্য করে , জীবাণু যত বেশি হবে গাছের বৃদ্ধি ফল তত বেশি হবে , আমরা এটাও জানি না হয়তো মাটি তে কি আছে এক কোথায় বলতে আমরা অন্ধকারে শুধু হাত ঢুকিয়ে দেই তাতে কি উঠবে জানি না ,অর্থাৎ মাটিতে সার প্রয়োগ করি না জেনে কিন্তু সেই জায়গায় কম খরচে জমিতে যত বেশি জীবাণু সারের ব্যাবহার বাড়াবেন তত বেশি ফলন বৃদ্ধি হবে আর তা আমরা বাড়িতেই প্রায় বিনা পুজিতে প্রস্তুত করতে পারবো , মনে রাখতে হবে উৎপাদিত ফসলের দাম আপনার হাতে নেই কিন্তু উৎপাদন খরচ আপনার হতে আছে , যত খরচ কমাতে পারবেন দাম কম পেলেও শেষ হাসিটা আপনি হাসবেন রাসায়নিক সার ব্যাবহার কারি কৃষক নয়, কারণ তাদের ফসলের বাজার এবং সারের দোকান দুজনেই লুটে খায় ,
জৈব সারের মধ্যে আজকে আমরা তরল জৈব সার অমৃত পানি (মিরাক্কেল/ভিটামিন ) প্রস্তুত শিখবো , মিরাক্কেল কথার সাথে আমরা চিকিত্সা ক্ষেত্রে অনেকেই জেনে থাকি যে বিজ্ঞান যেখানে হার মনে তার পরেও বেচে ফিরে তাকে বলে এটা একটি মিরাক্কেল , ঠিক এই সারের গুণ তাই যার আশা নেই তবু বেচে ফিরে ফলন দিবে সেই গাছ ও আর ফলন দেয় ।


**উপাদান –--
ক, দেশী গরুর গোবর 1 কেজি
খ, দেশী গরুর গমুত্র 1 লিটার
গ, চিটা গুড় 50 গ্রাম
ঘ ,পচা কলা 6-7 টি
ঙ, জল 10 লিটার
চ, এক কাপ ভাতের ফ্যান
ছ 50 গ্রাম বেশন
জ এক মুঠো মাটি বট বা পাকর গাছের গোড়ার
ঝ , একটি 50 লিটার ড্রাম
**তৈরির পদ্ধতি – উপরের সবটা একটা পাত্রে নিয়ে ভাল করে হাত দিয়ে মিশিয়ে নিয়ে 50 লিটারের ড্রামে ঢালুন তার পর জল ঢালুন এবং একটি লাঠি নিয়ে ভাল করে ঘেটে দিয়ে একটি অন্ধকার জায়গায় 3 দিন রেখে দিন এবং ঐ 3 দিন দিনে 3 বার একটি লাঠি দিয়ে 10 বার সোজা এবং 10 বার উল্টো করে ঘাটবেন ,
ব্যাবহার –
চতুর্থ দিনে আপনার অমৃত পানি রেডি হয়ে গেছে এবার ব্যাবহার করতে পারেন , তবে যতদিন ব্যাবহার চলাকালীন ড্রামে থাকবে ততদিন ডাল দিয়ে নিয়মিত ঘোড়াতে হবে দ্রবনটি ,
চারা গাছে ব্যাবহার করলে 1 লিটার অমৃত পানির সাথে 7-8 লিটার জল মেশবেন এবং এবং বড় গাছ হলে 1 লিটার অমৃত পানির সাথে 5-6লিটার জল মিসবেন , গাছের গড়তে দিবেন সঙ্গে গাছের গায়ে দিবেন এবং বিশেষত পাতায় দিবেন , মনে রাখবেন গাছ শুধু শিকড় দিয়ে নয় তার পাতা দিয়েও অহার গ্রহণ করে ,
কিভাবে কাজ করে এই সার---
গবরে রয়েছে অজস্র জীবাণু , বেসন এ রয়েছে রাইবোজিয়াম্ এবং চিটে গুড় ও পচা ফলে রয়েছে উদ্ভিদ ও জীবনুদের নানান খাদ্য , সেই সাথে গাছের গড়ার মাটিতে রয়েছে একধরনের উপকারী জীবাণু , 3 দিন ধরে ঐ মিশ্রণ পছতে থাকে এবং জীবাণু গুলির সংখ্যা বাড়তে থাকে , যত পছতে থাকবে তত জীবাণুর সংখ্যা বাড়তে থাকে , চতুর্থ দিনে জীবাণু দের সংখ্যা বেশি বারে এর পর আসতে আসতে কমতে থাকে ,তাই চতুর্থ দিন ব্যাবহার করলে মিশ্রণটি ভাল কাজে আসে , এর বিতর্কর উদ্ভিদের খাদ্য ও জীবাণুরা মাটিতে প্রবেশ করে মাটিতে জীবাণুর সংখ্যা বাড়িয়ে মাটি উর্বর করে এবং পাতায় খাদ্যের কাজ করে , তাই দেখা গেছে যে ঐ সর দেয়ার ফলে গাছের ফলন বেড়ে যায় ।
, ভাল লাগলে অবশ্যই পেইজ টি কে ফলো করবেন যাতে পরের পোস্ট খুব দিতেই আপনি পেয়ে যেতে পারেন এবং পোস্ট টিকে শেয়ার লাইক করবেন যাতে আমরা আরও মানুষের কাছে জৈব চাষ তুলে ধরতে পারি , আপনাদের সহযোগিতা আমদের কাজে অনুপ্ররোনা হিসেবএ কাজ করবে ।
এবং আপনাদের কোন মতামত থাকলে আমাদের এসএমএস করে জানতে পারেন ,আমরা তা সমাধানের চেষ্টা করব।

  আপনাদের কোন মতামত থাকলে আমাদের এসএমএস করে জানতে পারেন এবং তা সমাধান করার চেষ্টা আমরা করব


আরো পড়ুন সারের কাজ কি ? সার চেনার উপায়

ট্রাইকোডার্মা কি ও কাজ

Didi-Bhai-agrofarm-Equipment

ফোন- +91 77978 44240





Sunday, October 3, 2021

কাটিমন আম

ছাদ বাগান প্রশিক্ষণ ১০টি কাটিমন আম গাছ লাগান, সারাবছর আয় করুন =====≠============!==================



"কাটিমন”একটি থাই ভ্যারাইটির উন্নতমানের ১২ মাসি আম। যেটা যে কোন বারোমাসি আমের জাতের মধ্যে সেরা (স্বাদের দিক থেকে) দারুন মিষ্টি এবং আশ নেই বললেই চলে।এটি থাইল্যান্ড,ইন্দোনেশিয়া,মালায়েশিয়ায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।


কাটিমন আম এর বৈশিষ্ট্যঃ


কাটিমন আম বারোমাসি জাতের আম অর্থাৎ সারা বছরই ফল দিয়ে থাকে। বছরে তিন থেকে চারবার ফল প্রদান করে থাকে। 

নভেম্বর, ফেব্রুয়ারি ও মে মাসে গাছে মুকুল আসে এবং মার্চ-এপ্রিল, মে-জুন এবং জুলাই-আগস্ট মাসে ফল আহরণের উপযোগী হয়। আম গাছের একটি থোকার মধ্যে ৫-৬ টি আম থাকে। ফল লম্বাটে (লম্বায় ১১.৩ সেমি) এবং প্রতিটি আমের গড় ওজন ৩০০-৩৫০ গ্রাম।

কাঁচা আমের ত্বক হালকা সবুজ। আর পাকলে ত্বক হয় হলুদাভ সুবজ।


এই জাতের ৪-৫ বছর বয়সী গাছ থেকে প্রতিবার ৬০-৭০টি আম আহরণ করা যায়। এছাড়াও এই জাতের একটি গাছে বছরে প্রায় ৫০ কেজি পর্যন্ত আম হয়ে থাকে। কাটিমন আম এর এক বছর বয়সী গাছে আমের মুকুল আসে।


চাষের উপযুক্ত জমিঃ মাঝারী উঁচু জমি এবং দোআঁশ মাটি কাটিমন আম চাষের জন্য উপযোগী।


বংশবিস্তারঃ বীজের বা কলমের মাধ্যমে বংশবিস্তার করা যায়। বীজ থেকে চারা উৎপাদন করলে মাতৃগাছের মতো ফল পাওয়া যায় না। তাই কলমের মাধ্যমেই এই জাতের আমের চারা উৎপাদন ও বংশবিস্তার করা উত্তম।


আম পাকার সময়ঃ মে মাস আমের মৌসুম হওয়ায় এ মাসে আমের ফলন বেশি হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে আগস্ট মাসে, তৃতীয় পর্যায়ে নভেম্বর এবং চতুর্থ পর্যায়ে ফেব্রুয়ারি মাসে আম পাকবে।


সম্ভাবনাঃ আমের উচ্চফলনশীল এই জাতটি বাংলাদেশের সব এলাকায় চাষ উপযোগী। কাটিমন আম থেকে সারা বছর ফুল,ফল ও পাকা আম পাওয়া যায বিধায় ভবিষ্যতে এই জাতের আমের চাষ বাড়বে। এছাড়াও বাড়ির ছাদেও কাটিমন আম চাষ করা সম্ভব।


মুকুলসহ কাটিমন আমের চারাসহ যেকোনো দেশি-বিদেশি চারার জন্য যোগাযোগ করুন-০১৭৯৭৬৮২৭৬৭ (imo+what's up)


Friday, October 1, 2021

মেটে আলু

 


মেটে আলু।


বারি মেটে আলু-১ ও বারি মেটে আলু-২


বারি মেটে আলু-১ ও বারি মেটে আলু-২ নামে দুইটি (২) জাত অবমুক্ত হয়েছে টিসিআরএসসি, বগুড়া থেকে৷ সেই সাথে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এ নতুন একটি ফসল (কন্দাল) জাত এর অন্তর্ভূক্ত হলো।

মেটে আলু (মেটে আলু এছাড়া গাছ আলু, মাছ আলু, চুপরীআলু, পেস্তাআলু, লেসা আলু, মৌ আলু ইত্যাদি নামে পরিচিত) একটি প্রাচীন কন্দাল জাতীয় ফসল যা বাংলাদেশের প্রায় সব জেলাতে বসত বাড়ির আশেপাশে, বাড়ির চারদিকের বেড়ার পাশে, বড় বড় গাছের উপর এমনকি রাস্তার পাশে লাগাতে দেখা যায়। তবে দেশের কোনো কোনো এলাকায় যেমন যশোর, সাতক্ষীরা, নরসিংদী, কিশোরগন্ঞ্জসহ পাহাড়ী এলাকায় কিছু কিছু কৃষক মেটে আলু বানিজ্যিকভাবে চাষবাদ শুরু করেছে। এটি সবজী হিসাবে ব্যবহার হলেও এর পুষ্টি ও ঔষধীগুন বেশি গুরুত্বপুর্ণ। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন, মিনারেল, আমিষ ও শর্করা। এছাড়া মেটে আলু ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম ও আয়রনের খুবই ভাল উৎস। এটি কোষ্ঠকাটিন্য নিরাময়ে সহায়তা করে এছাড়া মেটে আলু প্যারাসাইট নিরাময়, গনোরিয়া, লেপ্রোসি, টিউমার, জ্বর এবং অর্শ্বরোগ এ জ্বালাপোড়া নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। মেটে আলুতে ডায়োসজেনিন নামক উপাদান থাকে যা মানুষের মস্তিস্ক ও স্মৃতিশক্তি সতেজ ও কর্মক্ষম রাখতে সহায়তা করে। মহিলাদের রজো:বন্ধ থেকে উপশোম দেয় মেটে আলু । তাছাড়া এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় ক্যানসার প্রতিরোধ করে। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, স্থুলতা, কোলন-ক্যান্সার, অন্তপ্রদাহ নিরাময়ে মেটে আলু কাজ করে বলে অনেক বিজ্ঞানী ধারনা করেন। ব্লাডসুগার (ডায়াবেটিক) নিয়ন্ত্রন ও রক্তে কোলেস্টোলের মাত্রা কমাতে এ আলু বিশেষ ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন দেশে মেটে আলু প্রাকৃতিক ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।


ধন্যবাদান্তে

Last post

ড্রাগন ফলের পরিচয়

  উৎপত্তি ও ভৌগলিক বিস্তৃতিসহ ড্রাগন ফলের পরিচয়     " ড্রাগন ফল " বা ড্রাগন ফ্রুট অসমৃদ্ধ এবং বিশেষ রূপের ফল , য...