Saturday, July 30, 2022

কুমড়া গোত্রীয় ফসলের বংশবিস্তার

 
কুমড়াগোত্রীয় ফসলের বংশবিস্তার

কুমড়া গোত্রীয় ফসলের বংশবিস্তার


সাধারণত যৌন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কুমড়াগোত্রীয় ফসলের বংশবিস্তার হয়ে থাকে। কিন্তু বেশির ভাগ কুমড়াগোত্রীয় ফসলের ফুল অসম্পূর্ণ হওয়ায় পরাগায়নের জন্য অন্য মাধ্যম যেমন কীটপতঙ্গের প্রয়োজন হয়। পরাগায়ন ঠিকমতো না হলে ফল শুকিয়ে পঁচে বা ঝরে গিয়ে প্রায় ৯৫% ফলন কমে যেতে পারে। তখন হাত পরাগায়নের মাধ্যমে কৃত্রিম উপায়ে পরাগায়ন করিয়ে দিতে হয়। এজন্য কুমড়াগোত্রীয় ফুল কখন ফোটে এবং হাত পরাগায়ন কখন করতে হয় সে বিষয়ে আমাদের জানা প্রয়োজন।

শসা

শসার পুরুষ ফুল ফোটা বা বন্ধ হওয়া দিনের আলোর দৈর্ঘ্যরে সাথে সম্পর্কযুক্ত। পুরুষ ফুল সাধারণত সকালে ফোটে এরং পরাগরেণু দুপুর ২.০০টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ কর্মক্ষম থাকে এবং বেলা বাড়ার সাথে সাথে নিস্ক্রিয় হতে থাকে। শশার স্ত্রীফুলও সকালে ফোটে তবে ফুল ফোটার ২ ঘণ্টার মধ্যে পরাগায়ন করতে হবে। কেননা গর্ভমুন্ডে খুব কম সময়ের জন্য কর্মক্ষম থাকে।


করলা

করলার ফুল ভোর ৪.০০টা থেকে সকাল ৭.৩০টা এর মধ্যে ফুটতে শুরু করে এবং সকাল ৬.০০ টা থেকে সকাল ৯.৫৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে ফুটে যায়। পুরুষ ফুলের পরাগধানী সকাল ৬.০০টা থেকে সকাল ৮.৫৫টা পর্যন্ত পরাগরেণু উন্মুক্ত করে। তাই সকাল ৬.০০টা থেকে সকাল ৯.০০টার মধ্যে করলার কৃত্রিম পরাগায়ন করতে হবে। গর্ভমুÐের ধারণক্ষমতা সাধারণত ফুল ফোটার ৮ ঘণ্টা আগে থেকে ফুল ফোটার ১২ ঘণ্টা পর পর্যন্ত সক্রিয় থাকে।

লাউ

লাউ ফসলের ফুল সকাল ৯.০০টা থেকে ফুটতে শুরু করে এবং বিকাল ৪.০০টা থেকে রাত ৮.০০টার মধ্যে সম্পূর্ণ ফুল প্রস্ফুটিত হয়। পরাগধানী সকাল ১১.০০টা থেকে ২.০০টার মধ্যে পরাগরেণু উন্মুক্ত করে। লাউ ফুল ফোটার পর অল্প সময় খোলা থাকে ফলে লাউয়ের পরাগায়ন বিকাল ৪.০০টা থেকে সন্ধ্যা ৭.০০টার মধ্যে করতে হবে।
আরেকটি সুস্বাদু ফল খরমুজের ফুল ফোটার সময় সকাল ৫.৩০টা থেকে সকাল ৬.৩০টা।পরাগধানী সাধারণত সকাল ৫.০০টা থেকে ৬.০০টার মধ্যে পরাগরেণু উন্মুক্ত করে এবং রেণু সকাল ৫.০০টা থেকে দুপুর ২.০০টা পর্যন্ত কর্মক্ষম থাকে। গর্ভমুÐের ধারণক্ষমতা ফুল ফোটার ২ ঘণ্টা আগে থেকে ৩ ঘণ্টা পর পর্যন্ত সক্রিয় থাকে। ফলে খরমুজের কৃত্রিম পরাগায়ন সকাল ৫.০০টা থেকে সকাল ৮.০০টার মধ্যে করতে হবে।

পটোল

পটোলের ফুল সাদা। পটোলের পুরুষ এবং স্ত্রী গাছ আলাদা। পটোল একটি উচ্চমাত্রার পর-পরাগায়ন ফসল। এজন্য স্ত্রী এবং পুরুষ গাছের অনুপাত হতে হবে ৯:১ অথবা ১০:১। পুরুষ ফুল স্ত্রী ফুলের ১৫ থেকে ২৯ দিন পর জন্মায়। তাই পুরুষ গাছ স্ত্রী গাছের চেয়ে ১৫-২০ দিন আগে রোপণ করতে হয়। পটোল ফুলের কৃত্রিম পরাগায়ন ভোর ৫.০০টা থেকে সকাল ৮.০০টার মধ্যে করতে হয়।

ঝিঙে

ঝিঙে ফুল বিকালের দিকে ফোটে। ফুল ফোটার সময় সাধারণত বিকাল ৫.০০টা থেকে রাত ৮.০০টার মধ্যে। পরাগধানী পরাগরেণু বিকাল ৫.০০টা থেকে ৮.০০টা এর মধ্যে উন্মুক্ত করে। পরাগরেণুর কর্মক্ষমতা ফুল ফোটার দিন সবচেয়ে বেশি থাকে এবং ২-৩ দিন পর্যন্ত এটা স্থায়ী হয়। গর্ভমুন্ডের ধারণক্ষমতা ফুল ফোটার ৬ ঘণ্টা আগে থেকে ফুল ফোটার ৮৪ ঘণ্টা পর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তবে ফুল ফোটার দিন বিকাল ৫.০০টা থেকে রাত ৮.০০টার মধ্যে ঝিঙে ফুলের পরাগায়ন করিয়ে দিতে হবে।

চিচিঙ্গা

সন্ধ্যা ৭.০০টা থেকে রাত ৮.০০টার মধ্যে ফুটতে শুরু করে চিচিঙ্গা ফুল এবং স্ত্রী ফুল ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে সম্পূর্ণ ফুটে যায়। পুরুষ ফুলের ফুটতে ১৯ মিনিট থেকে ৩৩ মিনিট সময় লাগে। বিকাল ৪.০০টা থেকে ৫.০০টার মধ্যে পরাগধানী ফাটতে শুরু করে এবং ৩ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ সন্ধ্যা ৭.০০টা থেকে রাত ৮.০০টার মধ্যে পরাগরেণু উন্মুক্ত হয়। চিচিঙ্গা ফুলের কৃত্রিম পরাগায়ন সকাল ৬.০০টা থেকে সকাল ৯.০০ টার মধ্যে করতে হবে।

কাঁকরোল

কাঁকরোলের পুরুষ এবং স্ত্রী ফুল আলাদা গাছে ধরে এবং পুরুষ গাছে কুড়ি ধারনের ১৫দিন পরে ফুল ফোটে এবং স্ত্রী গাছে ফোটে ১০ দিন পর। তাই পুরুষ গাছ আগে লাগাতে হয়। কাঁকরোল পুরুষ ফুল ভোর ৪.০০ টার সময় ফুটতে শুরু করে। স্ত্রী ফুল সকাল ৬.০০টা থেকে ৬.২০টার মধ্যে ফুটতে শুরু করে। সকাল ৫.০০টা থেকে ৬.০০টার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফুল ফোটে। ফুল ফোটার ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরাগায়ন করলে ৬৪% পর্যন্ত ফল ধারণ করে। ১২ ঘণ্টার উপরে গেলে ফল ধারণ ১৭% এর নিচে চলে আসে। এজন্য ফুল ফোটার সাথে সাথে পরাগায়ন করে দিতে হবে।

মিষ্টি কুমড়া

মিষ্টি কুমড়া ফুল ভোর ৩.০০টা থেকে ভোর ৪.০০টা পর্যন্ত ফুটতে শুরু করে এবং ভোর ৫.০০টা থেকে ৬.০০ টার মধ্যে সর্বোচ্চ ফুল ফোটে। ফুল সাধারণত ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট ফুটন্ত অবস্থায় থাকে। ফুটন্ত ফুল সকাল ৮.০০টা থেকে বন্ধ হওয়া শুরু করে এবং ১১.০০টার মধ্যে সম্পূর্ণ ফুল বন্ধ হয়ে যায়। এজন্য মিষ্টি কুমড়ার কৃত্রিম পরাগায়ন সকাল ৮.০০টার মধ্যে করতে হবে।


চাল কুমড়া

চাল কুমড়ার পুরুষ ফুল সাধারণত ভোর ৪.৩৩টা থেকে ভোর ৪.৪৫টা নাগাদ ফুটতে শুরু করে এবং ২০ মিনিট থেকে ৩০ মিনিট এর মধ্যে সম্পূর্ণ ফুল ফুটে যায়। স্ত্রী ফুল ভোর ৪.২০টা থেকে ভোর ৪.৩০টা নাগাদ ফুটতে শুরু করে এবং ২০ মিনিট থেকে ২৫ মিনিট এর মধ্যে সম্পূর্ণ ফুল ফুটে যায়। পরাগধানী সাধারণত রাত ১.৪৫টা থেকে ২.৪০টা এর মধ্যে ফাটতে শুরু করে এবং গর্ভমুন্ডের ধারণক্ষমতা ফুল ফোটার ৬ ঘণ্টা আগে থেকে শুরু করে ১৬ ঘণ্টা পর পর্যন্ত সক্রিয় থাকে। পরাগরেণু ফুল ফোটার ২০ ঘণ্টা পর পর্যন্ত সজীব থাকে। চাল কুমড়ার কৃত্রিম পরাগায়ন সকাল ৯.০০টার মধ্যে করতে হয়।

তবে কৃত্রিম পরাগায়নের ক্ষেত্রে যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে সেটি হচ্ছে পুরুষ এবং স্ত্রী ফুল দুটি যেন একই সময় ফুটেছে এমন ফুল নির্বাচন করা হয়। বড় ক্ষেত হলে স্প্রে মেশিনে পানি নিয়ে পরাগরেণু মিশিয়ে স্প্রে করা অথবা ড্রপার দিয়ে ফুলে পানির ফোটা দেয়া। তাহলে ফল ধারণ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া যদি ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম পাথুরে চুন এবং ৩ গ্রাম বোরন সার মিশিয়ে পরপর ৩ দিন বিকালে গাছের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত সম্পূর্ণ ভিজিয়ে দেয়া হয় তাহলে পুরুষ ফুলের সংখ্যা কমে যাবে স্ত্রী ফুলের সংখ্যা বেড়ে যাবে এবং ফলন বৃদ্ধি পাবে।

কাজেই আমরা যদি সঠিক সময় নির্ধারণ করে কুমড়াগোত্রের ফসলগুলোর কৃত্রিম পরাগায়ন করতে পারি তাহলে অধিক ফলন পাবো এবং আর্থিকভাবে আমাদের কৃষক ভাইয়েরা লাভবান হবেন।



Friday, July 22, 2022

সেলস, টেরিটরি, মার্কেটিং, প্রমোশন অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব্য


সেলস, টেরিটরি, মার্কেটিং, প্রমোশন অফিসারের  দায়িত্ব ও কর্তব্য

সেলস, টেরিটরি, মার্কেটিং, প্রমোশন অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব্য


 * মাসিক সভায় যোগ দেওয়।

* গ্রাহক এবং ডিলারদের সাথে নিয়োমিত যোগাযোগ করা।

* গ্রাহক এবং ডিলারের সাথে সু-সম্পর্ক বজায রাখা।

* গ্রাহক এবং ডিলারের একটি শক্তিশালী ডেটা বেস তৈরি করা।

* বসের কাছে বিভিন্ন দৈনিক ও মাসিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া।

* বিপণন কৌশল বাড়াতে অবদান রাখা।

* ব্র্যান্ড বাড়াতে বিপণন কার্যক্রম বা ইভেন্ট গুলির সংগঠিত করা এবং অংশগ্রহণ করা।

* কোম্পানির বিক্রয় কার্যক্রম, পরিকল্পনা এবং পদ্ধতি সম্পাদন করা।



* পণ্য প্রচার, মিটিং, ডেমো, কৃষক পরিদর্শন, মাঠ পরিদর্শন এবং বাজার ব্যবস্থা উন্নত করতে বিপণন দলকে সহায়তা করা।

* বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং পাশাপাশি একটি নতুন লক্ষ্য তৈরি করা।

* পণ্য জ্ঞান এবং বিক্রয় কৌশল সম্পর্কে আপডেট রাখা।

* ম্যানেজমেন্টের বা বসের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের অন্য কোন কার্যক্রম করা।

* বসের সাথে সর্বদা যোগাযোগ রাখা ।

* যে কোন প্রয়োজনে আগে রিপোটিং বসকে বলা।

Monday, July 18, 2022

ছত্রাকজনিত রোগ

ভাইরাল রোগ


ভাইরাল রোগ

এফিডগুলি বিন কমন মোজাইক ভাইরাস (বিসিএমভি), বিন কমন মোজাইক নেক্রোসিস ভাইরাস (বিসিএমএনভি), এবং বিন ইয়েলো মোজাইক ভাইরাস (বিওয়াইএমভি) বহন করে, যা বীজের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হতে পারে। BCMV বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে। গাঢ় এবং হালকা সবুজ নিদর্শন flecked সঙ্গে পাতা; পাতা বিকৃত হতে পারে; পাতায় হলুদ দাগ দেখা যেতে পারে; গাছের বৃদ্ধি মন্থর হতে পারে। ভাইরাসটি সারা বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন ফসল, শোভাময় এবং আগাছায় পাওয়া যায়।


ছত্রাকজনিত রোগ

সারকোস্পোরা পাতার দাগ

Cercospora Leaf Spot সারকোস্পোরা sp জীব দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটি গাছের নীচের পাতায় অমসৃণ, ট্যান বিন্দু হিসাবে প্রদর্শিত হয়। অত্যধিক পাতা ঝরা এবং গাছের ক্ষয় একটি গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ। দীর্ঘায়িত বৃষ্টি, উচ্চ আর্দ্রতা এবং 75 থেকে 85 ফারেনহাইট তাপমাত্রার কারণে সংক্রমণ আরও খারাপ হয়। রোগমুক্ত বীজ দিয়ে রোপণ করা উচিত। ফসল কাটার পরে, বাগান থেকে সমস্ত আবর্জনা সরিয়ে ফেলুন। দুই থেকে তিন বছরের জন্য, একই জায়গায় শিম লাগাবেন না। বাড়ির বাগানে, এই রোগের জন্য কোন প্রতিরোধী প্রকার বা সুপারিশকৃত রাসায়নিক নেই

Friday, July 8, 2022

মাছের ফুলকা পঁচা রোগ

 

মাছের ফুলকা পঁচা রোগ


মাছের ফুলকা পঁচা রোগ


আক্রান্ত মাছ: কার্প জাতীয় মাছ। পোনা মাছে এ রোগ বেশি দেখা দেয়।



রোগের কারণ:* সাধারণত গ্রীষ্মকালে পুকুরের পানি কমে গেলে ব্রস্কিওমাইসিস নামে এক জাতীয় ছত্রাক মাছের ফুলকায় বাসা বাঁধে এবং রক্তবাহী শিরাগুলি বন্ধ করে দেয়।

* পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে এ রোগ দেখা দেয়।

* অধিক ঘনত্ব, তলদেশে জৈব পদার্থ জমা হওয়ায় দূষণের ফলে এ রোগ হয়।


রোগের লক্ষণ: 

* রক্ত জমাট হয়ে ফুলকা ফুলে যায়।

* ফুলকা চিরুনির উপর লাল ছিট ছিট দাগ দেখা যায়। পরবর্তীকালে এগুলি ঈষৎ ধূসর সাদা রঙের এবং ফুলকার গোড়ার হাড়টুকু বাদ দিয়ে পুরো ফুলকাটি খসে পড়ে।

* অনেক তরল পদার্থ বের হওয়া।

* মাছের শ্বাস কষ্ট হওয়া* শরীরের মিউকাস কমে যাওয়া।

* স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য থাকে না।* রক্তশূন্যতা এবং রং ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া।



প্রতিরোধ ও প্রতিকার:

* পুকুরের পানি দ্রুত পরিবর্তন করা ও সার ও খাবারের পরিমান কমিয়ে দেওয়া সেই সাথে লক্ষ্য রাখবেন যেন পুকুরে কোন জৈব পদার্থ জমতে না পারে ।

* ২.৫% লবণ পানিতে বা ৫ পিপিম পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দ্রবণে আক্রান্ত মাছকে ১ ঘণ্টা গোসল করাতে হবে।

* প্রতি কেজি খাবারের সঙ্গে ১-২ গ্রাম অক্সিটেট্রাসাইক্লিন মিশিয়ে ৫-৭ দিন খাওয়াতে হবে।

* শতাংশে ৫০০ গ্রাম হারে পাথুরে চুন পুকুরে প্রয়োগ করে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

বিস্তারিত জানার জন্য আপনার নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য দপ্তরে যোগাযোগ করুন।

Saturday, July 2, 2022

চাল


 

চাল

বর্তমানে আমাদের অসংখ্য রোগের নেপথ্য কারন চাল। সবাইকে ভাত কম খেতে বলা হয়, ডায়াবেটিস হলে খুবই কম খেতে বলা হয়। আমাদের পূর্বপুরুষদের প্রধান খাদ্য ছিল ভাত কিন্তু তারা আমাদের মতো বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতো না। তাই আজকের আলোচনা চাল নিয়ে।

চালে প্রায় ১২% জল, ৭৫-৮০% কার্বোহাইড্রেট, ৪ থেকে ৯% প্রোটিন এবং প্রায় ০.২ থেকে ০.৯% ফ্যাট থাকে।

চালের উপরের স্তরে ফাইবার, ভিটামিন, পলিফেনল, মিনারেল, অ্যান্টি_নিউট্রিয়েন্ট প্রভৃতি থাকে। চালে ফাইবার প্রায় শূন্য ( বাজারের সাধারণ চাল) থেকে শুরু করে ১.৬ % ( ব্রাউন রাইস) পর্যন্ত হতে পারে। এই স্তরেই প্রোটিন ও ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে। চালের যতো ভিতরে যাওয়া যায় ততই প্রোটিন ও ফ্যাটের পরিমাণ কমে এবং কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বাড়ে।

এখন চালের গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স নিয়ে আলোচনা করা যাক। চালের গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স মাত্র ৩৯ থেকে শুরু করে ৮৪ ও হতে পারে। চালের কার্বোহাইড্রেটের স্টার্চ দুই রকমের অ্যামাইলোজ ও অ্যামাইলোপেকটিন। চালের গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স এই অ্যামাইলোজের উপর নির্ভরশীল, অ্যামাইলোজ বাড়লে গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স কম হয়। চালে অ্যামাইলোজ ২% ( স্টিকি বা আঠালো ভাত) থেকে ২৭% পর্যন্ত হতে পারে। তাই যে ভাত ঝরঝরে তার গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স কম হয়। যে চালে অ্যামাইলোজ বেশি থাকে সেগুলো সাধারণত লম্বা হয় কিন্তু সর্বদা সঠিক নয়।



ধান সিদ্ধ করলে ফাইবারের স্তর থেকে মিনারেল, ভিটামিন, পলিফেনল, লিপিড ( ফ্যাট) প্রভৃতি চালের ভিতরের দিকে চলে যায় অর্থাৎ চালের পুষ্টিগুণ বাড়ে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে অ্যামাইলোজ ও লিপিডের বন্ধনের ফলে গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স অনেক কম হয়ে যায়। এছাড়াও ধান সিদ্ধ করার জন্য ক্ষতিকর অ্যান্টি নিউট্রিয়েন্ট কিছুটা কমে যায়। তাই আতপ চালের তুলনায় সিদ্ধ চাল অনেক ভালো। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হয়ে সিদ্ধ করার আগে ধানকে কমপক্ষে ২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে যাতে জল ধানের একদম ভিতরের স্তরেও পৌঁছাতে পারে।

যেকোন বীজকে জার্মিনেশন করলে তাতে অ্যান্টি নিউট্রিয়েন্ট একদম কমে যায় এবং কিছু উপকারী যৌগ তৈরি হয়। তাই যদি ধানকে জার্মিনেশনে রেখে কল বের হওয়া শুরু হতেই সিদ্ধ করা হয় তাহলে খুবই ভালো হয়।

চালে ফাইবারের পরিমাণ বাড়লে গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স কম হয়। এছাড়াও পলিফেনল, ভিটামিন, প্রোটিন, ফ্যাট, মিনারেলস আমাদের আমাদের শরীরের জন্য খুবই জরুরি। তবে এইসবের পরিমাণ অনান্য খাদ্যশস্যের তুলনায় কম। জৈব পদ্ধতিতে চাষ করলে চালের মধ্যে এইসব উপাদান বৃদ্ধি পায় এবং আর্সেনিকের পরিমাণ কম হয়।

ছোটবেলায় একজনের কাছে ভাতের বর্ণনা শুনেছিলাম -- "গাবের বীচির মতো শক্ত, ঝরঝরে ও একবার খেলে সারাদিন খিদে পায় না "। এর অর্থ হচ্ছে এই চালের গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স খুবই কম।
তাই সবচেয়ে ভালো চাল হচ্ছে যাতে অ্যামাইলোজ বেশি আছে ( অর্থাৎ ঝরঝরে ভাত, বিন্দুমাত্র আঠালো নয়), ফুল ফাইবার, উপরে লেখা জার্মিনেশন পদ্ধতি অনুসরণ করা ও সিদ্ধ চাল।



এছাড়াও ভাত বানানোর পরে ফ্রিজে রেখে বা এমনিই ঠান্ডা করলে গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স কম হয়।
এই ধরনের চাল ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারে। তবে চালের পুষ্টিগুণ সমস্ত খাদ্যশস্যের মধ্যে কম তাই অনান্য ধরনের খাদ্যশষ্যও গ্রহণ করা উচিত। বর্তমানে ডায়াবেটিস এর একটা অন্যতম কারন গমের গ্লুটেন ( কালো গমে গ্লুটেন নেই) । তাই এই ধরনের চাল, বিভিন্ন মিলেট ও কালো গম লোকজন খেলে শরীর ভালো থাকবে। উপরে লেখা পদ্ধতি অনুসারে তৈরি করা বাসমতী চালের গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স বিভিন্ন চালের মধ্যে সবচেয়ে কম।

বাংলার অন্যতম সমস্যা ভূগর্ভস্থ জলের ব্যবহারের কারনে জমির মাটিতে বছরের পর বছর আর্সেনিক জমা হওয়া এবং সেটা বিভিন্ন ফসলের মাধ্যমে শরীরে ঢোকা। যেহেতু ফাইবারের স্তরে আর্সেনিক সবচেয়ে বেশি থাকা তাই এইসব অঞ্চলে উৎপাদিত ধানের চালে ফাইবার রাখলে সেটা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই বর্ষাকাল ছাড়া সর্বত্র ধানচাষ নিষিদ্ধ করাই একমাত্র উপায়।


Rashed Hasan

Jhenida, Dhaka, Bangladesh


Thursday, June 30, 2022

সার প্রয়োগের কিছু সাধারণ নীতি

 

সার প্রয়োগের কিছু সাধারণ নীতি


সার প্রয়োগের কিছু সাধারণ নীতি

বীজ, নতুন শিকড় ও গুল্ম জাতীয় গাছের কা-ের অতি সন্নিকটে বা কোনো ভেজা কচি পাতার ওপর রাসায়নিক সার ব্যবহার করা মোটেই উচিত নয়। রাসায়নিক সারগুলো এক ধরনের ঘনীভূত লবণ বিধায় এগুলো গাছের নাজুক সব বাড়ন্ত অংশকে পুড়িয়ে দিতে পারে। সার যত দূর সম্ভব ভালোভাবে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। ইউরিয়া সার জমিতে দাঁড়িয়ে থাকা গভীর পানিতে প্রয়োগ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, জিঙ্ক ও ফসফেট সার একত্রে মিশিয়ে প্রয়োগ করা উচিত নয়। কেননা এসব সারের উপাদানগুলো একে অপরের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে যায় এবং ফসল তা গ্রহণ করতে পারে না। জৈব সার ফসল বপন/রোপণের কমপক্ষে ৭-১০ দিন পরে জমিতে ধানের চারা রোপণ করতে হবে। সবুজ সার হিসেবে ধৈঞ্চা মাটিতে মিশানোর কমপক্ষে ৭ দিন পর ধানের চারা রোপণ করতে হবে। গৌণ উপাদানের (গাছের জন্য যে খাদ্যোপাদান কম প্রয়োজন যেমন জিংক, বোরন, ম্যাঙ্গানিজ এসব) দ্রবণ পাতায় ছিটিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে (বিশেষ করে উদ্যান ফসলের ক্ষেত্রে)। সাধারণ ইউরিয়ার পরিবর্তে গুটি ইউরিয়া ব্যবহার করলে শতকরা ১৫-২০ ভাগ বেশি ফসল পাওয়া যায় এবং পরিমাণে শতকরা ৩০ ভাগ কম লাগে। তাছাড়া গুটি ইউরিয়া মৌসুমে একবার ব্যবহার করতে হয়।


জমিতে তিন পদ্ধতিতে সার প্রয়োগ করা হয়। হাতে ছিটানো, স্থানীয় প্রয়োগ এবং পাতায় বা পল্লব গুচ্ছে সিঞ্চন/ছিটিয়ে দেয়া। হাতে ছিটানো পদ্ধতি সাধারণত মাঠ ফসলে এবং স্থানীয় প্রয়োগ সাধারণত ফল বাগান ও সবজিতে করা হয়। রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলপ্রসূতা বাড়ানোর জন্য ফসল ও মৌসুমের ওপর ভিত্তি করে সার ব্যবহারের সাধারণ নির্দেশাবলি অনুসরণ করা উচিত।

ধান চাষের বেলায় ইউরিয়া ০৩ অংশে ভাগ করে প্রয়োগ করা উচিত। শাকসবজি চাষের বেলায় ফসলের বৃদ্ধির পর্যায়ের সঙ্গে সমন্বয় করে ইউরিয়া ২-৩ ভাগে ভাগ করে প্রয়োগ করা যায়। স্বল্পমেয়াদি ফসলের ক্ষেত্রে ইউরিয়া সারের পুরোমাত্রা শেষ চাষের সময়েই প্রয়োগ করা যায়। অধিকাংশ মশলার ক্ষেত্রে ইউরিয়া সার ২-৩ ভাগে ভাগ করে প্রয়োগ করতে হবে। ভেজা মাটি অথবা জো আসা মাটিতে পড়ন্ত বিকালে ইউরিয়া উপরিপ্রয়োগ করে উত্তমরূপে মিশিয়ে দিলে সর্বাধিক সুফল পাওয়া যায়।



ফসফেট সার জমি তৈরির সময় শেষ চাষের ২/১ দিন আগে প্রয়োগ করা উচিত এবং দস্তা সারও শেষ চাষের সময় প্রয়োগ করতে হবে। জমি তৈরির শেষ চাষে পটাশ ও গন্ধক জাতীয় সারগুলো একবারে প্রয়োগ করা চলে। তবে মোটা বুনটযুক্ত মাটিতে পটাশ সার দুইভাগে ভাগ করে ব্যবহার করা যায়।

Friday, June 24, 2022

Brown Plant Hopper (BPH): বাদামি গাছ ফড়িং

 Brown Plant Hopper (BPH): বাদামি গাছ ফড়িং


Phylum: Arthropoda.
Class. : Insecta.
Order. : Hemiptera.
Family.: Delphacidae.
Genus.: Nilaparvata
Species: N. Lugens
Distribution:It is found in most of the rice track of Bangladesh.
Marks of identification: Adults are ochraceous brown in colour dorsally and deep brown ventrally. Females are larger (5 to 6mm). Than the males (4 to5 mm). The females are dimorphic. Fully winged macropterous and truncated winged brachypterous.
Nature of damage: All the stages of paddy are attacked by this pest. Generally the pest clusters at the base of the plant and feed on the plant sap due to which the plant firstly turns yellow and later on dry up. In the initial stages of infestation round yellow patches on the plant are seen which soon turns brownish due to drying up on the plants. This disease is called us Hopper burn. Which spreads over the entire field. The loss done by this pest is of serious magnitude and sometime cent percent crop is destroyed.
Life History: Compilation lakes place just after the emergence and female starts laying eggs from very next day. The eggs in bunches of 3-10, are thrust within the tissues of the plant.
Along with mid region of the leaf sheath and mid rib of leaves. The average number of eggs laid by a female various between 200-250. The eggs are white elongated and looks like a curved club. They hatch in about 8-10 days. The nymph undergoes five instars within a period of 15-20 days. The total life cycle is completed in about 20-25 days. Which various in the two sixes. The life span of male is 15-20 days and that of female is in 15-30 days. The optimum temperature and humidity for the development and survival of nymph is around 30'c & 70- 80% respectively.
Cultural method: 1. Draining out of water from the infested field is quite effective measure in controlling the pest.
2. Use of resistant variants can also minimize the pest infection.

Thursday, June 23, 2022

বেগুনের ফল ছিদ্রকারী পোকা


 বেগুনের ফল ছিদ্রকারী পোকা-Brinjal shoot and


Z fruit borer.

Phylum- Arthropoda.
Class - Insecta.
Order- Lepidoptera.
Family- Pyraustidae.
Genus- Leucinodes.
Species- Leucinodes Orbonalis.
Distribution: In Bangladesh this pest enjoy a country wide distribution. Besides Bangladesh it is also found in India, srilanka, Burma, Malaysia, congo, and south Africa.
Food plants and nature of damage: It is the most important and destructive pest of brinjal in Bangladesh. Sometimes it also seriously infests potatoes. Damage to the plant is caused mainly by the larvae. Which bores through the terminal part of the mid rib of large leaves and tender shoot to cause 'dead hearts'
Later on it also enters into flower buds and fruits. It plugs the entry hole by its excreta. The infested terminal shoots and fruits ultimately drop out. The pest can caused 70 to100% damage to the brinjal crops and up to 40% damage to the potato crops.
Marks of identification: The adult is greyish- brown moth with white wings. The fore and hind wings are provided with marginal hairs and bears pinkish - brown spots. The adult size is 20mm across the spread wings.
Life cycle: The adult female, after copulation, lay about lay about 250 eggs are laid singly on the surface of the tender leaves. Shoot or fruits of the host plant during March April. The eggs are white and flat in appearance.
Within 3to5 days larvae hatches out from the eggs. The larvae enters the plant tissues immediately after their hatching and after five moultings. It become fully makned the fully growth larvae is stout pink coloured with brown head.
Advertisements: The body bears wart all over the body through which hairs protrudes out. Larval period last for about 10-15 days. The matured larva comes out of the host tissues and forms pupa among the fallen leaves or on the surface of stem and fruits of the host plant.
Pupation occurs inside a grey. Tough cocoon the pupal stage lasts for 6to 8 days. After which adult appears. The adult moths live for two to five days.
There are five overlapping generations in their active please in a year. During winter the larvae hibernates inside the soil.

Saturday, June 18, 2022

একটি দেশি গরু

 


বাছুর সহ একটি দেশি গরু


আজ থেকে প্রায় ৬/৭ বছর আগে আব্বা বাজার থেকে একটি দেশি গরু৩৪ হাজার টাকায় কিনেছিল।

বাড়িতে নিয়ে আসার পর বুঝতে পারি বাছুরটি অন্ধ।

অন্ধ বলে সবাই বাছুরটাকে খুব আদরযত্ন করতো,যেহেতু চোখে দেখে না। বাড়ির সবাই দেখে দেখে রাখতো।তার উপর ছিল পানিতে পড়ার ভয়।(কয়েকবার পরে ও ছিল)

আস্তে আস্তে সেই বাছুরটি বড় হতে লাগলো। একসময় 

আব্বা সিদ্ধান্ত নিলো এটা বিক্রি করে দিবে।

অন্ধ বলে সবাই দাম কম বলতো,

আর অন্ধত্বের কারনে কুরবানিতে ও কাজে লাগানো যাচ্ছিলো না।



পরে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে হিটে আসার পর বীজ দিয়ে দিলো।

প্রথম বছর;শাহিওয়াল

দ্বিতীয় বছর;হলেস্টিন ফ্রিজিয়ান

তৃতীয় বছর ও হলেস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের তিনটি বাছুর এই অন্ধ গরুটি জন্ম দিয়েছে।

তৃতীয় বছরের, হলেস্টিন ফ্রিজিয়ান বাছুরটি ছিল একটু অন্যরকম।

বাছুরটির বয়স যখন মাত্র ৩/৪ মাস তখন থেকেই এটার কাছে কাউকে যেতে দিতো না। খালি ঢুসা দিতো।

গলায় হাত বুলিয়ে আদর করলে ও শান্ত থাকতো না।

শুধু মাত্র আমার আম্মার সাথে শান্ত থাকতো। 


একবার ছুটে গেলে ধরতে গেলে ঘাম ঝরিয়ে দিতো, এত পাগলা ছিল।

বয়সের ব্যবধানে অনেক বড়/স্বাস্থ্যবান হয়ে গিয়েছিল।

(শুধুমাত্র ভাতের মার, কাচা ঘাস, খড়,মাঝে মাঝে পানির সাথে সামান্য ভূষি দেয়া হতো)



দেখতে দেখতে বাছুরটির বয়স ৮ মাস হয়ে গেলো।

এবার, একজন আমার আব্বাকে বললো, বাছুরটিকে কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ানোর জন্য। 

উনার কথায় বাজারের একজন পশু ডাক্তার থেকে একটি কৃমির ট্যাবলেট নিয়ে বাছুরটিকে খাওয়ালো।

😓😓😓😓

ট্যাবলেট খাওয়ানোর পরদিন থেকেই বাছুরটি খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিতে লাগলো।

২/৩ দিন পর আস্তে আস্তে শুকাতে লাগলো।

পশু ডাক্তারকে দেখিয়ে ইনজেকশন+ঔষধ খাওয়াতে লাগলো। 

১০/১২ দিনের মাথায় বাছুরটি ওঠাবসা বন্ধ করে দিলো প্রায়। 

শরির শুকিয়ে এমন অবস্থা হয়ে গিয়েছিল যে,............লিখে বুঝাতে পারবো না 😭😭😭




২০/২২ দিনের মাথায় আবার নতুন সরকারি ডাক্তারকে নিয়ে আসলো।

সকালবেলা ডাক্তার এসে কিছুক্ষন দেখে ৩ টা ইনজেকশন করলো।

প্রথমটা করার পর পা গুলো টানা দিয়ে জিবটা বের কেমন যেন করলো। 

ডাক্তার ঔষধ লিখে চলে যাওয়ার ২০ মিনিট পর গরুটিকে একপাশ থেকে অন্যপাশে করতে গিয়ে দেখি নড়াচড়া একেবারে বন্ধ।

নিশ্চিত হলাম সে আর বেচে নেই।


এটা থেকে একটা জিনিস শিখতে পারলাম,

ক্ষমতা চিরদিন থাকে না।আজকে আমার সবকিছু করার ক্ষমতা আছে, আগামীকাল না ও থাকতে পারে।

যে বাছুরটির সামনে...........

Thursday, June 16, 2022

অপকারী পোকা প্রধান রোগ সমুহ

 


♥প্রধান অপকারী পোকা:

-১.হলুদ মাজরা পোকা
২.কালো মাথা মাজরা পোকা
৩. গোলাপী মাজরা পোকা
৪.নলি মাছি
৫.পামরী পোকা
৬.পাতা মোড়ানো পোকা
৭.চুংগি পোকা
৮.লেদা পোকা
৯.ঘাসফড়িং
১০.মাছি পোকা
১১.লম্বাশুড় উড়চুংগা
১২.সবুজ পাতা ফড়িং
১৩.আকাবাকা পাতা ফড়িং
১৪.থ্রিপস
১৫.বাদামি পাতা ফড়িং
১৬.সাদা পিঠ গাছ ফড়িং
১৭. মিলিবাগ
১৮.গান্ধী পোকা
১৯.ধানের শীষ কাটা লেদা পোকা।

♥ধানের প্রধান রোগ সমুহ:

♠ছত্রাকজনিত-
১.সীথ ব্লাইট
২.ব্লাস্ট
৩.সীথ রট/খোল পচা
৪.লীফ স্কল্ড/পাতা ফোস্কা
৫.স্টেম রট/কান্ড পচা
৬.ব্রাউন স্পট /বাদামি দাগ
৭.বাকানী
♥

ব্যাক্টেরিয়া জনিত:

১.ব্যাক্টেরিয়াল ব্লাইট
♥

ভাইরাস জনিত:

১.টুংরো
♥

নেমাটড জনিত:

১উফরা।
♥

অপ্রধান রোগ সমুহ :

১.সীডলিং ব্লাইট
২.ড্যাম্পিং অফ
৩.সিথ স্পট
৪.ক্রাউন সিথরট
৫.সিথ ব্লচ
৬.এগ্রিগেট সিথ ব্লচ
৭.স্ট্যাক বান
৮.ফলস স্মাট / লক্ষীর গু
৯.ন্যারো ব্রাউন / লিফ স্পট
১০.লিফ স্নাট
১১.ক্ষুদ্র পাতার দাগ
১২.লিফ স্পট
১৩. দানার লাল ব্লচ
১৪.কানেল স্মাট।

ব্যাক্টেরিয়াল জনিত অপ্রধান রোগ:-

১.ব্যাক্টেরিয়াল লিফ স্টিক
২.স্টক রট

মাইক্রোপ্লাজমা জনিত

নেমাটড জনিত:

১.রুটনট
২.হোয়াইট টিপ/ সাদা আগা
৩.মুল পচা
৪.স্টান্ট/ বোট।
♣

ধান গাছের প্রধান ২০ টি আগাছা :

১.ক্ষুদে শ্যামা
২.দুরবা
৩.মুথা
৪.চাপড়া
৫.কাকপায়া ঘাস
৬.আগুলী ঘাস
৭.কেশটি
৮.কাটানটে
৯.উলু
১০.কানাইবালা
১১.শ্যামা
১২.গইচা
১৩.পানি মরিচ
১৪.ঝিল মরিচ
১৫.পানি লং
১৬.বড় চুচা
১৭.বড় জাভানী
১৮.চেচড়া
১৯.আরাইল
২০.হলদে মুথা
আরো আছে কচুরিপানা, টোপাপানা, কলমিলতা, শাপলা, ভাতসোলা ইত্যাদি।
♥

সবজি পোকা মাকড় ও রোগবালাই:

অপকারী পোকা:-১৮৩প্রজাতির মধ্যে ২৮ প্রজাতি প্রধান।
♥

অপকারী পোকা:-

১.ফল ও ডগা ছিদ্রকারী পোকা
২.সাদা মাছি
৩.ডায়মন্ড ব্যাক মথ
৪.এফিড/জাবপোকা
৫.পাতা মোড়ানো পোকা
৬.জ্যাসিড/শ্যামা পোকা
৭.কালো মাছি
৮.রেড পাম্পকিন বিটল
৯.এপিলাকানা বিটল
১০কাটুই পোকা
১১.মিলিবাগ /ছাতরা
১২.ওয়েব ওয়াম
১৩.পাতা সুড়ঙ্গ কারী
১৪.ক্ষুদ্র লাল মাকড়
১৫.লেদা পোকা
১৬.বিছাপোকা
১৭.সেমিলুপার/ঘোড়া পোকা।
♥

উপকারী পোকা:-

১.মাকড়সা
২.লেডিবাড বিটল
৩.ক্যারাবিড বিটল
৪.স্টেফিলিপিড বিটল
৫.ড্রামসেল ফ্লাই
৬.ড্রাগন ফ্লাই
৭.বোলতা
৮.মিরিড বাগ
৯.মেসোভেলিয়া
১০.ইয়ার উইক
১১.ডায়ান্ট ওয়াটার বাগ
১২.স্করপিয়ন
১৩.লেস উইং।
♥

সবজি ফসলে রোগ প্রায়:- ১৭০ টি.

♣ছত্রাকজনিত রোগ:-১০৬টি
♣ব্যাক্টেরিয়া জনিত রোগ:-১১টি
♣ক্রমি জনিত রোগ:-৫টি
♣ভাইরাস জনিত রোগ:৩০টি
♣মাইকোপ্লাজমা জনিত রোগ: ৬টি
♣অপুষ্টি জনিত রোগ: ১২টি
এছাড়া ৬৯টি অপ্রধান রোগ রয়েছে।
♥

সবজি ফসলে প্রধান প্রধান রোগ:

১.ঢলে পড়া
২.চারা ধসা
৩.মোজাইক
৪.ফল পচা ও কান্ড পচা
৫.ক্ষুদে পাতা
৬.আগাম ধসা
৭.ডাউনি মিলডিউ
৮.পাউডারী মিলডিউ
৯.এনথ্রাকনোজ
১০.পাতা কোঁকড়ানো
১১.শিকড় পচা
১২.শিকড় গিট
১৩.নাবী ধসা
১৪.কালো পচা
১৫.পাতায় দাগ
ইত্যাদি।

Last post

ড্রাগন ফলের পরিচয়

  উৎপত্তি ও ভৌগলিক বিস্তৃতিসহ ড্রাগন ফলের পরিচয়     " ড্রাগন ফল " বা ড্রাগন ফ্রুট অসমৃদ্ধ এবং বিশেষ রূপের ফল , য...