আমিন
কৃষি পরামর্শ Group
কৃষি পরামর্শ , দৈনন্দিন বিজ্ঞান, টিপস & ট্রিকস, পুষ্টি ও স্বাস্থ্য বার্তা, পরামর্শ, পশু পালন ও খামারী, ফসলে রোগ বালাই, ফসল চাষ, ক্যারিয়ার ও জব, krishiporamorsho, Advances in Agriculture, blog
আমিন
কৃষি পরামর্শ Group
আমিন
কৃষি পরামর্শ Group
আমিন
কৃষি পরামর্শ Group
মেহেদিঃ
এর পাতা প্রাচীনকাল থেকে ত্বক, চুল, নখ, পশুর চামড়া ও পশম রঙিন করার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই উদ্ভিদের পাতার সাথে অন্যান্য দ্রব্য মিশিয়ে আধা-কৃত্রিম পদার্থ তৈরি করা হয়, সেটাও মেহেদি নামেই পরিচিত। মেহেদির নানা প্রকার ঔষধি গুণাগুণও রয়েছে ।
এছাড়াও হাত, পা ও নখ সাজাতেও মেহেদি পাতা ব্যবহার হয়ে থাকে। চুল ঘন হয়, চুলের গুড়া শক্ত করে, রুক্ষতা দূর করে, চুল রেশমী ও ঝরঝরে করে, মাথা ঠান্ডা রাখে, চুলের আগা ফাটা রোধ করে, খুশকি দূর করে, চুলের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে এবং সাদা চুল রং করে।
ব্রোঞ্জ যুগ থেকেই দুনিয়াবাসীরা রঞ্জক হিসেবে মেহেদি ব্যবহার করে আসছে। দুনিয়ার বহু দেশে এটি উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
বাংলাদেশ এবং ভারতে ঈদ ও বিয়ে উপলক্ষে এর ব্যবহার অনেকটা আবশ্যিকরূপে প্রচলিত। ভারতীয় আদালতে চুলের রঙ হিসেবে মেহেদির ব্যবহারের কথা উল্লেখ আছে ।
ছত্রাক-রোধী হিসেবেও মেহেদি কার্যকর। কাপড় ও চামড়া সংরক্ষণেও এর ব্যবহার হয়। মেহেদি ফুল থেকে সুগন্ধী তৈরি হতো বহু প্রাচীনকাল থেকেই, বর্তমান যুগে এর উৎপাদন আবার শুরু হয়েছে। পোকা দমনেও মেহেদি ব্যবহৃত হয়।
মেহেদি গাছের উপর কিছু গবেষণা করা হয়েছিল এবং দেখা গেছে যে এতে কিছু উপাদান রয়েছে যা শরীরের জন্য অ্যান্টিপাইরেটিক বৈশিষ্ট্য হিসাবে কাজ করে। আয়ুর্বেদ অনুসারে, যাদের জ্বর আছে তাদের পায়ে এবং হাতে তাজা মেহেদি পাতা ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে রাখা উচিত।
মেহেদির গুঁড়া পানিতে ভিজিয়ে এর পেস্ট চুলে লাগালে চুলে সঠিক পুষ্টি পাওয়া যায়, যা চুল পড়া কম করে এবং চুল নরম রাখে। দইয়ের সঙ্গে মেহেদি মিশিয়ে চুলে লাগালে আরও উপকার পাওয়া যায়। অন্যদিকে, সাদা চুল মেহেদি দিয়ে লাল রঙ করা যেতে পারে।
মেহেদিতে এমন কিছু কার্যকরী উপাদান পাওয়া যায়, যা অনেক ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ফাঙ্গাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। আপনার ত্বকে কোনো ক্ষত সংক্রমিত হয়ে থাকলে তাজা মেহেদি পাতা পিষে পেস্ট লাগাতে পারেন।
মেহেদি গাছের অনেক স্বাস্থ্যকর বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা শরীরে কার্যকরভাবে কাজ করে। কিছু ঐতিহ্যগত চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসারে, যদি মেহেদি গাছের রস বের করা হয় বা এর বীজ খাওয়া হয়, তবে এটি মাথাব্যথা এবং উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণগুলিকে অনেকাংশে কমাতে পারে ।
যাইহোক, মেহেদি থেকে প্রাপ্ত স্বাস্থ্য উপকারিতা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। কারণ একেকজনের শারীরিক প্রভাব একেক রকম, যার ওপর মেহেদির প্রভাবও একেক রকম।
মেহেদির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
মেহেদি এমন অনেক উপাদান রয়েছে, যা কিছু মানুষের শরীরে বিষাক্ত প্রভাব সৃষ্টি করে এবং এই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি দেখা দিতে শুরু করে-
অন্যদিকে, কিছু লোকের মেহেদি থেকে অ্যালার্জি হতে পারে এবং তাদের ত্বকের সংস্পর্শে আসার সাথে সাথে চুলকানি, জ্বালাপোড়া এবং লাল ফুসকুড়ি হতে শুরু করে।
কিভাবে মেহেদি ব্যবহার করবেন
মেহেদি নিম্নলিখিত উপায়ে ব্যবহার করা যেতে পারে:
যাইহোক, যদি আপনাকে মেহেদি গাছের রস খেতে হয়, তবে এটি করার আগে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করার জন্য কঠোরভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়।
আসলে ছাদ বাগান করা খুব সহজ।আগে খেয়াল করুন, চারা রোপনের পর ড্রেনেজ সিস্টেম ঠিক আছে কিনা!
পানির ইনপুট ও আউটপুট সঠিক হচ্ছে কিনা!
এখানে ভুল হলে গাছের ডাইজেস্ট প্রবলেম হয়।
এবার আসুন
পরিচর্যায়ঃ
ইকোম্যাক ২ মিলি+ মারগোসা ( নিম তৈল) ১ মিলি=১ লিঃ পানিতে মিশিয়ে স্প্রে দিন ৭ দিন পর পর, এতে করে পোকা, মাকড় ও মিলিবাগ দমন হবে। যদি কিনা শুরুতেই এটা ব্যবহার করেন,তবে গাছ নিরাপদ।
ট্রাইকোডার্মা পাউডার ১ লিঃ পানিতে ৫ গাঃ +সলুবোর বোরন ১ গাঃ একসাথে সকালে ভিজিয়ে বিকালে স্পে দিন ১৫ দিন পর পর স্পে দিন। এতে করে ছত্রাক দমন হবে ও ভিটামিনের চাহিদা পূরন করবে।গাছে ফলের গুটি থাকলে আটকে যাবে, ঝরে পড়বে না,পরবর্তী ১৫ দিন পর ট্রাইকোডার্মা ৫ গাঃ + চিলিটেড জিংক ১ গাঃ এক সাথে সকালে মিশিয়ে বিকালে স্পে দিন। এভাবেই ঘুরবে।
হিউমিনাল গোল্ড ১ লিঃ পানিতে ২ মিলি মিশিয়ে স্পে দিন ২০ দিন পর পর, এটা জৈব পিজিআর, জৈব উৎস হতে তৈরি, এটা গাছের বৃদ্ধিতে খুবই সহায়ক।
মাসে ১ বার বাম্পার স্পে দিন
এটা আপনার গাছের ঘাটতি খুজে বের করে, সেখানেই তার চাহিদা পূরন করবে,সাথে মাসে ১ বার বুস্টার টু ১ লিঃ পানিতে ১ ফোটা, পরাগায়নের সমস্যা নিয়ে আর কথা নয়। ৩ মাস পর পর গাছ প্রতি পরিমাণ মত কেঁচো সার, হাড়ের গুড়া, নিম খৈল দিন। গাছে কোন ব্যাধি আসবে না।
লেখা টি উৎসর্গ করলাম,প্রিয় সবুজ সাথী, আপনার জন্য।
ভাল থাকবেন আপনি, ভাল থাকবে আপনার ছাদবাগান,ভাল থাকবো আমরা সবাই। কথা হবে আবার সবুজে সবুজে।
আছছালামু আ'লাইকুম।গাছে এইরকম হলে ২ টি বিষয়ের দিকে খেয়াল দিতে হবে। ১ নাম্বারে গাছে কি পরিমাণ ভিটামিন আছে! গাছ যাতে তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পায় সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। ২ নাম্বারে গাছের কোকড়া ছাড়ানোর জন্য ছত্রাক নাশক+মাকড় নাশক + কীটনাশক পরিমাণ মতো স্প্রে করতে হবে।
আপনি যতই স্প্রে করেন লাভ নেই যদি গাছ বৃদ্ধির হার কমে যায়।
গাছে ভিটামিনের অভাব পূরণ করা,ছত্রাক নাশক+মাকড় নাশক + কীটনাশক স্প্রে করার কারণঃ
আপনি গাছে সবরকম বিষ দিয়েছেন গাছ সুস্থ কিন্তু গাছ যদি বৃদ্ধি না পায়, তাহলে আপনার গাছে ফল ধরবে কোথায়, যে ফুল থাকাকালীন গাছে কোকড়া ধরেছে ঐ ফুল গুলাতে ফল হবে না, ফল হলেও ভালো হবে না। নতুন কুশি বের হবে সেইগুলাতে সুস্থ ফুল- ফল হবে। নতুন কুশি বের করার জন্য গাছে সার/ভিটামিন দিতে হবে।
ছত্রাক নাশক গাছের কোকড়া ছাড়ায়।
মাকড় নাশক স্প্রে করা হয় যাতে মাকড়ে রোগটা আর না ছড়াতে পারে।
কীটনাশক দেওয়া হয় যাতে অন্যান্য পোকার মাধ্যমে এই রোগটা আর না ছড়ায়।
মোট কথা হলো স্প্রে করতে হবে আর গাছ যাতে তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পায় সেইদিকে খেয়াল দিতে হবে। শুকরিয়া।
ধানের আইলে সবজি চাষ
জনসংখ্যার তুলনায় আমাদের দেশ আয়তনে অনেক ছোট আবার পারিবারিক পৃথকীকরণের কারণে প্রতি বছর চাষের জমি ভাগ হচ্ছে এবং জমির মাঝখানে গড়ে উঠছে নতুন নতুন আইল। ফলে দিন দিন আইলের পরিমাণ বাড়ছে। অনেক আগের পরিসংখ্যানে জানা যায়, বাংলাদেশের সব আইলের আয়তন এক করলে প্রায় বৃহত্তর প্রাই বগুড়া জেলার সমান হবে।
কিন্তু এ আইলের প্রায় পুরোটাই অব্যবহূত পড়ে থাকে। কোনো উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহূত হয় না। কাজেই খাদ্যের অভাব পূরণে এবং সবজির চাহিদা মেটাতে এসব অব্যবহূত আইল সমূহ সবজি চাষের আওতায় আনা যায়।
আইলে যেসব সবজি চাষ করা যায়:
আইলে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করা যায়। তবে সাধারণত যে সব সবজি চাষ করা হয় তার মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হচ্ছে শিম জাতীয় সবজি (দেশি শিম, বরবটি ইত্যাদি), ঢেঁড়শ, লাউ, পুঁইশাক, গিমা কলমি, কাঁকরোল, টমেটো, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, কুমড়া, অড়হর, সরিষা ইত্যাদি। মাঝারী উঁচু এবং উচুঁ জমির আইলে সারা বছর এ সব সবজি চাষ করা যায়। এতে মূল ফসল যেমন- ধান ফসলের কোনো ক্ষতি হয় না, বরঞ্চ লাভই হয়। বর্তমান চট্টগ্রাম , বগুড়া এবং যশোর জেলার বিভিন্ন এলাকায় জমির আইলে সবজি চাষ করা হয়।
আইলে সবজি চাষের সময়:
প্রধান ফসল অর্থাৎ ধান ফসল রোপণ বা বপনের সাথে মিল রেখে আইলে সবজি বপন বা রোপণ করতে হবে।আমাদের যে সব জমিতে ধান চাষ হয় সে সব জমিতে একটু ইচ্ছা করলেই খুব ভালো ভাবে সবজি চাষ করা যায়। আমাদের পরিবারের চাইহদা মেটানো সম্ভাব এই চাষ করে । নিম্নে আলোচনা করা হলো ।
মাঝারী উঁচু এবং উঁচু জমির আইল সাধারণত সবজি চাষের জন্য নির্বাচন করতে হবে। বন্যা বা অতিবৃষ্টিতে ডুবে যায় এমন আইল সবজি চাষের জন্য উপযুক্ত নয়। প্রথমে আইলকে পরিস্কার করে মাটি কুপিয়ে ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। তারপর যেসব সবজি ছিটিয়ে বুনা হয় সেগুলোর বীজ আইলের উপর বপন করতে হবে। আর যেগুলো মাদায়/গর্তে রোপণ করা হয় সেগুলোর জন্য মাদা/গর্ত করতে হবে। ধানের বীজতলা তৈরির সাথে সাথে পলিব্যাগে সবজির চারা তৈরি করে নিতে হবে। জৈব ও অজৈব সার মিশিয়ে সুস্থ ও সবল চারা নির্দিষ্ট দূরত্বে রোপণ করতে হবে।
আইলকে সব সময় আগাছামুক্ত রাখতে হবে। মাঝে মাঝে নিড়ানি দিয়ে মাটি আলগা করে নিতে হবে। এতে মাটির রস অনেকদিন ধরে এবং অধিক উৎপাদন পাওয়া সম্ভব। প্রয়োজন অনুযায়ী অনুমোদিত মাত্রায় রাসায়নিক সার ব্যবহার করতে হবে। লতা জাতীয় সবজিতে জাংলা দিতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সবজিতে সেচ না দিলে আশানুরূপ ফলন নাও হতে পারে। আইলের সবজিতে বিভিন্ন ধরনের বালাইয়ের আক্রমণ দেখা দিতে পারে। সবজির এসব বালাইকে আইপিএম এর আলোকে দমন করতে হবে অথবা ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করতে হবে।সাধারণত যে সব সবজি চাষ করা যেতে পারে ফসলের আইলে লালশাক,মুলা ,লাউ ,মিষ্টি কুমড়া,চিচিঙ্গা,ঝিঙ্গা,পালন শাক,পুইশাক,ইত্যাদি।
এই চাষ করার জন্য দরকার নিজের ইচ্ছা শক্তি । কিছু সবজির বীজ বাজার থেকে ক্রয় করে বুনে বা লাগিয়ে দিলে ্হবে। আর একটু দেখ ভাল করা । আপনার ফসল ও হবে পাশাপাশি সবজি । সাধারণত বাজার থেকে ক্রয় করা সবজি সার বা ঔষধ দেওয়া থাকে কিন্তু আপনি যখন নিজে উপাদন করবেন তখন সেটা হবে অর্গার্নিক ।এখন আপনারি ইচ্ছা শক্তি।
ধন্যবাদ ভালো থাকবেন
শিমের ফুলের স্টিক/শীষ পচা রোগঃ
______________________________
শিমের রোগগুলোর মধ্যে শিমের ফুলের স্টিক বা শীষ পচা রোগ একটি মারাত্মক রোগ। এই রোগে অনেক সময় ফলন শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। বিভিন্ন ধরনের ছত্রাকনাশক দিয়েও তেমন আশানুরূপ কোন ফল পাওয়া যায় না। অনেক এলাকায় কীটনাসকের দোকানদ্বারগণও তেমন কোন সমাধান দিতে পারেন না।
এর কারন এই রোগটি সম্পর্কে তেমন কিছু জানা থাকে না।
শিমের ফুল যখন ফুটবে ঠিক তখন এর আক্রমণ হয়।
লক্ষণঃ ভেজা ভেজা দেখা যায়।হাত দিলে
আঠালো মনে হয়।চাপ দিলে রস বের হয়।পিচ্ছিল মনে হয়।
আক্রমণের স্থানঃ স্টিক বা শীষে যেখান থেকে
ফুল শুরু হয় ঠিক সেখান থেকে আক্রমণ করে।
সাদৃশ্যঃ ধানের শীষের নেক ব্লাস্ট।
কারনঃ আবওহাওয়া জনিত কারন।দিনে গরম রাতে ঠান্ডা।
রোগের নামঃ
___________
সাধারনত এনথ্রাকনোছ বলা হয়ে
থাকে। তবে এটিকে শিমের নেক ব্লাস্ট বলা উচিৎ। তাহলে যে কেউ রোগের নাম শুনলেই চিকিৎস্যা দিতে পারবে।
কেননা এনথ্রাকনোছের ওষুধ দিলে আক্রান্ত অংশ সুস্থ্য হলেও পুনরায় আক্রমণ হয়।
কিন্তু ধানের নেক ব্লাস্ট এ ব্যবহৃত ছত্রাকনাশক দিলে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
ধানের নেক ব্লাস্টে এমিস্টার টপ,কমবি২, এগুলা দিলে আক্রান্ত অংশ ভাল হয় তবে পুনরায় আক্রমণ করে। শিমের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা।
প্রতিকারঃ টেবুকোনাজল+ট্রাইফ্লক্সিস্ট্রবিন গ্রুপের ছত্রাকনাশক স্প্রে করলে প্রতিকার পাওয়া যায়। যেমনঃ ভেলিন,নাটিভো,বিঙ্গো ইত্যাদি।সাথে একটু কার্বান্ডাইজিম দিতে পারেন। তবে মেনকোজেব দিবেন।
ধানের নেক ব্লাস্টেও এই একই ওষুধ প্রয়োগ করবেন।
বিশেষ কথাঃ অনেকেই নিয়মিত শিম ক্ষেতে নাটিভো দেওয়াতে তাদের ক্ষেতে আক্রমণই হয়না। তাই তারা এই রোগ বিষয়ে জানেন-ই না।
আপনাদের কোন মতামত থাকলে আমাদের এসএমএস করে জানতে পারেন এবং তা সমাধান করার চেষ্টা আমরা করব
ফোন- +91 77978 44240
"কাটিমন”একটি থাই ভ্যারাইটির উন্নতমানের ১২ মাসি আম। যেটা যে কোন বারোমাসি আমের জাতের মধ্যে সেরা (স্বাদের দিক থেকে) দারুন মিষ্টি এবং আশ নেই বললেই চলে।এটি থাইল্যান্ড,ইন্দোনেশিয়া,মালায়েশিয়ায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।
কাটিমন আম এর বৈশিষ্ট্যঃ
কাটিমন আম বারোমাসি জাতের আম অর্থাৎ সারা বছরই ফল দিয়ে থাকে। বছরে তিন থেকে চারবার ফল প্রদান করে থাকে।
নভেম্বর, ফেব্রুয়ারি ও মে মাসে গাছে মুকুল আসে এবং মার্চ-এপ্রিল, মে-জুন এবং জুলাই-আগস্ট মাসে ফল আহরণের উপযোগী হয়। আম গাছের একটি থোকার মধ্যে ৫-৬ টি আম থাকে। ফল লম্বাটে (লম্বায় ১১.৩ সেমি) এবং প্রতিটি আমের গড় ওজন ৩০০-৩৫০ গ্রাম।
কাঁচা আমের ত্বক হালকা সবুজ। আর পাকলে ত্বক হয় হলুদাভ সুবজ।
এই জাতের ৪-৫ বছর বয়সী গাছ থেকে প্রতিবার ৬০-৭০টি আম আহরণ করা যায়। এছাড়াও এই জাতের একটি গাছে বছরে প্রায় ৫০ কেজি পর্যন্ত আম হয়ে থাকে। কাটিমন আম এর এক বছর বয়সী গাছে আমের মুকুল আসে।
চাষের উপযুক্ত জমিঃ মাঝারী উঁচু জমি এবং দোআঁশ মাটি কাটিমন আম চাষের জন্য উপযোগী।
বংশবিস্তারঃ বীজের বা কলমের মাধ্যমে বংশবিস্তার করা যায়। বীজ থেকে চারা উৎপাদন করলে মাতৃগাছের মতো ফল পাওয়া যায় না। তাই কলমের মাধ্যমেই এই জাতের আমের চারা উৎপাদন ও বংশবিস্তার করা উত্তম।
আম পাকার সময়ঃ মে মাস আমের মৌসুম হওয়ায় এ মাসে আমের ফলন বেশি হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে আগস্ট মাসে, তৃতীয় পর্যায়ে নভেম্বর এবং চতুর্থ পর্যায়ে ফেব্রুয়ারি মাসে আম পাকবে।
সম্ভাবনাঃ আমের উচ্চফলনশীল এই জাতটি বাংলাদেশের সব এলাকায় চাষ উপযোগী। কাটিমন আম থেকে সারা বছর ফুল,ফল ও পাকা আম পাওয়া যায বিধায় ভবিষ্যতে এই জাতের আমের চাষ বাড়বে। এছাড়াও বাড়ির ছাদেও কাটিমন আম চাষ করা সম্ভব।
মুকুলসহ কাটিমন আমের চারাসহ যেকোনো দেশি-বিদেশি চারার জন্য যোগাযোগ করুন-০১৭৯৭৬৮২৭৬৭ (imo+what's up)
উৎপত্তি ও ভৌগলিক বিস্তৃতিসহ ড্রাগন ফলের পরিচয় " ড্রাগন ফল " বা ড্রাগন ফ্রুট অসমৃদ্ধ এবং বিশেষ রূপের ফল , য...