Thursday, February 4, 2021

কৃষি কাজের ভালো দিকগুলো।



 নেশা যদি পেশা হয়, সফলতা আপনার নিকটে,তার সাথে যদি মা বাবার দোয়া থাকে তা হলে আপনাকে ঠেকায় কে।


কৃষি সেক্টরে সফল হওয়াটা অগ্নি পরীক্ষার সমান।কিন্তু কয়েকটি ভালো দিকও আছে যেমন:

1/ আপনি একটি স্বাধীন পেশা পাবেন,

2/ মা বাবাসহ পরিবারের সবাইকে প্রচুর সময় দিতে পারবেন, 

যা অন্য কোন কাজ করে হয়তো সম্ভব না।

3/ মাথা উঁচু করে বলতে পারবেন, আমি কৃষক আমি আপনার খাবার প্লেটে খাবার দেই।

4/ প্রকৃতির সাথে নিবিড়ভাবে সময় কাটাতে পারবেন,

    গাছ কখনো বেইমানি করে না।

5/ নিজের টার্গেট নিজেই পূর্ন করতে পারবেন,

     অন্যের দেওয়া নির্ধারিত টার্গেট পূরণের জন্য মরিয়া হয়ে দৌড়াতে হবে না।

6/ আত্মীয় স্বজনদের বিপদে সবার আগে উপস্থিত হতে পারবেন,

এ বিষয়টি প্রবাসী ও চাকরিজীবী ভাইয়েরা ভালো ভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন।

7/ যখন যেদিকে প্রয়োজন চলে যেতে পারবেন,  

কাওকে কৈফিয়ত দিতে হবে না।

8/ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে চিরমুক্তি,

9/ সৎ উপার্জনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন,


কৃষি কাজে এরকম আরো অনেক অনেক ভালো দিক আছে।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে খারাপ দিকও আছে, ঐ বিষয়ে অন্যকোন পোস্টে আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ

সকলেই ভালো থাকবেন, সাবধানে থাকবেন।

আমার জন্য দোয়া করবেন

কৃষি উদ্যোক্তা এমদাদুল হক রতন

প্রতিষ্ঠানঃ- রোহান এগ্রো ফার্ম

গারো বাজার, ঘাটাইল, টাঙ্গাইল


Monday, February 1, 2021

লাউয়ের মাছি পোকা দমনে কার্যকর ব্যবস্থাপনা।



লাউয়ের মাছিপোকা দমনে কার্যকর ব্যবস্থাপনা।Effective management of bottle gourd fruits fly control.

আজ নতুন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো তার আগে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি। 

আজকে আপনাদের সামনে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব সেটি হল আপনারা দেখবেন যারা ছাদ বাগানে এবং বাণিজ্যিকভাবে লাউ চাষ করে থাকেন। দেখবেন মাছি পোকা ঘুরে বেড়াই এবং ফলের উপর  বসে থাকে।এই পোকা লাউ চাষের জন্য বড়ো হুমকি।এই মাছি পোকা লাউয়ে হুল ফুটাই এবং ড়িম পাড়ে, ডিম থেকে কিড়া বের হতে থাকে। এক সমায় আক্রমনের হার বেড়ে যাই এবং গাছে কচি লাউ থাকেনা বল্লেই চলে।তাই এই মাছি পোকা দমন করতেই হবে যে কোন ভাবে। যদি লউযের ভালো ফলন পেতে চান।

নিয়ন্ত্রণঃ-

 জৈব বালাই নাশক ফেরোমন ফাঁদ তাবিজ ব্যবহার করতে পারি।এটা পাওয়া না গেলে রাসায়নিকভাবে দমন করা যেতে পারে রাসায়নিক দমন করার জন্য আমরা এবামেকটিন  গ্রুপের কীটনাশক অথবা সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি করে দিয়ে আমরা লাউ গাছের বিভিন্ন জায়গাতে স্প্রে করলে এই পোকা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।বিশেষ করে ফুু্লে ও ফলে।

পরিশেষে বলবো এই পোকা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে লাউয়ের বাম্পার ফলন নিশ্চিত হবে এজন্য আমার মাছি পোকা সম্পর্কে সচেতন থাকবো এবং তখনই আমরা ভালো ফল পাবো যখন মাছি পোকার এই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।



 ধন্যবাদ সকলকে


নিচে লাউয়ের মাছিপোকা দমনে কার্যকর ব্যবস্থাপনার ভিডিও দেওয়া হলো। ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন




মাছিপোকা লাউয়ের প্রধান শত্রুপোকা। এই পোকা আক্রমনের ফলে লাউয়ের ফলন ৬০-৭০ ভাগ ফল নষ্ট হতে পারে। আর এই পোকা দমনে ভিডিওটি দেখলে সঠিকভাবে দমন করতে পারবে।


আমাদের সাথে যোগাযোগ।


facebook groups.


facebook Page.











Sunday, January 31, 2021

আমের বাম্পার ফলন হবে।

আমের বাম্পার ফলন হবে।

আমের বাম্পার ফলন হবে।


 আমের গাছে ফুল ফুটতে শুরু করেছে।  আমের মুকুলও বিভিন্ন ফুলের সাথে সুগন্ধ ছড়াচ্ছে।  প্রকৃতি আমের মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণ পাচ্ছে।  মৌমাছির ঝাঁক তার মজাদার শব্দে মধু সংগ্রহ করা শরু করেছে।  মৌমাছিদের এই গুণটি অনেক প্রকৃতি প্রেমীদের মনকেও আকর্ষণ করে।  মুকুলের মিষ্টি সুবাস মানুষের মনে আলোড়িত করছে।  এখন থেকে গাছের মুকুল ফুটতে দেখা যাচ্ছে। সময়ের সাথে সাথে এখন এটি বাড়ছে।


  এ বছর গাছে মুকুলের পরিমাণ বেশি।  আমের চাষীরা এবং সংশ্লিষ্ট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর এবার আমের বাম্পার ফলন আশা করছে।  ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সময়োপযোগী যত্ন না থাকলে চলতি মৌসুমে আমের ভাল ফলন হবে।  আর এ কারণেই আমের কৃষকরা আশা নিয়ে মুকুলের পরিচর্যা শুরু করেছেন।  তাদের আশা এই মৌসুমে তারা আমের থেকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন। দেশের প্রায় সব জায়গাতেই আমের কম বেশি বাগান রয়েছে।  লাভজনক হওয়ায় প্রতিবছর আমের বাগানের সংখ্যা বাড়ছে।  তবে সদ্য বিকশিত আমের বাগানে প্রায়শই বনাঞ্চলের জাত রয়েছে।  বিশেষত নিয়মিত জাত ল্যাংড়া, গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, লতা, বোম্বাই লতা, ফজলি, হিমসাগর, অর্পালি, কাঁচা মিষ্টি, অশ্বিনা জাত আরও বেশি হয়ে উঠছে। রাজশাহী এলাকায় আমের বাগানের সংখ্যা বেশি।


 এবছর আবহাওয়া আমের জন্য অনুকূল।  গত বছরের তুলনায় এ বছর অবিরাম শীত এবং কুয়াশার তীব্রতা অনেক কম।  গতবারের মতো মৌসুমের শুরুতে শিলাবৃষ্টি হয়নি।  ইতিমধ্যে অনেক গাছে কুড়ি আসতে শুরু করেছে।  আশা করা হচ্ছে রাজশাহী সহ দেশের বিভিন্ন উপজেলার আমগাছের ফাল্গুনে পর্যাপ্ত অঙ্কুর থাকবে।  পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে।  আম চাষকারী জানান, কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে তারা মুকুল আসার ১৫ থেকে ২০ দিন আগে সাইপারম্যাক্সিন এবং কার্বারেল গ্রুপের কীটনাশক দিয়ে পুরো গাছ স্প্রে করছেন।  এটি গাছটিকে হপার পোকামাকড় সহ অন্যান্য পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করবে।  পোকা সঠিক সময়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে আমের ফলন হ্রাস পাবে। সব মিলিয়ে প্রত্যাশা করা হচ্ছে যে বর্তমান সমায়ে যতি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে তা হলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে।


সৌজন্যে---------------------



 নিচের পোষ্ট গুলি পড়তে ক্লিক করুন             

বারি আম ৩.

বারি আম-৪

থাই ব্যানানা ম্যাংগো।

আম ও লিচু গাছের মুকুলের পরিচর্যা।





Saturday, January 30, 2021

পেয়ারার ফলের পুষ্টি গুণ।


পেয়ারার ফলের পুষ্টি গুণ।


 যারা পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ফল বেছে নেন খাওয়ার জন্য তারা পেয়ারা বাদ দিতে পারবেন না যদি এই ফল সম্পর্কে জানেন এবং কি আছে এই ফলে।তাই স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য এমনকি পেয়ারাও প্রতিদিনের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। কারণ এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে; ভিটামিন সি এবং লাইকোপিন যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আসুন আজ জনে নেওয়া যাক কিছু চমৎকার পেয়ারা সম্পর্কে তথ্য।

পেয়ারার পাঁচটি বিশেষ গুণ রয়েছে, এই ফলটি ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী এবং ক্যান্সার প্রতিরোধী জন্য উপকারী।



 

নিয়মিত পেয়ারা খেলে  ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস পায়।  কারণ পেয়ারাতে থাকা ফাইবার শরীরে চিনির পরিমান হ্রাস করতে পারে।

পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে যা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং দেহে রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।


পেয়ারাতে থাকা ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। রাতের অন্ধত্ব থেকে রক্ষা করে। পেয়ারা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। তাই নিয়মিত পেয়ারা খেলে ডায়রিয়ার ঝুঁকি অনেকটা কমে যাবে। পেয়ারা ব্যাকটেরিয়ার সাথে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।

পেয়ারা ক্যান্সার প্রতিরোধেও কাজ করে। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে; লাইকোপিন; ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। বিশেষত - পেয়ারা মহিলাদের স্তন ক্যান্সারের প্রতিরোধে কাজ করে।

যেহেতু আমাদের অনেক উপকারী তাই প্রতি দিন আমরা এই ফলটি খেতে পারি। দামটাও অনেক কম অন্য ফল গুলির তুলনায়।এই ফলটি আমাদের দেশীয় ফল বলা যাই এবং সহজেই পাওয়া যাই।

সৌজন্যে---------------------

 নিচের পোষ্ট গুলি পড়তে ক্লিক করুন             

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী গাছের অবিশ্বাস্য যত গুণ!

ড্রাগন ফলের বিস্ময়কর গুণাগুণ।

গাজরে পুষ্টি ও গুণাগুণ।

বিটা রুট সবজির উপকার।

সজনের ডাঁটাতে ও শাকে অবিশ্বাস্য সুবিধা

ঢেঁড়সের বিস্ময়কর উপকারী ও ওষুধি গুণাগুণ।

ফুলকপি খাওয়ার সুবিধা বা উপকার।

কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা|

কদবেলের উপকারিতা সম্পর্কে কিছু দুর্দান্ত তথ্য।






রাণী মৌমাছি ধরার পদ্ধিতি চাষের জন্য।

 রাণী মৌমাছি ধরার পদ্ধতি

বর্তমান কৃষির সাথে মৌচাষ বা মৌমাছি চাষ একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বর্তমান আধুনিক কৃষিতে মৌ পালন বা মৌচাষ আগের তুলনায়  বৃদ্ধি পাচ্ছে।মৌচাষ করে আপনি পেতে পারেন খাঁটি মধু ও আনতে পারেন নিজের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা। তাই অনেক বেকার যুবক এবং কৃষকরা এই মৌ-পালন বা মৌমাছি চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছে।

আজ আপনাদের জানাবো এবং দেখাবো কিভাবে মৌমাছি ধরতে হয় এবং চাষের জন্য বক্সের মধ্যে বন্দি করতে হয়। একটি চাকে একটি রানী মৌমাছি থাকে এবং এই রানী মৌমাছির নিয়ন্ত্রণে চলে ওই মৌচাকের মধু সংগ্রহ এবং সব কার্যক্রম তাই রানী মৌমাছি ধরতে পারলে মূলত মৌমাছি একটি বক্সের জন্যে ধরা হয়ে যায়। কারণ রানী মূলত তার চাকের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে থাকে তাই মধু বাড়িতে এবং বক্সের মধ্যে উৎপাদন করতে হলে আগে রানী সংগ্রহ বা ধরে বক্সের মধ্যে রাখতে হবে। 

নিচে ভিডিও দেওয়া হলো কি ভাবে চাষের জন্য রানী মাছি ধরতে হয়-

দেখতে প্লে বাটুনে ক্লিক করুন।




সৌজন্য ---------

কৃষি পরামর্শ গ্রুপ।







Friday, January 29, 2021

কদবেলের উপকারিতা সম্পর্কে কিছু দুর্দান্ত তথ্য।

কদবেলের উপকারিতা সম্পর্কে কিছু দুর্দান্ত তথ্য।


 টক স্বাদযুক্ত বৃত্তাকার দেখতে ।ফলটি কাঁঠাল এবং পেয়ারা সমান পুষ্টি মান রয়েছে। আমিষ পরিমাণ আমের চেয়ে সাড়ে ৩ গুণ বেশি।কাঁঠাল ও লিচুর চেয়ে ৩ গুণ বেশি। আনারসের চেয়ে প্রায় ৪ গুণ বেশি। আসুন আজ জেনে নিই কাদবেল সম্পর্কে কিছু দুর্দান্ত তথ্য:


ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই মৌসুমী ফলটি মূলত তার স্বাদ জন্য খাওয়া হয়। তবে পুষ্টির ক্ষেত্রে কাদবেল সত্যই অনন্য। কদাবেলের খনিজ উপাদান ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। কাদবেল ডায়াবেটিস প্রতিরোধে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।



কাদবেল আয়ুর্বেদে উত্তেজক এবং মূত্ররোর্ধক হিসাবে ব্যবহৃতি হয়। ফলের নিয়মিত সেবন কিডনি ভালো রাখে। প্রাচীন ভারতীয় medicine এ কদবেল কিডনির সমস্যার জন্য সর্বোত্তম প্রাকৃতিক medicine হিসাবে ব্যবহৃত হত।


কদবেল লিভার এবং হার্টের জন্যও বিশেষ উপকারী-। ত কদবেল পেটের আলসার নিরাময়ে খুব কার্যকর ভূমিকা পালন করে।


মেয়েদের ব্রোন এবং মেছতাতে কাঁচা কদাবেলের রস দিলে মুখে তাড়াতাড়ি দাগ নিবারন হয়। কাদবেল পাতার নির্যাস শ্বাসকষ্টজনিত রোগের চিকিত্সায় কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এই রস বাচ্চাদের পেটে ব্যথার চিকিত্সায় দুর্দান্ত কাজ করে।


কাদবেল রক্ত ​​পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। কাদাবেল হার্টের ধড়ফড়ানি এবং নিম্ন রক্তচাপ রোধেও সহায়ক। কদবেল শরীরের শক্তি বাড়ায় এবং রক্তাল্পতা দূর করে।


কদবেলে এমন একটি পদার্থ থাকে যা দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া এবং পেটের ব্যথা ভাল করে তোলে। 


কাদবেল শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্নায়ু শক্তিতে সহায়তা করে। এজন্য কাদবেল খেলে উত্তাপ কম লাগে। কদাবেল ত্বকের জ্বালা কমাতে মলম হিসাবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।


সৌজন্যে---------------------


 নিচের পোষ্ট গুলি পড়তে ক্লিক করুন             

বিভিন্ন ঔষধি গাছ।

ভেষজ চা কি।

থানকুনি পাতার উপকারিতা।

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী গাছের অবিশ্বাস্য যত গুণ!

ড্রাগন ফলের বিস্ময়কর গুণাগুণ।

গাজরে পুষ্টি ও গুণাগুণ।

বিটা রুট সবজির উপকার।

সজনের ডাঁটাতে ও শাকে অবিশ্বাস্য সুবিধা

ঢেঁড়সের বিস্ময়কর উপকারী ও ওষুধি গুণাগুণ।

ফুলকপি খাওয়ার সুবিধা বা উপকার।

কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা|




Thursday, January 28, 2021

মুরগীর খারাপ অভ্যাস বন্ধ করতে খামারীদের কী করা উচিত।

 

মুরগীর খারাপ অভ্যাস বন্ধ করতে খামারীদের  কী করা উচিত


মুরগীর খারাপ অভ্যাস বন্ধ করতে খামারীদের  কী করা উচিত তা জানতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে মুরগির পালন করার সময় মুরগির বদ অভ্যাস লক্ষ করা যায়। যা খামার উৎপাদন ব্যাহত করে। আজ আমরা জানবো কৃষকরা মুরগির খারাপ অভ্যাস বন্ধ করতে কী করতে পারে-


মুরগির খারাপ অভ্যাস বন্ধ করতে কৃষকদের কী করা উচিত

১. উত্থিত মুরগিকে যতটুকু প্রয়োজন তেমন জায়গা দিতে হবে। যদি মুরগির জায়গার অভাব হয় তবে এই খারাপ অভ্যাসটি শুরু হতে পারে। এ জন্য মুরগি রাখার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা বরাদ্দ করতে হবে।

২. মুরগির খামারে বা লিভিং কোয়ার্টারে অতিরিক্ত তাপমাত্রায় বৃদ্ধি মুরগির বদ অভ্যাসের কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত তাপ মুরগির বিপাকের উন্নতি করে না। ফলস্বরূপ, মুরগি খেতে অনীহা দেখাবে। উত্তাপের কারনে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে সহিংসতা দেখায়। সুতরাং, খামারের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

রাণী মৌমাছি ধরার পদ্ধিতি চাষের জন্য।

৩. খামারে মুরগির জন্য পর্যাপ্ত খাবার এবং জল সরবরাহ করতে হবে। মুরগির খাবার ও পানির অভাব প্রতিযোগিতার দিকে নিয়ে যেতে পারে। যা সহিংস আবেগ এবং এমনকি খারাপ অভ্যাসের দিকে পরিচালিত করতে পারে।

৪. মুরগি খাঁচায় লালন পালন করা হলে মুরগির জায়গা বা আবাস সঠিক নিয়ম অনুসারে ঠিক করতে হবে। এবং যদি খাঁচায় মুরগি পালনের সময় জায়গার অভাব হয়, তবে মুরগি খাবারের সংকট নিয়ে প্রতিযোগিতা হিসাবে একে অপরের সাথে লড়াই এবং হোঁচট খেতে শুরু করে। যা বদ অভ্যাসে পরিণত হয়।

৫. পরজীবী মুরগির শরীরে আক্রমণ করলে মুরগি অস্থির বোধ করে। এটি আক্রমণ সাইটের চুলকানি করে তোলে। যে কারণে সে নিজের ঠোঁট দিয়ে এটি আঁচড়ানোর চেষ্টা করে। যদি এটি কাজ না করে, তবে সে অন্য কোনও শক্ত জিনিস দিয়ে নিজের দেহটি রাখে। এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য, মুরগির পরজীবীদের সঠিক সময়ে দমন করা উচিত।

৬। মুরগির বদ অভ্যাস বন্ধ করার জন্য খামারে বা আবাসনের জায়গায় হালকা বেশি করতে হবে এবং বায়ুচলাচল সরবরাহ বেশি থাকে সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে।

সৌজন্যে---------------------




Wednesday, January 27, 2021

লাউয়ের ফলন বৃদ্ধি।

 ভিডিওটা দেখলে বুঝতে পারবেন কি ভাবে লাওয়ের ফলন বৃদ্ধি পাবে।আশা করি ভালো লাগবে। ভালো লাগলে শেয়ার করবেন।১০ জনকে দেখার সুযোগ করে দিবেন। ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন


সৌজন্যে---------------------

.

ব্রয়লার মুরগী চাষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি।

 

ব্রয়লার মুরগী চাষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি


আগাম জেনে রাখা ভাল যে ব্রয়লার মুরগী চাষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করতে পারেন। ব্রয়লার মুরগি আমাদের দেশে মাংসের চাহিদা মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। বাজারের চাহিদার কারণে আমাদের দেশে ব্রয়লার ফার্মগুলি প্রচুর পরিমাণে উৎপাদন বেড়েছে। আজকে আমরা জানবো ব্রয়লার চাষে কি কি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি নিতে হবে।



 

ব্রয়লার চাষে যে পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করা উচিত সেগুলি হলো-

১. ব্রয়লার মুরগিকে নিয়মিত সঠিক পরিমাণে খাবার খাওয়ানো প্রয়োজন। খামারের মুরগির পুষ্টি এবং ভিটামিনের চাহিদা অনুযায়ী খাবারটি দিনের বিভিন্ন সময়ে বিতরণ করা উচিত। খাওয়ানোর আগে খাবারের পাত্রে পরিষ্কার এবং জীবাণু মুক্ত রাখার যত্ন নেওয়া উচিত।


২. নিয়মিত ব্রয়লার মুরগির ওজন করা দরকার। খামার মুরগির ওজনের মধ্যে কোনও পার্থক্য থাকলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।


৩. একই জাতের মুরগির ব্রয়লার ফার্মগুলিতে লালন করা উচিত। কোনও উপায়ে ব্রয়লার মুরগির মিশ্র বা অন্য কোনও জাতের মুরগির সাথে লালন করা উচিত। এটি ব্রয়লার খামারে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।


৪.ব্রয়লার মুরগীর র্ফমে প্রয়োজনীয় আলো সরবরাহ করা। ব্রয়লার খামারে আলোর কোন সংকট রাখার উপায় নেই। এটি মুরগির শারীরিক বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।


৫. ব্রয়লার মুরগীতে সহজ বায়ুচলাচলের ব্যবস্থা করা উচিত। তবে শীতের দিনগুলি আপনাকে করে দিতে হবে উৎতাপের ব্যবস্থা যাতে ঘর গরম থাকে।


৬.খামারের মুরগিকে নিয়মিত একই পরিমাণ এবং একই ধরণের খাবার দেওয়া দরকার। খামারে হঠাৎ করে খাবার পরিবর্তন করা যায় না। এটি খামার মুরগির বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করতে পারে।


৭. ব্রয়লার মুরগির উপর প্রতিদিনের আয় এবং ব্যয়ের একটি রেকর্ড রাখুন। কোনও কারণে ব্যয় বাড়লে তা হ্রাস করা যায়। খামারকে লাভজনক করে তোলার জন্য আরও সহজ করে তুলবে।


৮.ফার্ম ব্রয়লার মুরগিকে সঠিক সময়ে টিকা দেওয়া দরকার। যদি রোগ দেখা দেয় তবে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত. 


ধন্যবাদ ।


সৌজন্যে---------------------












Tuesday, January 26, 2021

লেবু চাষে করে হতে পারেন স্বাবলম্বী।





লেবু চাষে করে হতে পারেন স্বাবলম্বী।


আপনি কি কৃষি কাজ করে স্বাবলম্বী হতে চান?পড়া লেখা বা অন্য কাজের পাশা পাশি বাড়তি আয় করতে চান তাহলে বসত বাড়ি বা চাষের জমিতে রোপন করতে পারেন লেবু গাছ। বর্তমান প্রেক্ষাপটে কৃষিতে সবচাইতে লাভ জনক যদি ভালো ভাবে করতে পারেন।


গাছের বা ফসলের ভাষা বুঝে করতে পারেন যেমন ধরুন কখন কি পরিচর্যা করতে হবে কি সার দিতে হবে কখন সেচ দিতে হবে ইত্যাদি।আরএকটা বিষয় খেয়াল রেখে চাষ করলে লাভ হয় তা হলো বাজারে ঐ দ্রবের চাহিদা ও দাম কেমন। 


লেবু চাষ কেন করবেন -

নিচে লেবু গাছ কেন করবেন এবং করলে কি লাভ আপনার হবে তা তুলে ধরলাম।একটু মন দিয়ে পড়বেন হয়তো আপনার ভালো লাগতে পারে। 



১/ লেবুই হচ্ছে একমাত্র ফসল যা অল্প পুজিতে বেশি মুনাফা অর্জন করা যায়।

২/ আপনার যদি এক বিঘা জমি থাকে তা থেকেই আপনি বছরের দেড় থেকে দুই লাখ টাকা আয় করতে পারবেন।

৩/ অন্যান্য ফসলের তুলনায় লেবু তে রোগবালাই কম, যার ফলে যেকোনো নতুন কৃষক সহজেই চাষ করতে পারবে।

৪/ লেবু ভিটামিন 'সি' সমৃদ্ধ হওয়ায় বাজার চাহিদা বেড়েই চলছে দিনদিন।

৫/ একবার গাছ লাগালে ১২-১৫ বছর একটানা ফলন পাওয়া যায়।

৬/ চারা রোপনের ৫-৬ মাসের মধ্যেই ফলন পাওয়া যায়।

৭/ লেবুতে অনেক বেশি যত্নের প্রয়োজন হয়না, তাই আপনি পড়াশোনা বা অন্যান্য কাজের পাশাপাশি লেবু চাষ করতে পারবেন।

৮/সব সমায় বাজারে চাহিদা আছে গরমের সময় তো কথাই নাই।কাগুচে লেবু পাওয়াই কষ্টের ব্যপার।

৯/বাজরে প্রতি পিচ লেবু ২-৫ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।আপনি চাইলে পাইকারী এবং খুচরা বিক্রয় করতে পারবেন।

১০/ আপনি চাইলে প্রতি বছর কলম করে চারা তৈরি করে বিক্রয় করতে পারবেন।চারা বিক্রয় করে একটা মোটা টাকা পাবেন যদি জাত ভালো হয় তা হলে তো কথাই নাই।


 ভালো জাত নির্বচন এবং সঠিক পরিচর্যা হলেই লেবু চাষে বাম্পার ফলন পাওয়া সম্ভাব। তাই রোপনের আগে লেবু চাষ সম্পর্কে ভালো ভাবে জেনে ও বুঝে পরিকল্পনা গ্রহন করুন।আশা করি ভালো হবে।



ধন্যবাদ ভালো থাকবেন


সৌজন্যে---------------------








Monday, January 25, 2021

মসুর ডাল চাষে রোগ বালাই।

 মসুর ডালের রোগ

মসুর ডাল চাষে রোগবালাই।


১. মসুর ডাস্টের মরিচা রোগ ছত্রাক ইউরোমাইসিস ভিসিয়া আক্রমণের ফলে ঘটে। সংক্রামিত গাছের পাতায় বিভিন্ন আকারের ছোট মরিচা বা কালো দাগ দেখা যাই। পরে গা  বাদামী এবং কালো হয়ে যায়। কান্দেও একই রকম লক্ষণ দেখা যায়। আর্দ্র আবহাওয়ার সময় প্রাদুর্ভাব আরও বেড়ে যায়।


২. নেতিয়ে পড়া বা ডুলে পড়া একটি ক্ষতিকারক রোগ। ফুসারিয়াম অক্সিস্পোরিয়াম নামক ছত্রাকের দ্বারা এই রোগ হয়। চারা সংক্রামিত হলে, চারাগুলির বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং উপরের পাতা ধীরে ধীরে গাছের নীচের দিক থেকে হলুদ হয়ে যায়। চারাগুলির শীর্ষগুলি নেতিয়ে পড়ে এবং চারা মারা যায়।


৩. জাব পোকা মসুরের পাতা, ডালপালা,  ক্রমবর্ধমান কুড়ি ও ফুল থেকে রস চুষে খাই । অতিরিক্ত আক্রমণের ফলে পাতা সঙ্কুচিত হয়ে কুকড়ে যায় এবং গাছের বৃদ্ধি কমে হয়। সংক্রামিত ফুলে সাধারণত ফল উৎপাদন হয় না, তবে হলেও স্বাস্থ্যকর ফল বা ডাল পাওয়া যাই না।


৪. ফলের পোকামাকড়ের লার্ভা প্রথমে পাতার সবুজ অংশে পরে ফুল ও কচি ফল আক্রমন করে। লার্ভা অঙ্কুরিত ফল ছিদ্র করে এবং অঙ্কুরের ভিতরে শরীরের কিছু অংশে লুকিয়ে থাকে এবং বীজ খায়।


প্রতিকার:


স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত জৈব কীটনাশকগুলি এই রোগ এবং পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা উচিত। পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ না করা হলে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিসের সাথে পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করতে হবে।



ভিডিও দেওয়া হলোঃ-




সৌজন্যে---------------------







Last post

ড্রাগন ফলের পরিচয়

  উৎপত্তি ও ভৌগলিক বিস্তৃতিসহ ড্রাগন ফলের পরিচয়     " ড্রাগন ফল " বা ড্রাগন ফ্রুট অসমৃদ্ধ এবং বিশেষ রূপের ফল , য...